বাংলাদেশে অনলাইন খাবার সরবরাহ ও ডেলিভারি বাজারের আলোচিত ব্র্যান্ড ফুডপান্ডার আর্থিক চিত্রে চাপের খবর মিলল। এক দশকের হিসাব অনুযায়ী দেশটির কার্যক্রমে লোকসানের অঙ্ক দাঁড়িয়েছে ১১১ মিলিয়ন ইউরো।
এক দশকে লোকসান ১১১ মিলিয়ন ইউরো

দীর্ঘ সময় ধরে পরিচালনার পরও বাংলাদেশে ফুডপান্ডার ব্যবসায় মোট লোকসানের পরিমাণ ১১১ মিলিয়ন ইউরো বলে উল্লেখ আছে। বাজারে গ্রাহক তৈরি ও লেনদেন বাড়ানোর প্রচেষ্টা থাকলেও ব্যয়ের চাপ যে কমেনি, এই সংখ্যাই ইঙ্গিত দেয়।
ডেলিভারি ব্যবসায় খরচ ও প্রতিযোগিতা
ফুড ডেলিভারি প্ল্যাটফর্মের ক্ষেত্রে সাধারণত থাকে একাধিক ব্যয়—কাস্টমার আর্কষণ, ড্রাইভার বা কুরিয়ার ব্যবস্থাপনা, প্যাকেজিং, প্ল্যাটফর্ম পরিচালনা এবং লজিস্টিকসের মতো খরচ। এর সঙ্গে প্রতিযোগিতামূলক বাজারে মার্কেটিং ও ডিসকাউন্টের চাপও থাকে। ফলে দাম, ডেলিভারি চার্জ এবং সেবার কার্যকারিতা ঠিকমতো দাঁড়াতে না পারলে লোকসান দীর্ঘ হতে পারে।
প্রবাসী ও ভোক্তাদের জন্য প্রভাব
বাংলাদেশে যারা অনলাইনে খাবার অর্ডার করেন, তাদের কাছে এই ধরনের লোকসান মানে পরিষেবা পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যাচ্ছে এমন নয়। তবে দীর্ঘমেয়াদে মুনাফার পথ খোঁজা না গেলে প্ল্যাটফর্মগুলো চার্জ কাঠামো, সাবস্ক্রিপশন সুবিধা, প্রচার বা অংশীদারি মডেল বদলাতে পারে—এটাই বড় প্রভাব হতে পারে।
টেকসই ব্যবসার প্রশ্ন
এক দশকের লোকসানের এমন বড় অঙ্ক ব্যবসার টেকসইতা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তোলে। বাজারে টিকে থাকতে হলে কেবল অর্ডার সংখ্যাই নয়, ইউনিট ইকোনমিকস—অর্থাৎ প্রতি অর্ডারে লাভ/ক্ষতির ভারসাম্য—ভালো জায়গায় আনা জরুরি।
কিছু দ্রুত প্রশ্ন
এটা কি ফুডপান্ডা বন্ধ হয়ে যাওয়ার ইঙ্গিত?
অর্থনৈতিক লোকসান থাকলেও তাৎক্ষণিক বন্ধের বিষয় বলা যাচ্ছে না। তবে ভবিষ্যৎ কৌশলে পরিবর্তনের চাপ তৈরি হতে পারে।
ভোক্তা পর্যায়ে কী পরিবর্তন আসতে পারে?
চার্জ, প্রচার বা ডেলিভারি সুবিধার কাঠামো বদলানোর সম্ভাবনা থাকে।
কেন লোকসান দীর্ঘ হলো?
খরচের আধিক্য, প্রতিযোগিতা এবং পর্যাপ্ত মুনাফার ভারসাম্য না হওয়া—এই ধরনের কারণ সাধারণত ভূমিকা রাখে।
আরও পড়ুন: এই বিভাগের সর্বশেষ খবর
সূত্র: news.google.com









