GULF BANGLA বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ করুন +880 1755727432
Home / রাজনীতি / ইসি নিয়োগ বাতিল দাবি শামসুল আলম

ইসি নিয়োগ বাতিল দাবি শামসুল আলম

ইসি সচিবালয় ও সংবাদ সম্মেলন প্রসঙ্গকে কেন্দ্র করে প্রতীকী ছবি

ইসি সচিবালয়ে শামসুল আলমকে অতিরিক্ত সচিব পদে নিয়োগ দেওয়ার বিষয়টি নিয়ে প্রকাশ্য উদ্বেগ জানিয়েছে জামায়াতে ইসলামী। দলটির দাবি, নিয়োগে দলীয়করণ হচ্ছে—আর সেটি নির্বাচন কমিশনের মতো সংবেদনশীল সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠার নিরপেক্ষতা প্রশ্নের মুখে ফেলে।

শামসুল আলমের নিয়োগ বাতিলের দাবি

ইসি সচিবালয় ও সংবাদ সম্মেলন প্রসঙ্গকে কেন্দ্র করে প্রতীকী ছবি

মঙ্গলবার রাজধানীতে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পারওয়ার বলেন, নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে এক বছরের চুক্তিতে অতিরিক্ত সচিব পদে শামসুল আলমকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। জামায়াতের মতে, অবসরের পর তিনি বিএনপির সংসদীয় আসন পুনর্বিন্যাস-সংক্রান্ত কমিটির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। তাই রাজনৈতিকভাবে সম্পৃক্ত একজন ব্যক্তিকে ইসির মতো প্রতিষ্ঠানে বসালে কমিশনের নিরপেক্ষতা নিয়ে জনমনে সংশয় তৈরি হবে।

স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে শঙ্কা

জামায়াতের ভাষ্য, সামনে স্থানীয় সরকার নির্বাচন আছে। নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে অতিরিক্ত সচিবের গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক ভূমিকা থাকে। ফলে রাজনৈতিকভাবে সম্পৃক্ত কাউকে ওই পদে রাখলে নির্বাচন সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য হবে কি না—এ প্রশ্ন সামনে চলে আসবে। এ জন্য জামায়াত অবিলম্বে ওই নিয়োগ বাতিলের দাবি জানায়।

নিয়োগে দলীয়করণের অভিযোগ

সংবাদ সম্মেলনে মিয়া গোলাম পারওয়ার আরও বলেন, নির্বাচনের পর বিভিন্ন সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে দলীয় পরিচয়ের ব্যক্তিদের নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। তিনি কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের উদাহরণ তুলে ধরে অভিযোগ করেন, বিডা, মহেশখালী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ, এনজিওবিষয়ক ব্যুরোসহ বিভিন্ন জায়গায় বিএনপির সঙ্গে সম্পৃক্ত ব্যক্তিদের নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

নির্বাচনি অঙ্গীকার ভঙ্গের প্রসঙ্গ

জামায়াত নেতা বলেন, নির্বাচনের পর ক্ষমতাসীন দল তাদের নির্বাচনি অঙ্গীকার থেকে সরে গেছে। বিশেষ করে সংবিধান সংস্কার, গণভোটের রায় বাস্তবায়ন এবং রাষ্ট্র পরিচালনায় রাজনৈতিক নিরপেক্ষতার প্রতিশ্রুতি রক্ষা করা হয়নি বলে তাদের অভিযোগ। দলটির মতে, স্বচ্ছতা, জবাবদিহি ও বিশ্বাসযোগ্যতা নিশ্চিত করার যে কথা ছিল, বাস্তবে তার বিপরীত চিত্র দেখা যাচ্ছে।

শেষ প্রশ্ন

জামায়াত কী চায়? ইসিতে শামসুল আলমের নিয়োগ বাতিল করতে চায় তারা।

কেন বাতিল চাইছে? নিরপেক্ষতা প্রশ্নের আশঙ্কা এবং দলীয়করণের অভিযোগ তুলে।

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কী প্রভাব পড়তে পারে—দলটির ভাষ্য? নির্বাচন প্রক্রিয়া নিয়ে জনমনে সংশয় তৈরি হতে পারে।

আরও পড়ুন: এই বিভাগের সর্বশেষ খবর

সূত্র: jagonews24.com

Social Icons