GULF BANGLA বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ করুন +880 1755727432
Home / অর্থনীতি ও বাণিজ্য / রিহ্যাব এজিএমসহ সব বিরোধপূর্ণ কার্যক্রম বন্ধ নির্দেশ

রিহ্যাব এজিএমসহ সব বিরোধপূর্ণ কার্যক্রম বন্ধ নির্দেশ

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে শুনানি উপলক্ষে রিহ্যাবের এজিএমসহ কার্যক্রম স্থগিতের নির্দেশ

রিহ্যাবের এজিএমসহ সব বিরোধপূর্ণ কার্যক্রম পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বন্ধ রাখতে বলেছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। একই সঙ্গে ৩০ জুলাই শুনানিতে সভাপতিকে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ উপস্থিত থাকার নির্দেশও এসেছে।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের নির্দেশ—এজিএম স্থগিত

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে শুনানি উপলক্ষে রিহ্যাবের এজিএমসহ কার্যক্রম স্থগিতের নির্দেশ

মঙ্গলবার বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের বাণিজ্য সংগঠন-২ অনুবিভাগের সিনিয়র সহকারী সচিব (অতিরিক্ত দায়িত্ব) আশরাফুল সিদ্দিক স্বাক্ষরিত একটি নোটিশে এ নির্দেশ জানানো হয়। এতে বলা হয়, রিহ্যাবের বিভিন্ন অনিয়ম ও সিদ্ধান্ত নিয়ে গঠিত মোট ১২টি অভিযোগ নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত বিরোধীয় বিষয়গুলোর কার্যক্রম স্থগিত থাকবে।

৩০ জুলাই বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে শুনানি

নোটিশ অনুযায়ী, অভিযোগগুলো নিয়ে শুনানি হবে ৩০ জুলাই দুপুর ১২টায়। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালকের (বাণিজ্য সংগঠন) সভাপতিত্বে তার কার্যালয়ের অফিসকক্ষে এই শুনানি অনুষ্ঠিত হবে। সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে প্রয়োজনীয় তথ্যাদি ও কাগজপত্রসহ যথাসময়ে উপস্থিত থাকতে অনুরোধ করা হয়েছে।

যে ১২ অভিযোগকে কেন্দ্র করে স্থগিতাদেশ

রিহ্যাবের বিরুদ্ধে আনা ১২টি অভিযোগের মধ্যে রয়েছে বোর্ডের অনুমোদন ছাড়া রিহ্যাব তহবিল থেকে অর্থ ব্যয়, কমিটি গঠন ও এজিএমের স্থান-তারিখ নির্ধারণ-সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত, কার্যালয়ে নিয়োগ ও চাকরিচ্যুতকরণ, গোপনীয় তথ্য প্রকাশ, এবং সামার ফেয়ার আয়োজন। এছাড়া ক্রয়সংক্রান্ত কমিটি বিলুপ্ত করা, সরকারি পর্যায়ে বৈঠক ও প্রতিনিধিত্বকরণ, পরিচালকদের সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও সভা-সংক্রান্ত প্রক্রিয়া, সদস্যপদ ডেভেলপমেন্ট কমিটিতে পরিচালকদের অন্তর্ভুক্ত না করা—এ ধরনের আরও অভিযোগও আছে।

উভয় পক্ষের বক্তব্য—আনুষ্ঠানিক চিঠি না পাওয়ার দাবি

অভিযোগ দায়েরকারী পক্ষের একজন প্রতিনিধি জানান, তিনি বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে অভিযোগ দিয়েছেন। তবে তিনি এখনো আনুষ্ঠানিক চিঠি পাননি—এ কারণে মন্তব্য করতে রাজি হননি। একইভাবে রিহ্যাব সভাপতির পক্ষ থেকেও বলা হয়েছে, তারা এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো চিঠি পাননি; বিষয়টি অনানুষ্ঠানিকভাবে জানতে পেরেছেন।

রিহ্যাব সভাপতির পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, ১২টি কার্যক্রমের প্রতিটি সিদ্ধান্ত পরিচালনা পর্ষদের অনুমোদনক্রমে নেওয়া হয়েছে এবং এতে অনিয়ম বা অবৈধতার সুযোগ নেই। তাদের ভাষ্য, গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় নির্বাচিত হয়ে অল্প সময়ের মধ্যে কাজের গতি বাড়ানোর প্রেক্ষিতে পদক্ষেপটি কার্যক্রমে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি ও কাজ থামানোর প্রচেষ্টা হিসেবে দেখা হচ্ছে।

প্রবাসী পাঠকদের জন্য কেন গুরুত্বপূর্ণ

রিহ্যাবের মতো সংগঠনের এজিএম ও কার্যক্রম স্থগিত হলে হাউজিং ও রিয়েল এস্টেট সংশ্লিষ্ট নীতিনির্ধারণ, আলোচনা এবং শিল্পের নেতৃত্বের ধারাবাহিকতায় প্রভাব পড়তে পারে। প্রবাসীদের আবাসন-সংক্রান্ত বিনিয়োগ পরিকল্পনাতেও এটি পরোক্ষভাবে গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে।

যা হবে পরবর্তী ধাপে

৩০ জুলাইয়ের শুনানিতেই মূলত অভিযোগগুলোর দিক পরিষ্কার হবে। অভিযোগ নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত বিরোধীয় কার্যক্রম বন্ধ থাকায়—এ সময়ে রিহ্যাবের এজিএমসহ নির্দিষ্ট সিদ্ধান্তগুলো আটকে থাকবে বলে নোটিশে উল্লেখ আছে।

প্রশ্নোত্তর

রিহ্যাব এজিএমসহ কোন কার্যক্রম স্থগিত করা হয়েছে?
নোটিশে বলা হয়েছে, বিরোধীয় বিষয়গুলোর কার্যক্রম অভিযোগ নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত বন্ধ থাকবে।

শুনানি কবে?
৩০ জুলাই দুপুর ১২টায় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে শুনানি হবে।

কাদের উপস্থিত থাকতে বলা হয়েছে?
সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে তথ্যাদি ও কাগজপত্রসহ যথাসময়ে উপস্থিত থাকতে অনুরোধ করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: এই বিভাগের সর্বশেষ খবর

সূত্র: jagonews24.com

Social Icons