GULF BANGLA বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ করুন +880 1755727432
Home / অর্থনীতি ও বাণিজ্য / খবরের কাগজের শিরোনামের মতো বিজিএমইএ-ওয়েজলি চুক্তি

খবরের কাগজের শিরোনামের মতো বিজিএমইএ-ওয়েজলি চুক্তি

বিজিএমইএ-ওয়েজলির যৌথ প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে পোশাকশ্রমিকদের দক্ষতা উন্নয়নের চিত্র

পোশাক কারখানায় কর্মদক্ষতা বাড়ানোর লক্ষ্যেই বিজিএমইএ ও ওয়েজলি বাংলাদেশ লিমিটেডের মধ্যে কৌশলগত অংশীদারত্ব চুক্তি সই হয়েছে। যৌথভাবে ‘ট্রেনিং দ্য ট্রেইনারস’ কর্মসূচি চালিয়ে শ্রমিকদের আর্থিক সচেতনতা, সফট স্কিল এবং কাজের দক্ষতায় বাস্তব উন্নতি আনার পরিকল্পনা করা হচ্ছে।

বিজিএমইএ-ওয়েজলির যৌথ ‘ট্রেনিং দ্য ট্রেইনারস’

বিজিএমইএ-ওয়েজলির যৌথ প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে পোশাকশ্রমিকদের দক্ষতা উন্নয়নের চিত্র

এই চুক্তির আওতায় উভয় প্রতিষ্ঠান যৌথভাবে ‘ট্রেনিং দ্য ট্রেইনারস’ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করবে। ধাপে ধাপে প্রায় ৫০ হাজার পোশাকশ্রমিককে প্রশিক্ষণ দেওয়ার লক্ষ্য রয়েছে। প্রশিক্ষণে থাকবে আর্থিক সচেতনতা, সফট স্কিল, কর্মক্ষেত্রে যোগাযোগ দক্ষতা, নেতৃত্ব, কর্মশৃঙ্খলা এবং কর্মদক্ষতা বিষয়ক দিকনির্দেশনা।

কাজের দক্ষতা ছাড়াও কর্মপরিবেশ ও কল্যাণের লক্ষ্য

উদ্যোগের মূল ভাবনা শুধু প্রশিক্ষণ নয়; কর্মক্ষেত্রে দক্ষতা ও উৎপাদনশীলতা বাড়ানোর পাশাপাশি কর্মপরিবেশ এবং সামগ্রিক কল্যাণ উন্নত করা। এ উদ্যোগের মাধ্যমে শ্রমিকদের আর্থিক সচেতনতা ও কর্মক্ষেত্রভিত্তিক দক্ষতার চর্চা নিশ্চিত করার কথা বলা হয়েছে।

পাইলট পর্যায়ে ক্ষুদ্র ও মাঝারি কারখানা গুরুত্ব পাচ্ছে

বিজিএমইএর পক্ষ থেকে উদ্যোগের পাইলট পর্যায়ে ক্ষুদ্র ও মাঝারি পোশাক কারখানাগুলোকে অন্তর্ভুক্ত করার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। লক্ষ্য হলো, ধীরে ধীরে বড় শিল্পখাতেও যেন এই কর্মসূচির সুফল ছড়িয়ে পড়তে পারে।

প্রথম পর্যায়ে ৫০টি সদস্য কারখানা, পরে প্রশিক্ষকরা প্রশিক্ষণ দেবেন

কর্মসূচির প্রথম পর্যায়ে বিজিএমইএ ৫০টি সদস্য কারখানা নির্বাচন করবে। এরপর ওয়েজলি নির্বাচিত কারখানাগুলোর এইচআর কর্মকর্তা, প্রশিক্ষক, লাইন সুপারভাইজার এবং সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধিদের ‘ট্রেনিং দ্য ট্রেইনারস’ পদ্ধতিতে প্রশিক্ষণ দেবে। প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত মাস্টার ট্রেইনাররা পরে নিজ নিজ কারখানায় শ্রমিকদের প্রশিক্ষণ পরিচালনা করবেন। পুরো কার্যক্রম বিজিএমইএ ও ওয়েজলির যৌথ তত্ত্বাবধান ও মনিটরিংয়ের মাধ্যমে এগোবে।

প্রবাসী পরিবারের উপকার কোথায়?

পোশাক খাতে দক্ষতা ও উৎপাদনশীলতা বাড়লে কর্মস্থলে স্থিতি ও আয়ের ধারাও তুলনামূলকভাবে উন্নত থাকে—এমন প্রত্যাশা কাজে লাগে প্রবাসী পরিবারগুলোর কাছেও। কারণ বাংলাদেশের অনেক পরিবারেই পোশাকশ্রমিকদের আয়ই দৈনন্দিন খরচ ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার বড় অংশ।

যে প্রশ্নগুলো উঠছে

এ কর্মসূচিতে কারা প্রশিক্ষণ পাবেন?
মাস্টার ট্রেইনাররা আগে প্রশিক্ষণ পাবেন; পরে তারা নিজ নিজ কারখানায় শ্রমিকদের প্রশিক্ষণ পরিচালনা করবেন।

প্রশিক্ষণের বিষয়গুলো কী?
আর্থিক সচেতনতা, সফট স্কিল, যোগাযোগ দক্ষতা, নেতৃত্ব, কর্মশৃঙ্খলা ও কর্মদক্ষতা—এসব বিষয় গুরুত্ব পাচ্ছে।

কত কারখানায় শুরু হবে?
প্রথম পর্যায়ে বিজিএমইএ ৫০টি সদস্য কারখানা নির্বাচন করবে।

আরও পড়ুন: এই বিভাগের সর্বশেষ খবর

সূত্র: jagonews24.com

Social Icons