GULF BANGLA বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ করুন +880 1755727432
Home / শিক্ষা ও ক্যারিয়ার / শিক্ষা / জাতীয় গবেষণা প্রতিযোগিতায় বাকৃবি চ্যাম্পিয়ন

জাতীয় গবেষণা প্রতিযোগিতায় বাকৃবি চ্যাম্পিয়ন

জাতীয় গবেষণা প্রতিযোগিতা চ্যাম্পিয়ন বাকৃবির গবেষণা উপস্থাপনা

জাতীয় গবেষণা প্রতিযোগিতায় সেরা হয়েছে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) একটি দল। বিইউপির জাতীয় পর্যায়ের চূড়ান্ত পর্বে ‘এ’ ক্যাটাগরিতে শীর্ষস্থান দখল করে তারা প্রমাণ করেছে, কৃষি গবেষণার নতুন ধারার কাজেও বাংলাদেশ এগিয়ে আছে।

বিইউপির বিজয় অডিটোরিয়ামে চূড়ান্ত পর্ব

জাতীয় গবেষণা প্রতিযোগিতা চ্যাম্পিয়ন বাকৃবির গবেষণা উপস্থাপনা

রোববার (১৬ আগস্ট) ঢাকার বিইউপির বিজয় অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত হয় প্রতিযোগিতার চূড়ান্ত পর্ব। বিইউপি রিসার্চ সোসাইটির আয়োজনে জাতীয় পর্যায়ের এই প্রতিযোগিতায় দেশের বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও গবেষকরা অংশ নেন।

বাকৃবির দল ‘এ’ ক্যাটাগরিতে সেরা

আয়োজকদের তথ্য অনুযায়ী, এবারের প্রতিযোগিতায় প্রায় ৫০টি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মোট ২৫০টি গবেষণার অ্যাবস্ট্রাক্ট জমা পড়ে। প্রাথমিক যাচাই-বাছাই শেষে ৩২টি গবেষণা চূড়ান্ত উপস্থাপনার জন্য নির্বাচিত হয়।

চূড়ান্ত পর্বে নির্বাচিত দলগুলোর সদস্যরা বিচারকমণ্ডলীর সামনে গবেষণার ফলাফল উপস্থাপন করেন। গবেষণার বৈজ্ঞানিক গুরুত্ব, বিষয়বস্তুর প্রাসঙ্গিকতা, উপস্থাপনার মান এবং সামগ্রিক মূল্যায়নের ভিত্তিতে বাকৃবির দল ‘এ’ ক্যাটাগরিতে সেরা নির্বাচিত হয়।

ধানচারা ও লবণজনিত চাপ কমানোর গবেষণা

প্রতিযোগিতায় দুটি সেগমেন্ট ছিল—রিসার্চ প্রজেক্ট পেপার ও ক্রিটিক্যাল অ্যাসে রাইটিং। বাকৃবির দল অংশ নেয় রিসার্চ প্রজেক্ট পেপার সেগমেন্টের ‘রিসার্চ ইন সায়েন্স, ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজি’ ক্যাটাগরিতে।

চূড়ান্ত পর্বে দলটি ‘অ্যাক্টিভেশন অফ অটোফ্যাগি মিটিগেটেড দ্য সল্ট স্ট্রেস সেনসিটিভিটি ইন রাইস সিডলিংস’ শীর্ষক গবেষণার ফলাফল উপস্থাপন করে। গবেষণাটিতে দেখা হয়, ধানের চারা লবণাক্ততার মতো প্রতিকূল পরিবেশে কীভাবে প্রতিক্রিয়া দেখায় এবং অটোফ্যাগি সক্রিয়করণের মাধ্যমে সেই লবণজনিত চাপের সংবেদনশীলতা কমানো সম্ভব কি না।

বাউরেস অর্থায়নের প্রকল্পে যুক্ত শিক্ষার্থীরা

গবেষণাটি বাকৃবি রিসার্চ সিস্টেমের (বাউরেস) অর্থায়নে ‘ইফেক্টস অফ অটোফ্যাগি অ্যাক্টিভেটর অ্যান্ড ইনহিবিটর অন সল্ট স্ট্রেস সেনসিটিভিটি ইন রাইস সিডলিংস’ প্রকল্পের ফলাফলের ওপর ভিত্তি করে সম্পন্ন হয়। প্রকল্পটির প্রধান গবেষক ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণরসায়ন ও অণুপ্রাণ বিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক। প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া তিন শিক্ষার্থী ওই প্রকল্পে গবেষণা সহকারী হিসেবে যুক্ত ছিলেন।

বিজয়ের অনুভূতি শিক্ষার্থীদের

বিজয়ী দলের সদস্য নাশমিন ফেরদাউস বলেন, গবেষণার প্রতি আগ্রহ থেকেই তারা স্নাতক পর্যায়েই প্রকল্পে যুক্ত হওয়ার সুযোগ পান। তিনি জানান, প্রস্তুতি থেকে চূড়ান্ত উপস্থাপনা পর্যন্ত শিক্ষক ও গবেষণা দলের সদস্যরা প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা ও সহযোগিতা দিয়েছেন।

প্রবাসে থাকা শিক্ষার্থী, গবেষক ও পরিবার-পরিজনদের জন্যও এই সাফল্য উৎসাহের। কৃষি ও খাদ্য নিরাপত্তার বড় চ্যালেঞ্জের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত একটি গবেষণা জাতীয় মঞ্চে স্বীকৃতি পেল—এটাই খবরের সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি।

সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর

কোন ক্যাটাগরিতে বাকৃবি চ্যাম্পিয়ন হলো?
বিইউপির প্রতিযোগিতায় ‘এ’ ক্যাটাগরিতে সেরা হয়েছে বাকৃবির দল।

দলটি কোন গবেষণার ফলাফল উপস্থাপন করেছে?
ধানচারা লবণাক্ততা ও অটোফ্যাগি সক্রিয়করণকে কেন্দ্র করে গবেষণার ফলাফল উপস্থাপন করে তারা।

গবেষণাটি কীভাবে সম্পন্ন হয়েছে?
বিশ্ববিদ্যালয়ের বাউরেস অর্থায়নের একটি প্রকল্পের ফলাফলের ভিত্তিতে গবেষণাটি করা হয়।

আরও পড়ুন: এই বিভাগের সর্বশেষ খবর

সূত্র: jagonews24.com

Social Icons