বাংলাদেশ-চীন অর্থনৈতিক সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় পৌঁছাতে পারস্পরিক সহযোগিতা আরও জোরদার হবে বলে জানিয়েছেন ভূমি প্রতিমন্ত্রী।
সহযোগিতা বাড়ানোর বার্তা ভূমি প্রতিমন্ত্রীর

প্রতিমন্ত্রী বলেন, দুই দেশের মধ্যকার সম্পর্ক কেবল কূটনৈতিক পর্যায়েই সীমাবদ্ধ থাকবে না। অর্থনৈতিক ক্ষেত্রেও তা বাস্তব ফল দিতে সক্ষম হবে। সেই লক্ষ্যেই সমন্বয় ও অংশীদারত্ব বাড়ানোর কথা উঠে আসে।
অর্থনৈতিক সম্পর্ককে নতুন গতি দেওয়ার প্রত্যাশা
তিনি জানান, বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে কাজের সুযোগ সম্প্রসারণের মাধ্যমে সম্পর্কের গুণগত মান বাড়ানো সম্ভব। দুই পক্ষের সক্ষমতা ও আগ্রহ মিলিয়ে যে উদ্যোগগুলো বাস্তবায়ন করা হবে, সেগুলোই সম্পর্কের গন্তব্য নির্ধারণ করবে।
দুই দেশের স্বার্থ মিলিয়ে অগ্রগতি
প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, পারস্পরিক স্বার্থকে সামনে রেখে সহযোগিতার পথ খোলা থাকলে অর্থনৈতিক সম্পর্ক স্থায়ীভাবে শক্তিশালী হবে। এ প্রক্রিয়ায় পরিকল্পিত উদ্যোগের গুরুত্বও তুলে ধরা হয়।
প্রবাসীদের জন্য এর অর্থ কী
বাংলাদেশ-চীন অর্থনৈতিক সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় গেলে নানা খাতে বিনিয়োগ ও বাণিজ্যের গতি বাড়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়। কাজের সুযোগ, পণ্য আমদানি-রপ্তানি এবং শিল্পায়নের ক্ষেত্রে ইতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে—এমন প্রত্যাশাই সাধারণভাবে থাকে।
প্রশ্ন: ভূমি প্রতিমন্ত্রী ঠিক কোন বিষয়টি জোর দিয়ে বলেছেন?
উত্তর: তিনি বাংলাদেশ-চীন অর্থনৈতিক সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় পৌঁছাতে পারস্পরিক সহযোগিতা জোরদার করার কথা বলেছেন।
প্রশ্ন: এই বক্তব্যের লক্ষ্য কী?
উত্তর: অর্থনৈতিক খাতে সম্পর্ককে বাস্তব সুবিধা ও অগ্রগতিতে রূপ দেওয়া।
প্রশ্ন: প্রক্রিয়ায় কী ভূমিকা থাকবে?
উত্তর: সমন্বয়, অংশীদারত্ব এবং পারস্পরিক স্বার্থ মিলিয়ে পরিকল্পিত উদ্যোগ।
আরও পড়ুন: এই বিভাগের সর্বশেষ খবর
সূত্র: বাসস (Bangladesh Sangbad Sangstha – BSS), সংবাদ সূত্র: news.google.com









