জুলাই অভ্যুত্থানে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সক্রিয় ভূমিকার কথা তুলে ধরেছেন দলটির চরমোনাই পীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম। শনিবার ঢাকা মহানগর দক্ষিণের নগর সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
জুলাই অভ্যুত্থানের দিনই সাক্ষী

চরমোনাই পীর বলেন, জুলাইয়ের দিনগুলোই দলের সক্রিয় অবস্থানের জ্বলন্ত প্রমাণ। তিনি বলেন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ইসলাম, দেশ ও মানবতার পক্ষে শক্তি হিসেবে কাজ করেছে।
স্বাধীনতার পর শান্তি প্রতিষ্ঠা হয়নি
চরমোনাই পীর আরও অভিযোগ করেন, স্বাধীনতার পর যারা শাসন পরিচালনা করেছে, তাদের আমলে দেশে শান্তি প্রতিষ্ঠা হয়নি। বরং বারবার রক্তের বিনিময়ে তাদের ক্ষমতাচ্যুত হতে হয়েছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
জাতির জন্য কলঙ্কজনক অধ্যায়
তিনি বলেন, এ ধরনের ধারাবাহিকতা জাতির জন্য কলঙ্কজনক অধ্যায়। পাশাপাশি তিনি দুর্নীতির মতো ঘৃণিত বিষয়ে বিশ্বে নেতিবাচক অবস্থান তৈরির কথাও তুলে ধরেন।
কুরআনের শাসন ও মানুষের মুক্তির দাবি
চরমোনাই পীর বলেন, দেশের মানুষ মুক্তি চায়। মানুষ কুরআনের শাসন দেখতে চায়। তিনি আরও বলেন, মানুষ আর অন্য দেশের গোলাম হয়ে থাকতে চায় না।
নগর সম্মেলনে ঢাকা মহানগর দক্ষিণের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আহমদ আবদুল কাইয়ূম সভাপতিত্ব করেন। নগর সেক্রেটারি আবদুল আউয়াল মজুমদারের সঞ্চালনায় আরও বক্তব্য রাখেন আইএবির প্রেসিডিয়াম সদস্য সৈয়দ মোসাদ্দেক বিল্লাহ আল মাদানী, কেন্দ্রীয় দপ্তর সম্পাদক মাওলানা লোকমান হোসাইন জাফরী, কেন্দ্রীয় সদস্য আবদুর রহমান, কেন্দ্রীয় সদস্য মুফতী কেফায়াতুল্লাহ কাশফীসহ নগর ও থানার নেতারা।
আমিরের বক্তব্য শেষে নতুন সেশনের কমিটি ঘোষণা করা হয়। এতে সভাপতি হিসেবে শেখ ফজলুল করীম মারুফ, সহ-সভাপতি হিসেবে জিএম রুহুল আমীন, আনোয়ার হোসেন, এমএইচ মোস্তফা, আবদুল আউয়াল মজুমদার, মাওলানা আব্দুর রাজ্জাক এবং সেক্রেটারি হিসেবে কেএম শরীয়াতুল্লাহ অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন।
প্রবাসী পাঠকদের জন্য ৩টি প্রশ্ন
১) জুলাই অভ্যুত্থান প্রসঙ্গে চরমোনাই পীর কী বললেন? তিনি বলেন, জুলাইয়ের দিনগুলোই ইসলামী আন্দোলনের সক্রিয় ভূমিকার সাক্ষী।
২) শান্তি প্রসঙ্গে তার অভিযোগ কী? তিনি বলেন, স্বাধীনতার পর শাসনকারীদের মাধ্যমে দেশে শান্তি প্রতিষ্ঠা হয়নি।
৩) মানুষের প্রত্যাশা হিসেবে তিনি কী উল্লেখ করেন? তিনি বলেন, মানুষ মুক্তি চায় এবং কুরআনের শাসন চায়।
আরও পড়ুন: এই বিভাগের সর্বশেষ খবর
সূত্র: jagonews24.com









