গ্যাসের ক্রমবর্ধমান চাহিদা মেটাতে এবং নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিত করতে সরকার যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক প্রতিষ্ঠান গুনভর ইউএসএ এলএলসি থেকে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস, এলএনজি, আমদানির প্রস্তাবে নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে।
অর্থনৈতিক বিষয়ক মন্ত্রিসভা কমিটির নীতিগত অনুমোদন

মঙ্গলবার সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কমিটির বৈঠকে এ অনুমোদন দেওয়া হয়। প্রস্তাবটি সরকার-টু-সরকার, অর্থাৎ জিটুজি পদ্ধতিতে প্রক্রিয়াকরণের জন্য অনুমোদিত হয়েছে।
২০২৬ থেকে ২০৩৯ মেয়াদে ১৩ বছর সরবরাহ
জিটুজি কাঠামোর অধীনে গুনভর ইউএসএ এলএলসি ২০২৬ সাল থেকে ২০৩৯ সাল পর্যন্ত ১৩ বছর মেয়াদে প্রতি বছর ছয়টি এলএনজি কার্গো সরবরাহের প্রস্তাব দিয়েছে। এই সময়সীমার মধ্যে পরিকল্পিতভাবে অতিরিক্ত এলএনজি আমদানির উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
ইতিমধ্যে জিটুজিতে পাঁচ প্রতিষ্ঠানের সাতটি চুক্তি
বৈঠক সূত্রে বলা হয়েছে, বর্তমানে জিটুজি ভিত্তিতে কাতার, ওমান, যুক্তরাষ্ট্র ও সৌদি আরব—এই দেশগুলোর পাঁচটি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে মোট সাতটি চুক্তির আওতায় বাংলাদেশ এলএনজি আমদানি করছে। চলতি ও ভবিষ্যৎ চাহিদা মাথায় রেখে দীর্ঘমেয়াদি চুক্তির পাশাপাশি স্বল্পমেয়াদি চুক্তিতেও অতিরিক্ত আমদানির পথ খোলা রাখা হয়েছে।
প্রস্তাবটি উত্থাপন ও বাস্তবায়নে কারা
এ প্রস্তাবটি জ্বালানি ও খনিজসম্পদ বিভাগ উত্থাপন করে এবং বাস্তবায়ন করবে পেট্রোবাংলা। ফলে, অনুমোদনের পর সংশ্লিষ্ট প্রক্রিয়ায় পেট্রোবাংলা নীতির আলোকে বাস্তবায়ন এগিয়ে নেবে—এটাই মূল দিক।
প্রবাসীদের জন্যও বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ, কারণ জ্বালানি সরবরাহ স্থিতিশীল থাকলে শিল্প ও দৈনন্দিন অর্থনৈতিক গতি ধরে রাখা সহজ হয়। গ্যাসের ঘাটতি কমানো এবং নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ—এ দুটো চ্যালেঞ্জ সামনে রেখে সরকার দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনায় নতুন করে সংযোগ বাড়াচ্ছে।
প্রশ্নোত্তর
প্রস্তাবটি কোন পদ্ধতিতে? জিটুজি পদ্ধতিতে এলএনজি আমদানির প্রস্তাব।
মেয়াদ কত বছরের? ২০২৬ থেকে ২০৩৯ সাল পর্যন্ত ১৩ বছর।
কারা বাস্তবায়ন করবে? পেট্রোবাংলা।
আরও পড়ুন: এই বিভাগের সর্বশেষ খবর
সূত্র: jagonews24.com









