GULF BANGLA বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ করুন +880 1755727432
Home / অর্থনীতি ও বাণিজ্য / দিনাজপুর বাঁশ শিল্পে বিসিক হস্তক্ষেপ জরুরি

দিনাজপুর বাঁশ শিল্পে বিসিক হস্তক্ষেপ জরুরি

দিনাজপুরে বাঁশ শিল্পের কারিগরদের কাজ ও পণ্য তৈরির দৃশ্য

দিনাজপুরে বাঁশভিত্তিক নানা পণ্য তৈরির ঐতিহ্য এখন টিকে থাকার লড়াইয়ে। এই শিল্পকে টেকসই করতে বিসিক কর্তৃপক্ষের কার্যকর হস্তক্ষেপ জরুরি বলে বিশেষ প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।

দিনাজপুরে বাঁশ শিল্পের টানাপোড়েন

দিনাজপুরে বাঁশ শিল্পের কারিগরদের কাজ ও পণ্য তৈরির দৃশ্য

বাঁশের প্রাপ্যতা, উৎপাদন খরচ, বাজারে টান টান চাহিদা—সব মিলিয়ে কারিগর ও ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের জন্য টিকে থাকা কঠিন হয়ে পড়েছে। দিন দিন এই শিল্পের গতি কমলে যেমন কাজ হারানোর শঙ্কা তৈরি হয়, তেমনি হারিয়ে যেতে থাকে লোকজ দক্ষতার ধারাও।

বিসিক হস্তক্ষেপ কেন দরকার

বাঁশ শিল্পকে টিকিয়ে রাখতে প্রয়োজন নিয়মিত পৃষ্ঠপোষকতা, পরিকল্পিত উদ্যোগ এবং সহজ যোগাযোগ সুবিধা। প্রতিবেদনের বক্তব্য অনুযায়ী, বিসিকের পক্ষ থেকে বাস্তবমুখী পদক্ষেপ নিলে উৎপাদনের ধারাবাহিকতা ধরে রাখা এবং বাজার-সংযোগ জোরদার করা সম্ভব হবে।

দক্ষতার পাশাপাশি বাজার নিশ্চিত করা

কারিগররা দক্ষ হলেও বাজারের অনিশ্চয়তা কাজকে ঝুঁকির মুখে ফেলে। তাই শিল্প টিকিয়ে রাখতে কেবল কাঁচামালের যোগান নয়, বিক্রি ও পরিবহন ব্যবস্থার বিষয়েও সমন্বয় দরকার। বিসিকের উদ্যোগে সমন্বিত পরিকল্পনা হলে ক্ষুদ্র উদ্যোক্তারাও তুলনামূলকভাবে আশ্বস্ত হতে পারেন।

প্রবাসী পরিবারের জন্যও বার্তা আছে

দিনাজপুরের মতো অঞ্চলে ছোট ছোট কর্মসংস্থান গড়ে ওঠে বাঁশ শিল্পকে কেন্দ্র করেই। প্রবাসে থাকা অনেক পরিবারই দেশে থাকা স্বজনদের আয়-রোজগারের খবর রাখেন। এই শিল্প টিকলে কর্মসংস্থানের ধারাও টিকে থাকার সম্ভাবনা বাড়ে।

এখন প্রশ্নটা একটাই—বাঁশ শিল্পের টানাপোড়েন কাটাতে বিসিক কত দ্রুত কার্যকর সহায়তায় এগিয়ে আসে।

দিনাজপুরে বাঁশ শিল্পকে টিকিয়ে রাখতে মূল দাবি কী? বিসিক কর্তৃপক্ষের কার্যকর হস্তক্ষেপকে জরুরি বলা হয়েছে।

কেন হস্তক্ষেপ দরকার? উৎপাদন ও বাজারে অনিশ্চয়তার মধ্যে শিল্প টেকসই রাখতে সমন্বয় দরকার।

প্রভাব কাদের ওপর পড়ে? কারিগর ও ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের ওপর সরাসরি চাপ পড়ে।

আরও পড়ুন: এই বিভাগের সর্বশেষ খবর

সূত্র: Bangladesh Sangbad Sangstha (BSS)

Social Icons