বাংলাদেশের পোশাক খাতের দক্ষ জনশক্তি গড়তে উদ্যোগ নিয়েছে BGMEA। তাদের ASSET কর্মসূচির আওতায় ৪,৬০০-এর বেশি শ্রমিককে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে।
পোশাক খাতে দক্ষতা জোরদার করতে প্রশিক্ষণ

কর্মসূচির মূল লক্ষ্য হলো রেডি গার্মেন্টস শিল্পের কাজে প্রয়োজনীয় দক্ষতা বাড়ানো। প্রশিক্ষণের মাধ্যমে উৎপাদনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কাজগুলোতে সক্ষমতা বৃদ্ধি করা হয়, যাতে কর্মীরা নতুন দক্ষতা প্রয়োগ করতে পারেন।
শ্রমবাজার ও উৎপাদন সক্ষমতায় প্রভাব
দক্ষতা বাড়লে কারখানার কাজের গতি, মান এবং উৎপাদনশীলতা—সব দিকেই ইতিবাচক প্রভাব পড়ার সুযোগ তৈরি হয়। ফলে প্রশিক্ষণ শুধু ব্যক্তির যোগ্যতা বাড়ায় না, সামগ্রিকভাবে খাতের প্রতিযোগিতা সক্ষমতাতেও অবদান রাখতে পারে।
প্রবাসী শ্রমিকদের জন্যও বার্তা আছে
বাংলাদেশের গার্মেন্টস খাতে দক্ষ জনশক্তি তৈরি করা হলে কর্মসংস্থান ও ক্যারিয়ার সুযোগ প্রসারিত হয়—এমনটাই প্রত্যাশা সংশ্লিষ্টদের। প্রবাসী বাংলাদেশিদের কাছেও এটা গুরুত্বপূর্ণ, কারণ দক্ষতা মানে নতুন করে কাজের সুযোগ ও দীর্ঘমেয়াদি স্থিতির ভিত্তি।
দক্ষতা কর্মসূচি অব্যাহত রাখার আহ্বান
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শিল্পের চাহিদার সঙ্গে মিল রেখে এ ধরনের প্রশিক্ষণ নিয়মিত হলে দক্ষতার ঘাটতি কমে আসে। নতুন প্রযুক্তি, মানদণ্ড এবং কাজের ধরন বদলাতে থাকায় ধারাবাহিক আপস্কিলিং আরও জরুরি হয়ে পড়ে।
প্রশ্ন উঠেছে, দক্ষতা উন্নয়ন কর্মসূচি কীভাবে আরও টেকসই করা যায়—আর কারখানাভিত্তিক প্রশিক্ষণ কতটা কার্যকর হবে। প্রবাসী বাংলাদেশি শ্রমিকদের পরিবারগুলোও চাইছে তাদের সদস্যদের ক্যারিয়ার যেন আরও মজবুত হয়।
কাদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে? ASSET কর্মসূচির আওতায় ৪,৬০০-এর বেশি কর্মীকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে।
কেন এই প্রশিক্ষণ? RMG খাতের দক্ষতা বাড়িয়ে উৎপাদন ও কর্মক্ষমতা উন্নয়নের জন্য।
এটা প্রভাব ফেলতে পারে কীভাবে? দক্ষতা বৃদ্ধি হলে কর্মসংস্থান ও শিল্পের সক্ষমতা বাড়তে পারে।
আরও পড়ুন: এই বিভাগের সর্বশেষ খবর
সূত্র: bssnews.net









