GULF BANGLA বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ করুন +880 1755727432
Home / চাকরির খবর / বেতন-ভাতা বাড়াতে কুমিল্লায় মহাসড়ক অবরোধ

বেতন-ভাতা বাড়াতে কুমিল্লায় মহাসড়ক অবরোধ

কুমিল্লায় বেতন-ভাতা দাবিতে শ্রমিকদের মহাসড়ক অবরোধের দৃশ্য

বেতন-ভাতা বাড়ানোসহ সাত দফা দাবিতে কুমিল্লায় শ্রমিকদের মহাসড়ক অবরোধের ঘটনা ঘটেছে। তিন ঘণ্টা পর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার আশ্বাসে অবরোধ তুলে নেন শ্রমিকরা।

চৌদ্দগ্রাম উপজেলার জেএমআই সিরিঞ্জ কারখানার শ্রমিকরা ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের চট্টগ্রামমুখী লেন অবরোধ করে বিক্ষোভ শুরু করেন। তাদের দাবি, বেতন-ভাতা বৃদ্ধি, শ্রমিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং আলাদা নামাজের ব্যবস্থা করাসহ কয়েকটি শর্ত পূরণ করা হোক।

কারখানার ফটক ভাঙার চেষ্টা

কুমিল্লায় বেতন-ভাতা দাবিতে শ্রমিকদের মহাসড়ক অবরোধের দৃশ্য

বৃহস্পতিবারের (৩০ জুলাই) বিক্ষোভের সময় শ্রমিকরা একাধিকবার কারখানার মূল ফটক ভাঙার চেষ্টা করেন এবং ভেতরে ঢোকার চেষ্টা চালান। এরপর ইট নিক্ষেপের ঘটনায় কারখানার গ্লাস ভেঙে দেওয়া হয়।

তিন ঘণ্টা অবরোধ, শেষে আশ্বাসে সরে যায়

টানা প্রায় তিন ঘণ্টা মহাসড়ক অবরোধের পর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) আশ্বাসে শ্রমিকরা মহাসড়কের অবরোধ তুলে নেন। ফলে যান চলাচল ধীরে ধীরে স্বাভাবিকের দিকে ফিরে আসে।

আগের আন্দোলনের প্রতিশ্রুতি পূরণ হয়নি

আন্দোলনরত শ্রমিকরা জানান, ২০২৪ সালে শ্রমিকদের আন্দোলনের পর দাবি মানার আশ্বাস দেওয়ার কথা বলা হয়। কিন্তু তাদের দাবিগুলোর বেশিরভাগই বাস্তবায়িত হয়নি। এই ক্ষোভ থেকেই সোমবার (২৭ জুলাই) কাজ বন্ধ রেখে নতুন করে আন্দোলনে নামেন তারা।

মালিকের বক্তব্য ও বৈঠকের সিদ্ধান্ত

কারখানার মালিক গোলাম মোস্তফা বলেন, শ্রমিকদের দাবির বিষয়ে ইউএনও, চৌদ্দগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এবং বিএনপি-জামায়াতের নেতাদের উপস্থিতিতে শ্রমিক প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক হয়। বৈঠকে দাবি মানার আশ্বাস পেলে শ্রমিক প্রতিনিধিরা বৈঠক ত্যাগ করে কাজে যোগদানের সিদ্ধান্ত নেন। তবে পরে শ্রমিকদের একটি অংশ আবারও বিশৃঙ্খলা শুরু করে।

তিনি আরও জানান, বর্তমানে বেতন বাড়ানোর দাবি মানা তার পক্ষে সম্ভব হবে না এবং প্রয়োজনে কারখানা বন্ধ করে দেওয়ার হুঁশিয়ারিও দেন।

ইউএনও মোহাম্মদ শাহাদাত হোসেন বলেন, শ্রমিকরা সাময়িক সময়ের জন্য রাস্তা অবরোধ করেন; পরে আশ্বস্ত করলে তারা অবরোধ তুলে নেন।

প্রবাসী পাঠকের জন্য কেন গুরুত্বপূর্ণ

প্রবাসী পরিবারের অনেকেই দেশে শ্রমিক আন্দোলনের প্রভাব সরাসরি অনুভব করেন—টাকার টানাপোড়েন, কাজের অনিশ্চয়তা এবং দৈনন্দিন খরচের চাপ বাড়তে পারে। কাজেই বেতন-ভাতা ও নিরাপত্তা দাবির বিষয়টি ঘিরে শ্রমিকদের শান্তিপূর্ণ সমাধান হওয়া জরুরি।

প্রশ্ন-উত্তর

কী কারণে মহাসড়ক অবরোধ করা হয়?
বেতন-ভাতা বৃদ্ধি, নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং আলাদা নামাজের ব্যবস্থা করাসহ সাত দফা দাবিতে।

অবরোধ কতক্ষণ ছিল?
টানা প্রায় তিন ঘণ্টা।

অবরোধ কেন তুলে নেওয়া হয়?
ইউএনওর আশ্বাসে শ্রমিকরা অবরোধ তুলে নেন।

আরও পড়ুন: এই বিভাগের সর্বশেষ খবর

সূত্র: jagonews24.com

Social Icons