GULF BANGLA বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ করুন +880 1755727432
Home / অর্থনীতি ও বাণিজ্য / থাই ব্যবসায়ীদের বাংলাদেশে আরও বিনিয়োগে আহ্বান

থাই ব্যবসায়ীদের বাংলাদেশে আরও বিনিয়োগে আহ্বান

আন্তর্জাতিক বাণিজ্য প্রদর্শনীতে ব্যবসায়ীদের উপস্থিতি ও স্টল

রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে তিন দিনব্যাপী আন্তর্জাতিক বাণিজ্য প্রদর্শনী ‘টপ থাই ব্র্যান্ডস ২০২৬’ উদ্বোধনের পর থাই ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে আরও বিনিয়োগের আহ্বান জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। তিনি বলেন, বাংলাদেশ–থাইল্যান্ড সম্পর্ক কেবল দীর্ঘদিনের আস্থা ও সম্মানভিত্তিক নয়, এখন তা ধীরে ধীরে বাণিজ্য, বিনিয়োগ, পর্যটন, সংস্কৃতি ও আঞ্চলিক সহযোগিতার ক্ষেত্রেও প্রসারিত হচ্ছে।

থাই ব্যবসায়ীদের আরও বিনিয়োগের আহ্বান

আন্তর্জাতিক বাণিজ্য প্রদর্শনীতে ব্যবসায়ীদের উপস্থিতি ও স্টল

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাইল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত থিতিপর্ন চিরাসাওয়াদি, রয়্যাল থাই দূতাবাসের কর্মকর্তারা এবং অংশগ্রহণকারী থাই প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের উদ্দেশে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য বাড়লেও বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণের যথেষ্ট সুযোগ এখনও রয়ে গেছে।

বাণিজ্যমন্ত্রী জোর দিয়ে বলেন, বাংলাদেশ তার কৌশলগত অবস্থান, বড় ভোক্তা বাজার, দক্ষ জনশক্তি এবং বিনিয়োগবান্ধব নীতির কারণে বিদেশি বিনিয়োগের জন্য আকর্ষণীয় গন্তব্য হয়ে উঠেছে। ফলে থাই বিনিয়োগকারীদের জন্য বিভিন্ন খাতে নতুন সম্ভাবনা তৈরি হচ্ছে।

কোন কোন খাতে বিনিয়োগ চাওয়া হলো

খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, কৃষি প্রক্রিয়াজাতকরণ, পর্যটন, চামড়া, তৈরি পোশাক, অটোমোবাইল যন্ত্রাংশ এবং রাবার পণ্যের মতো খাতে থাই বিনিয়োগকে তারা স্বাগত জানাচ্ছেন। একই সঙ্গে তিনি জানান, বাংলাদেশ থাইল্যান্ডের বাজারে ওষুধ, প্রক্রিয়াজাত খাদ্যপণ্য, পাটজাত পরিবেশবান্ধব পণ্য, চামড়াজাত পণ্য এবং হালকা প্রকৌশল পণ্যের রপ্তানি বাড়াতে আগ্রহী।

প্রদর্শনীকে সম্পর্ক তৈরির কার্যকর মাধ্যম বললেন মন্ত্রী

বাণিজ্যমন্ত্রী আরও বলেন, ‘টপ থাই ব্র্যান্ডস ২০২৬’-এর মতো আন্তর্জাতিক বাণিজ্য প্রদর্শনী কেবল পণ্য দেখানোর সুযোগ নয়। এটি উৎপাদক, আমদানিকারক, রপ্তানিকারক, পরিবেশক, বিনিয়োগকারী ও উদ্যোক্তাদের মধ্যে সরাসরি যোগাযোগ তৈরিরও মাধ্যম।

তার মতে, দুই দেশের ব্যবসায়ীদের মধ্যে নতুন সম্পর্ক গড়ে উঠলে বাণিজ্য সম্প্রসারণে তা ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। সরকারও ব্যবসা ও বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ তৈরিতে কাজ করছে বলেই তিনি উল্লেখ করেন। এর মধ্যে বাণিজ্য সহজীকরণ, অবকাঠামো উন্নয়ন, ডিজিটালাইজেশন এবং আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে যোগাযোগ বৃদ্ধির উদ্যোগ রয়েছে।

দায়িত্বশীল বিনিয়োগের গুরুত্ব

দায়িত্বশীল বিদেশি বিনিয়োগের গুরুত্ব তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, এ ধরনের বিনিয়োগ কর্মসংস্থান তৈরি করে, আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের সুযোগ বাড়ায় এবং দেশের শিল্প উন্নয়নে ভূমিকা রাখে। তিনি অংশগ্রহণকারী থাই কোম্পানিগুলোকে বাংলাদেশের ব্যবসায়ী, আমদানিকারক, পরিবেশক ও বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে যোগাযোগ বাড়ানোর আহ্বান জানান।

এছাড়া বাংলাদেশের ব্যবসায়ীদের থাইল্যান্ডের বাজারে দেশীয় পণ্য রপ্তানির নতুন সুযোগ অনুসন্ধানের কথাও বলেন বাণিজ্যমন্ত্রী। তিনি আশা প্রকাশ করেন, ‘টপ থাই ব্র্যান্ডস ২০২৬’ বাংলাদেশ ও থাইল্যান্ডের মধ্যে বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে আরও জোরদার করবে।

প্রশ্ন–উত্তর

‘টপ থাই ব্র্যান্ডস ২০২৬’ কোথায় হচ্ছে?
রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে।

বাণিজ্যমন্ত্রী কোন খাতে থাই বিনিয়োগ চাইলেন?
কৃষি প্রক্রিয়াজাতকরণ, পর্যটন, চামড়া, তৈরি পোশাক, অটোমোবাইল যন্ত্রাংশ ও রাবার পণ্যের মতো খাতে।

প্রদর্শনীর উদ্দেশ্য কী—শুধু পণ্য দেখানো, নাকি সম্পর্কও?
মন্ত্রী বলেছেন, এটি সরাসরি যোগাযোগ ও নতুন সম্পর্ক তৈরির কার্যকর মাধ্যম।

আরও পড়ুন: এই বিভাগের সর্বশেষ খবর

সূত্র: jagonews24.com

Social Icons