বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাতের বৈশ্বিক দরজা আরও শক্ত করতে কাজ শুরু করতে যাচ্ছেন বিজিএমইএর নতুন মহাসচিব। দায়িত্ব নেওয়ার পর তিনি স্পষ্টভাবে বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশের অবস্থান সুদৃঢ় করতে পরিচালনা পর্ষদ ও উদ্যোক্তাদের সঙ্গে একযোগে কাজ করবেন।
দায়িত্ব নিয়ে লক্ষ্য ঠিক করলেন মহাসচিব

শনিবার (১ আগস্ট) বিজিএমইএর পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দায়িত্ব নেওয়ার প্রতিক্রিয়ায় ড. মো. সাহেদুল ইসলাম বলেন, বৈশ্বিক বাজারে বাংলাদেশের অবস্থান আরও জোরদার করতে তারা উদ্যোক্তাদের সাথে সমন্বিতভাবে এগোবেন। একই সঙ্গে পণ্য ও বাজার বহুমুখীকরণ এবং দক্ষতা উন্নয়নের মাধ্যমে চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার কথাও উঠে আসে।
আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা ও নেতৃত্বের নানা দিক
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, দায়িত্বে আসা মহাসচিবের অভিজ্ঞতা রয়েছে সামরিক নেতৃত্ব, আন্তর্জাতিক কূটনীতি ও শিক্ষাক্ষেত্রে। ওয়াশিংটন ডিসিতে ডিফেন্স অ্যাটাচে হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে তিনি ‘লিজিওন অব মেরিট’ পদকে ভূষিত হন।
শিক্ষাগত যোগ্যতা ও পেশাগত ভূমিকা
ড. সাহেদুল ইসলাম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ‘শ্রমিকদের দক্ষতা পর্যালোচনা ও উন্নয়ন’ বিষয়ে পিএইচডি, এমফিল ও এমবিএ ডিগ্রি অর্জন করেছেন। পাশাপাশি তিনি ভারতের ওসমানিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মাস্টার্স ইন ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ ডিগ্রি লাভ করেন।
তিনি বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালসের ডিন, কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় অব বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির ট্রেজারার এবং অধ্যাপক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়। একই সঙ্গে জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশনেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার কথা বলা হয়।
পোশাক খাতে ধারাবাহিক প্রবৃদ্ধির প্রত্যাশা
বিজিএমইএর নেতারা আশা প্রকাশ করেছেন, তার অভিজ্ঞতা ও নেতৃত্বের মাধ্যমে তৈরি পোশাক শিল্পের ধারাবাহিক প্রবৃদ্ধি, দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলা এবং বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় ইতিবাচক ভূমিকা আসবে। প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্যও বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ, কারণ তৈরি পোশাক খাতের স্থিতিশীলতা মানে রপ্তানি আয়, কর্মসংস্থান এবং দেশের অর্থনীতিতে ধারাবাহিক গতি।
প্রশ্নোত্তর
বিজিএমইএর নতুন মহাসচিব কে?
ড. মো. সাহেদুল ইসলাম নতুন মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছেন।
তিনি দায়িত্ব নিয়ে কী বললেন?
বৈশ্বিক বাজারে বাংলাদেশের অবস্থান সুদৃঢ় করতে পরিচালনা পর্ষদ ও উদ্যোক্তাদের সঙ্গে একযোগে কাজ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।
এই উদ্যোগ প্রবাসীদের জন্য কেন জরুরি?
পোশাক খাত শক্তিশালী হলে রপ্তানি আয় ও কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়ে—যা দেশের অর্থনীতিতেও ইতিবাচক প্রভাব ফেলে।
আরও পড়ুন: এই বিভাগের সর্বশেষ খবর
সূত্র: jagonews24.com









