প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, শিশুরা নিজেদের গড়ে তুলতে পারলেই দেশও ঠিকভাবে গড়ে উঠবে। তার বক্তব্যে শিশুর বিকাশ ও শিক্ষার গুরুত্ব স্পষ্টভাবে উঠে এসেছে।
শিশুদের বিকাশই দেশের ভিত্তি

প্রধানমন্ত্রী মনে করেন, শৈশব থেকেই শিশুরা উপযুক্তভাবে বেড়ে উঠতে পারলে পরবর্তী সময়ে তারা দেশ গঠনে ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে। এই ধারাটাই দেশের ভবিষ্যৎকে শক্ত করে।
শিক্ষাকে কেন্দ্র করে প্রত্যাশা
শিশুদের নিজেদের গড়ে তোলার কথা বলতে গিয়ে তিনি মূলত শিক্ষা ও বিকাশকে প্রাধান্য দেওয়ার দিকেই ইঙ্গিত করেছেন। যে বয়সে শেখা, মানিয়ে নেওয়া ও দক্ষতা গঠনের সুযোগ থাকে, সেই সময়টাকেই কাজে লাগানোর আহ্বান হিসেবে দেখা যায়।
দেশ গড়ার লক্ষ্য সামনে রেখে এগোনো
প্রধানমন্ত্রীর এই বক্তব্যে একটি বার্তা আছে—শুধু নীতিনির্ধারণ বা পরিকল্পনা নয়, মানুষের সক্ষমতা গড়ে তোলাও সমান গুরুত্বপূর্ণ। শিশুদের সঠিক বিকাশের মধ্য দিয়েই দীর্ঘমেয়াদে দেশের অগ্রগতি টেকসই হতে পারে বলে তার বক্তব্যের ভাব।
প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্যও বিষয়টি বিশেষভাবে প্রাসঙ্গিক। কারণ পরিবারের সন্তানরা শিখছে কীভাবে, সেটিই ভবিষ্যৎ পথ তৈরি করে।
প্রশ্নোত্তর
প্রধানমন্ত্রী কী বলেছেন?
তিনি বলেছেন, শিশুরা নিজেদের গড়ে তুললে দেশ সঠিকভাবে গড়ে উঠবে।
এ কথার মূল অর্থ কী?
শিক্ষা ও বিকাশকে গুরুত্ব দিয়ে শৈশব থেকেই যোগ্য মানুষ গড়ে তোলার প্রয়োজনীয়তা বোঝানো হয়েছে।
দেশ গড়ার সঙ্গে শিশুদের সম্পর্ক কীভাবে?
শিশুদের যথাযথ বিকাশই ভবিষ্যৎ নাগরিকের ভূমিকা নির্ধারণ করে, ফলে দেশের ভিত্তি শক্ত হয়।
আরও পড়ুন: এই বিভাগের সর্বশেষ খবর









