GULF BANGLA বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ করুন +880 1755727432
Home / অর্থনীতি ও বাণিজ্য / ডেটাকে ব্যবসার নতুন মূলধন মানতে বলেছেন শামস জামান

ডেটাকে ব্যবসার নতুন মূলধন মানতে বলেছেন শামস জামান

তৈরি পোশাক শিল্পে ডেটা ও ব্যবস্থাপনা ধারণা দেখানো একটি চিত্র

সারসংক্ষেপ

বাংলাদেশের তৈরি পোশাক (আরএমজি) শিল্পকে আগামী দশকে বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে হলে উৎপাদন সক্ষমতার পাশাপাশি তথ্যভিত্তিক (ডেটা-ড্রিভেন) ব্যবস্থাপনায় বেশি গুরুত্ব দিতে হবে—এমন আহ্বান জানিয়েছেন পিডব্লিউসি বাংলাদেশের কান্ট্রি ম্যানেজার অ্যান্ড পার্টনার শামস জামান। তিনি ডেটাকে “ব্যবসার নতুন মূলধন” হিসেবে বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত গ্রহণ থেকে শুরু করে উৎপাদন, টেকসই উন্নয়ন ও সরবরাহ শৃঙ্খল ব্যবস্থাপনায় এর কার্যকর ব্যবহার নিশ্চিত করার কথা বলেছেন।

মূল তথ্য

শামস জামান বলেন, আরএমজি খাতকে প্রতিযোগিতামূলক অবস্থান ধরে রাখতে কেবল সক্ষমতা বৃদ্ধি করলেই হবে না; বরং ডেটা কাজে লাগিয়ে আরও দক্ষ ও লক্ষ্যভিত্তিক ব্যবস্থাপনা গড়ে তুলতে হবে। তাঁর বক্তব্যে ডেটার ব্যবহারকে কেন্দ্র করে কয়েকটি ক্ষেত্রের কথা উঠে আসে—

  • সিদ্ধান্ত গ্রহণ
  • উৎপাদন ব্যবস্থাপনা
  • টেকসই উন্নয়ন
  • সরবরাহ শৃঙ্খল ব্যবস্থাপনা

কী ঘটেছে

পিডব্লিউসি বাংলাদেশের কান্ট্রি ম্যানেজার অ্যান্ড পার্টনার শামস জামান এই প্রেক্ষাপটে আরএমজি শিল্পের ভবিষ্যৎ প্রতিযোগিতার জন্য ডেটা-চালিত ব্যবস্থাপনার গুরুত্ব তুলে ধরেন। তাঁর মতে, ডেটা শুধু তথ্য হিসেবে পড়ে থাকলে হবে না; বরং সেটি ব্যবহার করে পরিকল্পনা, পরিচালনা ও উন্নয়ন কার্যক্রমকে আরও কার্যকর করতে হবে।

বাংলাদেশ ও প্রবাসীদের জন্য কেন গুরুত্বপূর্ণ

বাংলাদেশের প্রধান বৈদেশিক আয়ের উৎসগুলোর একটি তৈরি পোশাক খাত। এই শিল্প বিশ্ববাজারে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে পারলে উৎপাদন কার্যক্রম এবং সংশ্লিষ্ট কর্মসংস্থানের ধারাবাহিকতা টেকসই হয়। সেই টেকসইতা বজায় রাখতে ডেটা-ভিত্তিক ব্যবস্থাপনা ভূমিকা রাখতে পারে—কারণ এটি উৎপাদন ও সরবরাহ কার্যক্রমকে আরও সমন্বিত করতে সহায়তা করতে পারে। ফলে দেশের অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব পড়ার সম্ভাবনাও তৈরি হয়।

উপসাগরীয় প্রবাসী বাংলাভাষীদের ক্ষেত্রেও বিষয়টি তাৎপর্যপূর্ণ, কারণ শিল্প ও অর্থনীতির স্থিতিশীলতা বিদেশে কর্মরত মানুষের আয়-রেমিট্যান্সের পরিবেশকে প্রভাবিত করে। তবে এই প্রতিবেদন কেবল বক্তব্যের প্রেক্ষিতেই ডেটা ব্যবহারের গুরুত্ব তুলে ধরছে।

প্রেক্ষাপট

শামস জামানের বক্তব্যের মূল লক্ষ্য হলো—আরএমজি শিল্পের ভবিষ্যৎকে সামনে রেখে ব্যবসায়িক কর্মকাণ্ডে তথ্যের ভূমিকা জোরালো করা। আগামী দশকে বৈশ্বিক প্রতিযোগিতা বাড়বে—এমন বাস্তবতায় উৎপাদন সক্ষমতার পাশাপাশি ডেটা ব্যবস্থাপনা যেন একটি গ্রহণযোগ্য “নতুন মূলধন” হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়—এমন বার্তা তাঁর।

সূত্র-সারাংশ

এই প্রতিবেদনটি jagonews24.com–এ প্রকাশিত তথ্যের ভিত্তিতে তৈরি করা হয়েছে। সেখানে শামস জামান জানিয়েছেন, আরএমজি শিল্পকে আগামী দশকে বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় ধরে রাখতে ডেটা-ড্রিভেন ব্যবস্থাপনায় জোর দিতে হবে এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণ, উৎপাদন, টেকসই উন্নয়ন ও সরবরাহ শৃঙ্খলে ডেটার কার্যকর ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে।

সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর

প্রশ্ন ১: শামস জামান কী বিষয়ে গুরুত্ব দিতে বলেছেন?
উত্তর: আরএমজি শিল্পে উৎপাদন সক্ষমতার পাশাপাশি তথ্যভিত্তিক (ডেটা-ড্রিভেন) ব্যবস্থাপনায় গুরুত্ব দিতে বলেছেন।

প্রশ্ন ২: ডেটা কোথায় ব্যবহার করার কথা বলা হয়েছে?
উত্তর: সিদ্ধান্ত গ্রহণ, উৎপাদন, টেকসই উন্নয়ন ও সরবরাহ শৃঙ্খল ব্যবস্থাপনায় ডেটার কার্যকর ব্যবহার নিশ্চিত করার কথা বলা হয়েছে।

প্রশ্ন ৩: কেন বিষয়টি আগামী দশকের জন্য বলা হয়েছে?
উত্তর: বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে শিল্পের ব্যবস্থাপনায় ডেটার ভূমিকা বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তার প্রেক্ষাপটেই এটি বলা হয়েছে।

সূত্র: jagonews24.com

Social Icons