পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন, বৈদেশিক সম্পর্ক পরিচালনায় সরকার ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ নীতিতেই চলবে। দেশের স্বার্থ এবং জনগণের প্রয়োজনকে সামনে রেখে কূটনৈতিক তৎপরতা এগোনোর কথা উল্লেখ করেন তিনি।
কূটনীতির মূল ভিত্তি ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’

মন্ত্রীর বক্তব্যে উঠে আসে, দেশের লাভ-লোকসান বিচার করেই আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সম্পর্কের দিক নির্ধারণ হবে। অর্থনীতি, কূটনীতি ও আঞ্চলিক স্বার্থ—সব ক্ষেত্রেই নীতিটি কার্যকর থাকবে বলে জানান।
দেশের স্বার্থই হবে সিদ্ধান্তের মানদণ্ড
পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, যে কোনো দেশের সঙ্গে সম্পর্ক হোক বা আন্তর্জাতিক ফোরামে অবস্থান—সব সিদ্ধান্তে বাংলাদেশের স্বার্থকে প্রাধান্য দেওয়া হবে। এতে করে অংশীদারিত্ব হবে বাস্তব প্রয়োজনের ভিত্তিতে।
প্রবাসীদের বাস্তবতা মাথায় রেখে কূটনীতি
প্রবাসী বাংলাদেশিদের প্রসঙ্গ টেনে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্যকে দেশের জনগণের বৃহত্তর স্বার্থের সঙ্গে যুক্ত করে দেখা হচ্ছে। বৈদেশিক সম্পর্কের ধারাবাহিকতায় প্রবাসীদের অধিকার ও কল্যাণ যেন গুরুত্ব পায়—এমন প্রত্যাশাই সাধারণ মানুষের মধ্যে জেগেছে।
কৌশলগতভাবে সম্পর্ক এগোনোর বার্তা
সব মিলিয়ে মন্ত্রীর বক্তব্যে কূটনীতিতে একটি স্পষ্ট দিকনির্দেশনা পাওয়া যায়। ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ নীতির ওপর দাঁড়িয়ে কূটনৈতিক সম্পর্ক, আলোচনার গতি এবং অংশীদারিত্ব—সবকিছুই নিয়ন্ত্রিত হবে দেশের স্বার্থের বিবেচনায়।
কী বলছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী?
প্রশ্ন: বৈদেশিক সম্পর্ক কোন নীতিতে চলবে?
উত্তর: ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ নীতিতে চলবে।
প্রশ্ন: সিদ্ধান্তে মূল বিষয় কী?
উত্তর: বাংলাদেশের স্বার্থকে মানদণ্ড ধরা হবে।
প্রশ্ন: কূটনৈতিক লক্ষ্য কীভাবে নির্ধারিত হবে?
উত্তর: দেশের প্রয়োজন এবং বাস্তব লাভ-লোকসান বিবেচনায়।
আরও পড়ুন: এই বিভাগের সর্বশেষ খবর









