GULF BANGLA বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ করুন +880 1755727432
Home / বিশেষ খবর / গ্রামীণফোনের ডিজিটাল ইনক্লুশন ৪০ লাখ লক্ষ্য

গ্রামীণফোনের ডিজিটাল ইনক্লুশন ৪০ লাখ লক্ষ্য

প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জন্য ডিজিটাল দক্ষতা উন্নয়ন কর্মসূচির অংশ হিসেবে প্রশিক্ষণ

প্রান্তিক মানুষের হাতে ডিজিটাল দক্ষতা তুলে দিতে আড়াই বছরে ৪০ লাখ মানুষকে স্বাবলম্বী করতে চায় গ্রামীণফোন। ‘ডিজিটাল ইনক্লুশন ফর মার্জিনালাইজড কমিউনিটিস’ কর্মসূচির দ্বিতীয় পর্যায় শুরু হয়েছে, যেখানে লক্ষ্যটা কেবল সংযোগ নয়—নিরাপদভাবে প্রযুক্তি ব্যবহার আর আয়-সুযোগে অংশ নেওয়া।

আড়াই বছরে ৪০ লাখের লক্ষ্য

প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জন্য ডিজিটাল দক্ষতা উন্নয়ন কর্মসূচির অংশ হিসেবে প্রশিক্ষণ

প্ল্যান ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ ও টেলিনরের সহযোগিতায় পরিচালিত উদ্যোগটির মাধ্যমে ২০২৮ সালের মধ্যে দেশের আটটি সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর কাছে পৌঁছানোর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। প্রথম পর্যায়ের ধারাবাহিক সাফল্যের ভিত্তিতে এই লক্ষ্য স্থির করা হয়।

দ্বিতীয় পর্যায়ের উদ্বোধন

বৃহস্পতিবার রাজধানীর এক অনুষ্ঠানে দ্বিতীয় পর্যায়ের উদ্বোধন হয়। এ সময় ডিজিটাল অন্তর্ভুক্তি, প্রান্তিক মানুষের দক্ষতা অর্জন এবং সরকারি সেবায় অংশ নেওয়ার মতো বিষয়গুলো গুরুত্ব পায়। অনুষ্ঠানে মন্ত্রী, বিটিআরসি এবং সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

৩২ জেলায় ৩৩ লাখের বেশি মানুষের কাছে

কর্মসূচির আওতায় এখন পর্যন্ত দেশের ৩২ জেলায় ৩৩ লাখের বেশি মানুষের কাছে ডিজিটাল দক্ষতা উন্নয়ন কার্যক্রম পৌঁছেছে। এর মধ্যে প্রায় ৬৮ শতাংশই নারী ও কিশোরী। প্রথম পর্যায়ে শিক্ষায় ইন্টারনেট ব্যবহার, অনলাইন সরকারি সেবা গ্রহণ, মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস এবং ডিজিটাল জন্মনিবন্ধন—এসব ক্ষেত্রে অগ্রগতির কথা বলা হয়। পাশাপাশি ডিজিটাল মাধ্যমে আয় বৃদ্ধিতেও জোর দেওয়া হয়েছে।

নারীর অংশগ্রহণ বাড়ানোর পরিকল্পনা

পরবর্তী ধাপে সুবিধাভোগীদের ৭০ শতাংশ নারী রাখার পরিকল্পনা রয়েছে। উদ্যোগটির মূল ভাবনা হলো—প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে প্রয়োজনীয় দক্ষতায় সক্ষম করা গেলে তারা সরকারি সেবা এবং ডিজিটাল অর্থনীতিতে আরও কার্যকরভাবে অংশ নিতে পারবে। এ জন্য অর্থবহ কানেক্টিভিটির পাশাপাশি ডিজিটাল সাক্ষরতা এবং প্রযুক্তির নিরাপদ ব্যবহারকেও সমান গুরুত্ব দেওয়ার কথা বলা হয়।

প্রবাসীদের জন্য কেন গুরুত্বপূর্ণ

বাংলাদেশের বাইরে থাকা পরিবারগুলোর বাস্তবতাতেও ডিজিটাল দক্ষতা ব্যাপক প্রভাব ফেলে। শিক্ষায় ইন্টারনেটের ব্যবহার, অনলাইন সেবা আর নিরাপদ মোবাইল ফিন্যান্সের অভ্যাস গড়ে উঠলে ঘরে বসে সেবাগুলো সহজ হয়—আর নতুন আয়ের পথও তৈরি হয়।

প্রশ্ন ও উত্তর

কর্মসূচির মূল লক্ষ্য কী?
প্রান্তিক মানুষের ডিজিটাল দক্ষতা বাড়িয়ে শিক্ষা, সরকারি সেবা এবং জীবিকার সুযোগে তাদের অংশ নিতে সহায়তা করা।

এ পর্যন্ত কত জেলায় কাজ হয়েছে?
৩২ জেলায় ৩৩ লাখের বেশি মানুষের কাছে ডিজিটাল দক্ষতা উন্নয়ন কার্যক্রম পৌঁছেছে।

২০২৮ সালের মধ্যে লক্ষ্য কত?
আটটি সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর কাছে পৌঁছে মোট ৪০ লাখ মানুষের জন্য পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন: এই বিভাগের সর্বশেষ খবর

সূত্র: Jagonews24.com

Social Icons