GULF BANGLA বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ করুন +880 1755727432
Home / রাজনীতি / সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তায় দলগুলোর দায়িত্ব

সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তায় দলগুলোর দায়িত্ব

আলোচনা সভায় রাজনৈতিক বক্তব্য ও সম্প্রীতির বার্তা

রাজনৈতিক দলগুলো যদি সংখ্যালঘুদের নিয়ে কৌশল করে, তাহলে সেই দলের করা অপরাধ-অপকর্মের দায় চাপ পড়ে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ঘাড়ে—এমন সতর্কবার্তা দিয়েছেন বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ মো. নাহিদ ইসলাম। তাঁর মতে, সংখ্যালঘুদের নিরাপদ বোধ নিশ্চিত করাই এখন রাজনৈতিক দায়িত্ব।

‘এক দলের পকেটে গেলে দায়ও অন্যজনই নেয়’

আলোচনা সভায় রাজনৈতিক বক্তব্য ও সম্প্রীতির বার্তা

রাজধানীর ডিআরইউ মিলনায়তনে এক আলোচনা সভায় নাহিদ ইসলাম বলেন, সংখ্যালঘুদের একটি দলের পকেটে যাওয়া অনুচিত। একটি দলের পকেটে গেলে সেই দলের সব অপরাধ ও অপকর্মের দায় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়কে নিতে হয়—যা কাম্য নয়।

দলগুলোর লক্ষ্য হওয়া উচিত সম্পর্ক উন্নয়ন

তিনি রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি আহ্বান জানান, সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়ন করতে হবে। উদ্দেশ্য একটাই—যাতে সংখ্যালঘুরা অনিরাপদ বোধ না করে। রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতির পাশাপাশি দৈনন্দিন আচরণ ও নীতিতেই এই নিরাপত্তা প্রতিফলিত হওয়া দরকার বলে ইঙ্গিত দেন তিনি।

সম্প্রীতি ধরে রাখতে বিচার ও গণতন্ত্র জরুরি

আলোচনায় নাহিদ ইসলাম বলেন, গণতন্ত্র শক্তিশালী হলে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নিশ্চিত হয়। আবার বিচারব্যবস্থা স্বাধীন ও নিরপেক্ষ হলে সব সম্প্রদায়ই সুফল পাবে। সরকারের কাছে তাঁর আহ্বান ছিল—হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের দাবিগুলো গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা এবং সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে হামলা-নির্যাতনের বিচার করা।

ভয়ের পরিবেশ ঠেকাতে ঐক্য দরকার

তিনি বলেন, দমন-পীড়নের পুরোনো সংস্কৃতি আবার দেখা যাচ্ছে, আর দেশের বর্তমান পরিস্থিতিতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকা উচিত ছিল। জুলাই গণঅভ্যুত্থানে যে সম্প্রীতির শিক্ষা দেখা গেছে, সেটি ধরে রেখে সংশ্লিষ্ট সংস্কার ও বিচারের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের ওপর জোর দেন তিনি।

এটা প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য কেন গুরুত্বপূর্ণ

দলীয় রাজনীতিতে সংখ্যালঘুরা নিরাপদ থাকলে দেশে সামাজিক স্থিতি বাড়ে। আর সামাজিক স্থিতি থাকলে কমে অনিশ্চয়তা—প্রবাসেও যার প্রভাব পড়ে: পরিবার-পরিজনের নিরাপত্তা, সহিংসতা-সংক্রান্ত ভয়, এবং ভবিষ্যৎ নিয়ে আস্থা।

সভায় সভাপতিত্ব করেন এনসিপির যুগ্ম সদস্যসচিব প্রীতম দাশ।


প্রশ্নোত্তর

১) নাহিদ ইসলাম মূলত কী সতর্কবার্তা দিয়েছেন?
কোনো দলের পকেটে গেলে সেই দলের অপরাধ-অপকর্মের দায় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়কে নিতে হয়—এই কথাই তিনি জোর দিয়ে বলেছেন।

২) তাঁর মতে দলগুলোর করণীয় কী?
সংখ্যালঘুদের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়ন করে তাদের অনিরাপদ বোধ দূর করা।

৩) সম্প্রীতি ধরে রাখতে কী দরকার?
শক্তিশালী গণতন্ত্র এবং স্বাধীন-নিরপেক্ষ বিচারব্যবস্থা—এ দুটির ওপর তিনি জোর দেন।

আরও পড়ুন: এই বিভাগের সর্বশেষ খবর

সূত্র: jagonews24.com

Social Icons