যুক্তরাষ্ট্রে চিকিৎসা নিতে ইচ্ছুক বাংলাদেশি ভিসা আবেদনকারীদের জন্য ঢাকাস্থ মার্কিন দূতাবাস নতুন নির্দেশনা দিয়েছে। ঢাকাস্থ দূতাবাসের ভেরিফায়েড বার্তায় জানানো হয়, বি-২ ভিসা আবেদন প্রক্রিয়ায় চিকিৎসা-সংক্রান্ত নথি ও খরচ বহনের সক্ষমতার প্রমাণ আগের চেয়ে বেশি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হবে।
ভিসা আবেদন নির্দেশনা: খরচ বহনের প্রমাণ বাধ্যতামূলক

দূতাবাসের নির্দেশনায় বলা হয়েছে, বি-২ (চিকিৎসার উদ্দেশ্যে) আবেদনকারীদের চিকিৎসা খরচ, যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়া-আসার খরচ এবং যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানকালীন থাকার ব্যয়সহ সব ব্যয় বহনের আর্থিক সক্ষমতার প্রমাণ দিতে হবে। অর্থাৎ আবেদনকারী কীভাবে ব্যয়ভার সামলাবেন—তার স্পষ্ট ভিত্তি থাকতেই হবে।
প্রতিটি আবেদন আলাদাভাবে যাচাই করবেন কনস্যুলার কর্মকর্তারা
দূতাবাস জানায়, কনস্যুলার কর্মকর্তারা প্রতিটি আবেদন আলাদাভাবে মূল্যায়ন করবেন। উদ্দেশ্য, আবেদনকারীর পরিকল্পিত চিকিৎসা বা অবস্থানের কারণে যুক্তরাষ্ট্রের করদাতাদের ওপর যেন কোনো আর্থিক চাপ তৈরি না হয়।
চিকিৎসকের ব্যবস্থাপত্র ও কেন চিকিৎসা দরকার—দুটিই চাই
চিকিৎসা ভিসার আবেদনের ক্ষেত্রে আবেদনকারীদের নিজ দেশের চিকিৎসকের ব্যবস্থাপত্র জমা দিতে হবে। পাশাপাশি কেন যুক্তরাষ্ট্রে চিকিৎসা নেওয়া প্রয়োজন—এ বিষয়টি আবেদনেই স্পষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে।
একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের কোনো চিকিৎসক বা হাসপাতালের সম্মতিপত্রও প্রযোজ্য। সেখানে চিকিৎসার সম্ভাব্য সময়কাল এবং আনুমানিক ব্যয়ের একটি বিবরণ উল্লেখ থাকতে হবে।
কেবল চিকিৎসা খরচ নয়, যাতায়াত ও থাকার খরচও দেখাতে হবে
দূতাবাসের নির্দেশনায় জোর দিয়ে বলা হয়, আবেদনকারীদের চিকিৎসা ব্যয় ছাড়াও যাতায়াত ব্যয় এবং যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানকালীন বসবাসের খরচ বহনের পর্যাপ্ত আর্থিক সক্ষমতার প্রমাণও দাখিল করতে হবে। ফলে শুধু চিকিৎসার কাগজপত্র দিলেই চলবে না; পুরো পরিকল্পিত সফরের আর্থিক চিত্রও দেখাতে হবে।
যাদের বি-২ ভিসায় চিকিৎসা নেওয়ার পরিকল্পনা আছে, তাদের জন্য এই নির্দেশনা আগেই নথি গুছিয়ে নেওয়ার সুযোগ তৈরি করে। ব্যবস্থাপত্র, যুক্তরাষ্ট্রের চিকিৎসকের সম্মতি, সময়কাল-ব্যয়ের বিবরণ—সব মিলিয়ে আবেদনটি আগে থেকেই প্রস্তুত রাখা জরুরি।
দ্রুত জানতে চাইলে
১) বি-২ চিকিৎসা ভিসায় মূল নথি কী? নিজ দেশের চিকিৎসকের ব্যবস্থাপত্র, কেন যুক্তরাষ্ট্রে চিকিৎসা দরকার—এ স্পষ্ট ব্যাখ্যা, এবং যুক্তরাষ্ট্রের চিকিৎসক বা হাসপাতালের সম্মতিপত্র।
২) আর্থিক সক্ষমতার প্রমাণে কী অন্তর্ভুক্ত? চিকিৎসা খরচ, যাতায়াত খরচ এবং যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানকালীন বসবাসের খরচসহ সব ব্যয় বহনের সামর্থ্যের প্রমাণ।
৩) কনস্যুলার কর্মকর্তারা কীভাবে সিদ্ধান্ত নেন? প্রতিটি আবেদন আলাদাভাবে মূল্যায়ন করে দেখা হয়, করদাতাদের ওপর কোনো আর্থিক চাপ তৈরি হবে কি না।
আরও পড়ুন: এই বিভাগের সর্বশেষ খবর
সূত্র: jugantor.com









