যুক্তরাষ্ট্রের ফ্রিসকোতে তিন ধর্মের অনুসারী প্রবাসীরা ইবাদাতের জায়গা খুঁজছেন। তারা বলছেন, ধর্মচর্চা স্বাভাবিকভাবে করতে পারাই এখন মূল চাওয়া। কিন্তু সেই পথে বাধার চাপও অনুভব করছেন তারা।
ইবাদাতের জায়গা খোঁজার দাবি

কমিউনিটির লোকজন বলছেন, উপাসনা ও ধর্মীয় কার্যক্রম আয়োজনের জন্য একটি নির্দিষ্ট জায়গা দরকার। প্রবাসী হিসেবে তারা নিয়মিত ধর্মচর্চা করতে চান—এমনভাবে যাতে পরিবার, শিশু ও বয়স্করাও অংশ নিতে পারেন।
নজিরবিহীন শত্রুতার অভিযোগ
এই প্রক্রিয়ার মধ্যেই তাদের বিরুদ্ধে নজিরবিহীন শত্রুতার মুখোমুখি হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। প্রবাসীরা বলছেন, শুধু জায়গা খোঁজা নয়—কাছাকাছি বসবাসের বাস্তবতায় তাদের মানসিক চাপ বাড়ছে। কেউ কেউ বলছেন, ধর্মীয় পরিচয়কে কেন্দ্র করেই বিরূপতা টের পাচ্ছেন তারা।
ধর্মচর্চায় সমতার প্রত্যাশা
তিন ধর্মের অনুসারীদের প্রত্যাশা, স্থানীয়ভাবে ধর্মীয় স্বাধীনতা যেন বাধাগ্রস্ত না হয়। তারা এমন একটি পরিবেশ চান যেখানে উপাসনার আয়োজন করা যাবে শান্তভাবে। পাশাপাশি তারা আইনসম্মতভাবে অনুমোদনের প্রক্রিয়াও এগিয়ে নিতে চান।
প্রবাসীদের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান
কমিউনিটির লোকজন আরও বলছেন, তাদের আবেদনকে যেন কেবল ‘আয়োজন’ হিসেবে দেখা না হয়। ধর্মীয় চর্চা তাদের জীবনের অংশ। তাই প্রতিবেশী ও স্থানীয় কর্তৃপক্ষের সহানুভূতিমূলক দৃষ্টিভঙ্গি জরুরি।
ফ্রিসকোর এই পরিস্থিতি প্রবাসী সমাজে ধর্মচর্চার অধিকার নিয়ে নতুন করে ভাবার সুযোগ তৈরি করেছে। ইবাদাতের জায়গা নিশ্চিত হলে সেখানে শুধু উপাসনাই নয়, কমিউনিটির ভেতরে পারস্পরিক সংহতিও আরও দৃঢ় হবে—এমন আশা তাদের।
প্রশ্ন-উত্তর
প্রবাসীরা ফ্রিসকোতে কী চান?
তারা ইবাদাতের জায়গা ও ধর্মীয় কার্যক্রম আয়োজনের একটি নির্দিষ্ট স্থান চান।
তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ কী?
তারা বলছেন, ধর্মীয় পরিচয়কে কেন্দ্র করে নজিরবিহীন শত্রুতার মুখোমুখি হচ্ছেন।
মূল লক্ষ্য কী?
আইনসম্মতভাবে ধর্মচর্চা করতে পারা এবং শান্তিপূর্ণভাবে উপাসনা আয়োজন করা।
আরও পড়ুন: এই বিভাগের সর্বশেষ খবর
সূত্র: ketr.org









