খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা আর জলবায়ুর ধাক্কা সামলাতে সক্ষমতা গড়ে তোলা—দুটোকেই পাশাপাশি এগিয়ে নিতে হবে বলে মত দিয়েছেন শামা।
একসঙ্গে এগোতে হবে উৎপাদন ও অভিযোজন

শামার বক্তব্যে উঠে এসেছে, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব পড়ছে কৃষি ও খাদ্য উৎপাদনের ওপর। তাই শুধু উৎপাদন বাড়ানো নয়, আবহাওয়ার অনিশ্চয়তার সঙ্গে খাপ খাওয়াতে পারার সক্ষমতাও বাড়াতে হবে।
খাদ্য নিরাপত্তার লক্ষ্য জলবায়ু-বাস্তবতার সঙ্গে মিলিয়ে দেখা
খাদ্য নিরাপত্তা পরিকল্পনা করতে গেলে জলবায়ুর ঝুঁকি বিবেচনায় নেওয়ার তাগিদ দিয়েছেন তিনি। লক্ষ্য থাকা উচিত এমন ব্যবস্থা গড়া, যাতে প্রতিকূল আবহাওয়াতেও খাদ্য উৎপাদন টিকে থাকে এবং সরবরাহে চাপ কমে।
উদ্যোগের আহ্বান: নীতি থেকে বাস্তবায়ন
তিনি মনে করিয়ে দেন, নীতি ও উদ্যোগ বাস্তবায়নের ধারাবাহিকতা জরুরি। জলবায়ু-সহিষ্ণু পদ্ধতির দিকে অগ্রগতি না থাকলে খাদ্য নিরাপত্তার স্বপ্ন পূরণ করা কঠিন হয়ে পড়বে।
প্রবাসী পাঠকদের জন্য বার্তা
বাংলাদেশের কৃষি ও খাদ্য ব্যবস্থার স্থিতিশীলতা শুধু দেশের ভেতরের বিষয় নয়। প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্স-নির্ভর পরিবারগুলোর দৈনন্দিন ব্যয়েও খাদ্যের দামের প্রভাব পড়ে। তাই খাদ্য নিরাপত্তা ও জলবায়ু-সহিষ্ণুতা—একই লক্ষ্যে কাজ করার প্রয়োজন আরও বেশি।
প্রশ্ন–উত্তর
খাদ্য নিরাপত্তা ও জলবায়ু-সহিষ্ণুতা নিয়ে শামা কী বললেন?
দুটোকেই একসঙ্গে এগিয়ে নেওয়ার কথা বলেছেন শামা এবং অভিযোজন সক্ষমতা বাড়ানোর ওপর জোর দেন।
কেন অভিযোজন সক্ষমতার কথা বলা হচ্ছে?
কারণ জলবায়ুর পরিবর্তন কৃষি ও খাদ্য উৎপাদনে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।
এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে কী দরকার?
নীতি থেকে বাস্তবায়নের ধারাবাহিক উদ্যোগ ও পরিকল্পনার মিল থাকা জরুরি।
আরও পড়ুন: এই বিভাগের সর্বশেষ খবর
সূত্র: Bangladesh Sangbad Sangstha (BSS) via news.google.com









