বাংলাদেশ ও মধ্যপ্রাচ্য—দুই প্রান্ত থেকেই এখন চোখ আছে ভারতের রাজধানী দিল্লির এক বড় রাজনৈতিক-ছাত্রপন্থী সমাবেশে। বুধবার-পরবর্তী দিনগুলোতে দিল্লির যন্তর মন্তর ঘিরে যে উত্তেজনা, তা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও আলোচনা তীব্র। বিশেষ করে বৃহস্পতিবারের একটি পোস্ট ঘিরে নতুন করে কথাবার্তা শুরু হয়েছে।
তসলিমা নাসরিনের পোস্টে ফিরল জুলাই ২০২৪ স্মৃতি

বৃহস্পতিবার নিজের ভেরিফায়েড এক্স অ্যাকাউন্টে তসলিমা নাসরিন লেখেন, যন্তর মন্তরে ‘তেলাপোকাদের’ সমবেত হতে দেখে তার বাংলাদেশের জুলাই ২০২৪ আন্দোলনের কথা মনে পড়েছে। তিনি বলেন, তখন ছাত্ররা ‘কোটা না মেধা? মেধা, মেধা’ স্লোগান দিয়ে আন্দোলন শুরু করেছিল এবং শেষ পর্যন্ত সরকারের পতন দাবি করেছিল। তসলিমার কথায়, এরপর যা ঘটেছিল—তার মূল্য এখন পুরো বাংলাদেশকেই দিতে হচ্ছে।
যন্তর মন্তরে ইন্টারনেট বন্ধ ও ধরপাকড়ের শঙ্কা
যন্তর মন্তরের দেড় কিলোমিটারের মধ্যে মোবাইল ইন্টারনেট বন্ধ রাখতে নির্দেশ দিয়েছে ভারতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। এই পরিস্থিতিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা বলছেন, দিনগত রাতের মধ্যে ব্যাপক ধরপাকড়ের আশঙ্কা আছে। তবে শিক্ষার্থীদের সেই অভিযোগ দিল্লি পুলিশ নাকচ করে দিয়েছে। পুলিশের ভাষ্য, রাতে আন্দোলন দমনে অভিযান চালানো হবে না।
তরুণদের বড় শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভের পরিকল্পনা
যন্তর মন্তরে আয়োজিত প্রতিবাদ সমাবেশ ঘিরে তরুণদের তৈরি সংগঠন আরও বড় আকারে শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভের পরিকল্পনা করছে বলে জানা গেছে। প্রসঙ্গত, এই কর্মসূচির জেরে অভিজিৎ দীপকে কেন্দ্র করে চরম হুঁশিয়ারির ঘটনাও টেনে আনা হয়েছে আলোচনায়। সামাজিক মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট এক পুলিশ কর্মকর্তার ‘ভাইরাল স্টার’ পরিচিতির কথাও এসেছে বার্তালাপে।
রাজধানীর রাজপথে উত্তাপ—বিশ্বজুড়ে প্রতিধ্বনি
ভারতের বিভিন্ন জায়গায় বিক্ষোভের ধারাবাহিকতায় যন্তর মন্তরের এই পরিস্থিতি যেন অন্য দেশের আলোচনাতেও জায়গা করে নিয়েছে। বিভিন্ন প্রান্তের ঘটনা মিলিয়ে ছাত্র-আন্দোলন, পুলিশি পদক্ষেপ, এবং গণতর্ক—সবটাই এখন একই সঙ্গে আলোচনায় উঠে আসছে।
এদিকে, তসলিমার পোস্টকে ঘিরে বাংলাদেশি পাঠকদের মধ্যে একধরনের তুলনামূলক ভাবনা তৈরি হয়েছে—কীভাবে আন্দোলনের শুরু থেকে গতি বদলায়, আর দামটা শেষ পর্যন্ত কার ঘাড়ে পড়ে।
প্রশ্ন—উত্তর
তসলিমা নাসরিন কী বিষয়ে পোস্ট করেছেন?
তিনি দিল্লির যন্তর মন্তরে ‘তেলাপোকাদের’ সমবেত হওয়া দেখে বাংলাদেশের জুলাই ২০২৪ আন্দোলনের কথা মনে পড়ার কথা বলেছেন।
যন্তর মন্তরে ইন্টারনেট বন্ধ রাখার নির্দেশ কেন?
আন্দোলনকে কেন্দ্র করে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে দেড় কিলোমিটারের মধ্যে মোবাইল ইন্টারনেট বন্ধ রাখা হবে—এটাই আলোচনার মূল জায়গা।
শিক্ষার্থীদের আশঙ্কার বিষয়ে পুলিশ কী বলেছে?
রাতের মধ্যে অভিযান চালানো হবে না—পুলিশ শিক্ষার্থীদের অভিযোগ নাকচ করেছে।
আরও পড়ুন: এই বিভাগের সর্বশেষ খবর
সূত্র: jagonews24.com









