জুলাইয়ের বর্ষপূর্তির আমেজ যেন গানের সুরেই মিশে গেল রাজধানীর শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে। ‘গানে গানে জুলাই’ আয়োজনটি একদিকে গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতি ধরে রাখল, অন্যদিকে শিল্প-সংস্কৃতির নতুন সম্ভাবনার কথাও শুনিয়েছিল।
‘গানে গানে জুলাই’ বর্ষপূর্তি উদ্যাপন

বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি ‘গানে গানে জুলাই’ নামের বিশেষ সংগীতানুষ্ঠান আয়োজন করে। শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় সংগীত ও নৃত্যকলা কেন্দ্র মিলনায়তনে গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় অনুষ্ঠিত হয় অনুষ্ঠানটি।
প্রধান অতিথি সংস্কৃতিমন্ত্রীর বার্তা
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী। সভাপতিত্ব করেন সংস্কৃতিসচিব কানিজ মওলা। বক্তব্যের শেষ অংশে তিনি বলেন, ফ্যাসিবাদী সরকারের পতনের পর যে সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে, তা কাজে লাগিয়ে শিল্প-সংস্কৃতিকে অনন্য উচ্চতায় নেওয়ার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে সরকার।
সমবেত কণ্ঠে দেশাত্মবোধক পরিবেশনা
আলোচনার পর শুরু হয় পরিবেশনার পর্ব। শিল্পকলা একাডেমির শিল্পীদের সমবেত কণ্ঠে পরিবেশিত হয় ‘ধনধান্য পুষ্পভরা’, ‘চল চল চল’ ও ‘দুর্গম গিরি, কান্তার-মরু’ গান তিনটি। এরপর ইউনিভার্সিটি অব লিবারেল আর্টসের শিক্ষার্থীরা সমবেত কণ্ঠে পরিবেশন করেন ‘পূর্ব দিগন্তে সূর্য উঠেছে, রক্ত লাল’।
শিল্পীদের একক গান ও শিক্ষার্থীদের সমাপনী পরিবেশনা
‘মুক্তির মন্দির সোপান তলে/ কত প্রাণ হলো বলি দান’ গানটি পরিবেশন করেন ‘সৃজনী’র শিল্পীরা। সমবেত গানের পর একক কণ্ঠের পর্বে গান গেয়েছেন শিল্পী জাকির হোসেন, মিতা মল্লিক, ফুয়াদ নাসের বাবু ও মমতাজ রহমান। ‘একি অপরূপ রূপে মা তোমার’ গানটি সমবেত কণ্ঠে পরিবেশন করে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। সরকারি সংগীত কলেজের শিক্ষার্থীদের পরিবেশনায় ‘মোরা ঝঞ্ঝার মতো উদ্দাম’ গান দিয়ে অনুষ্ঠান শেষ হয়।
প্রবাসীদের জন্য কেন গুরুত্বপূর্ণ?
প্রবাসে থাকা অনেকেই জুলাইয়ের স্মৃতিকে গানের ভেতর দিয়েই ধরে রাখেন। এই আয়োজন সেই ধারাকে নতুন উদ্দীপনায় সামনে আনল—দেশের সংস্কৃতি চর্চা ও ভবিষ্যৎ ভাবনাকে একই মঞ্চে মিলিয়ে।
প্রশ্ন: ‘গানে গানে জুলাই’ অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে কে?
উত্তর: বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি।
প্রশ্ন: অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি কে ছিলেন?
উত্তর: সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী।
প্রশ্ন: কী ধরনের পরিবেশনা ছিল?
উত্তর: সমবেত সংগীত, একক কণ্ঠের গান এবং শিক্ষার্থীদের পরিবেশনা।
আরও পড়ুন: এই বিভাগের সর্বশেষ খবর
সূত্র: prothomalo.com









