পোশাক শিল্পকে টেকসইভাবে এগিয়ে নিতে নীতিগত সহায়তা চেয়েছে বিজিএমইএ। শিল্পের সক্ষমতা ধরে রাখা ও দীর্ঘমেয়াদে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকার প্রয়োজনেই এই উদ্যোগ বলে জানানো হয়েছে।
পোশাক শিল্পে টেকসই প্রবৃদ্ধির আহ্বান

বিজিএমইএ বলছে, পোশাক খাত দেশের অর্থনীতির বড় চালিকাশক্তি। তবে টেকসই প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য বাস্তবায়নে নীতিগত সমর্থন জরুরি। সময়ের চাহিদা অনুযায়ী শিল্পের উৎপাদন, বাজার ও বিনিয়োগ টিকিয়ে রাখতে প্রধানমন্ত্রীর নীতিগত সহায়তা প্রত্যাশা করা হচ্ছে।
নীতিগত সহায়তায় শিল্পের আস্থা
প্রতিযোগিতামূলক বৈশ্বিক বাজারে টিকে থাকতে নানামুখী প্রস্তুতি লাগে। বিজিএমইএ মনে করে, নীতিগত পর্যায়ে দিকনির্দেশনা ও সহায়তা পেলে শিল্পের পরিকল্পনা আরও কার্যকর হবে। ফলে কর্মসংস্থান ও রপ্তানি-সংশ্লিষ্ট কর্মকাণ্ডও স্থিতিশীল থাকবে।
প্রবাসী ক্রেতা-বাজারের বাস্তবতাও মাথায়
মধ্যপ্রাচ্যসহ বিভিন্ন অঞ্চলে বাংলাদেশি পোশাকের চাহিদা সবসময়ই গুরুত্বপূর্ণ। এ অঞ্চলের ক্রেতাদের পছন্দ, সময়মতো সরবরাহ এবং মান ধরে রাখার বিষয়গুলো পোশাক শিল্পের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ। এসব বাস্তবতায় টেকসই প্রবৃদ্ধির কৌশল আরও শক্ত করার কথাই জোর দিয়ে বলা হচ্ছে।
কার্যকর পদক্ষেপে লক্ষ্য স্থির
বিজিএমইএর পক্ষ থেকে যে বার্তা এসেছে, তা মূলত টেকসই প্রবৃদ্ধিকে কেন্দ্র করে। শিল্পের টিকে থাকা ও সক্ষমতা বাড়াতে নীতি-সমর্থনের প্রয়োজনকে সামনে আনা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর দিকনির্দেশনা পেলে শিল্পের জন্য দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা বাস্তবায়ন সহজ হবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়েছে।
প্রশ্নোত্তর
পোশাক শিল্প নিয়ে বিজিএমইএ কী চেয়েছে?
পোশাক শিল্পের টেকসই প্রবৃদ্ধির জন্য প্রধানমন্ত্রীর নীতিগত সহায়তা চেয়েছে বিজিএমইএ।
কেন নীতিগত সহায়তা দরকার?
প্রতিযোগিতায় টিকে থাকা এবং দীর্ঘমেয়াদে উৎপাদন-পরিকল্পনা কার্যকর করতে নীতিগত সমর্থন গুরুত্বপূর্ণ বলে বলা হয়েছে।
এতে শিল্পের কী লাভ হবে?
দীর্ঘমেয়াদি সক্ষমতা ও স্থিতিশীলতার মাধ্যমে কর্মসংস্থান ও রপ্তানি সংশ্লিষ্ট ধারাও জোরদার হওয়ার প্রত্যাশা আছে।
আরও পড়ুন: এই বিভাগের সর্বশেষ খবর









