আগস্টের প্রথম ১৯ দিনে দেশে প্রবাসী আয় এসেছে বড় অংকের ডলারে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, এই সময়ের রেমিট্যান্স প্রবাহে এক বছরের ব্যবধানে উল্লেখযোগ্য প্রবৃদ্ধি হয়েছে—যা বাজারে ডলারের জোগান ও প্রবাসীদের পাঠানো টাকার গতি দুটোতেই প্রভাব ফেলতে পারে।
আগস্টে রেমিট্যান্স কত ডলার

বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান জানান, চলতি বছরের আগস্টের ১৯ দিনে রেমিট্যান্স এসেছে ২০৩ কোটি ১০ লাখ মার্কিন ডলার। তুলনায়, গত বছরের একই সময়ের রেমিট্যান্স ছিল ১৫৭ কোটি ৩০ লাখ ডলার।
এক বছরে বেড়েছে প্রবাসী আয়
এই হিসাব অনুযায়ী, এক বছরের ব্যবধানে রেমিট্যান্স বেড়েছে ২৯.১ শতাংশ। অর্থাৎ এবার একই সময়ে আগের বছরের তুলনায় অতিরিক্ত ডলার এসেছে ৪৫ কোটি ৮০ লাখ পরিমাণ। প্রবাসীদের নিয়মিত আয় দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের চাপ কমাতে সহায়ক ভূমিকা রাখে।
অর্থবছরজুড়ে রেমিট্যান্সের চিত্র
চলতি (২০২৬-২৭) অর্থবছরের ১ জুলাই থেকে ১৯ আগস্ট পর্যন্ত মোট রেমিট্যান্স এসেছে ৪৮৯ কোটি ডলারের। গত অর্থবছরের একই সময়ে ছিল ৪০৫ কোটি ডলার। ফলে অর্থবছরের শুরু থেকে ১৯ আগস্ট পর্যন্ত রেমিট্যান্স প্রবাহ বেড়েছে ২০ দশমিক ৭ শতাংশ।
কেন বাড়ছে প্রবাসী আয়
ব্যাংকারদের মতে, বৈধ পথে অর্থ পাঠানোর প্রতি প্রবাসীদের আগ্রহ বেড়েছে। পাশাপাশি ব্যাংকিং সেবার সহজলভ্যতা এবং রেমিট্যান্স পাঠানোর প্রক্রিয়া আরও সহজ হওয়ায় প্রবাহ বাড়ছে। এই ধারা টিকিয়ে রাখতে পারলে সামনের দিনগুলোতে রেমিট্যান্স আরও শক্তিশালী হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হচ্ছে।
প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য বিষয়টি সরাসরি গুরুত্বপূর্ণ। তাদের পাঠানো টাকাই পরিবার থেকে শুরু করে বাজারের কেনাকাটা, চাহিদা ব্যবস্থাপনা ও সামগ্রিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতায় ভূমিকা রাখে।
কাদের জন্য সবচেয়ে কাজে লাগে?
রেমিট্যান্সে পরিবারের খরচ চালানো, শিক্ষার খরচ, চিকিৎসা ব্যয় এবং দৈনন্দিন প্রয়োজন মেটাতে সুবিধা হয়।
আগামী দিনেও প্রবাহ বাড়বে কি?
বর্তমান গতির ধারাবাহিকতা থাকলে রেমিট্যান্স প্রবাহ আরও শক্তিশালী হওয়ার ইঙ্গিত রয়েছে।
আরও পড়ুন: এই বিভাগের সর্বশেষ খবর
সূত্র: JagoNews24.com









