কলকাতায় বাংলাদেশ ডেপুটি হাইকমিশনে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বার্ষিকী উপলক্ষে দিনব্যাপী কর্মসূচি পালিত হয়েছে। অনুষ্ঠানজুড়ে ছিল শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা এবং গণঅভ্যুত্থানের চেতনা ছড়িয়ে দেওয়ার বার্তা।
মিশন প্রাঙ্গণে পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে শুরু

দিনের শুরুতে মিশন প্রাঙ্গণে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে কর্মসূচির সূচনা করেন ডেপুটি হাইকমিশনার মো. খালেদ। এরপর এক মিনিট নীরবতা পালন করেন মিশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। এই স্মরণে সোনালী ব্যাংক ও বিমান বাংলাদেশের কর্মকর্তারাও অংশ নেন।
বাণী পাঠ ও শহীদদের স্মৃতি সংরক্ষণ
এরপর রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর বাণী পাঠ করা হয়। রাষ্ট্রপতির বাণী পাঠ করেন কনস্যুলার (রাজনৈতিক) মিস মরিয়ম বেগম স্বর্ণা। প্রধানমন্ত্রীর বাণী পাঠ করেন কনস্যুলার (এডুকেশন অ্যান্ড স্পোর্টস) সৈয়দ আসাফ রেজা। পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বাণী পাঠ করেন প্রথম সচিব (বাণিজ্যিক) সাবরিন চৌধুরী এবং পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর বাণী পাঠ করেন তৃতীয় সচিব (কনস্যুলার) মো. আরিফুর রহমান।
আলোচনা ও স্মরণসভা; গণঅভ্যুত্থানের তাৎপর্য
মিশনের বাংলাদেশ গ্যালারিতে আলোচনা ও স্মরণসভার আয়োজন করা হয়। স্বাগত বক্তব্য দেন কনস্যুলার (রাজনৈতিক) ও দূতালয়প্রধান আয়েশা আক্তার। আলোচনায় অংশ নেন প্রথম সচিব (কনস্যুলার) মোহাম্মদ জিল্লুর রহমান এবং সোনালী ব্যাংকের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার মো. রাশেদুজ্জামান রঞ্জু।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডেপুটি হাইকমিশনার মোহাম্মদ খালেদ জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনা ও তাৎপর্য তুলে ধরেন। তিনি দেশ গঠনে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রাসঙ্গিক নানা বিষয় নিয়েও কথা বলেন। পুরো অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন দ্বিতীয় সচিব (রাজনৈতিক) ও ভারপ্রাপ্ত প্রেস কর্মকর্তা মো. ওমর ফারুক আকন্দ।
প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন
অনুষ্ঠানে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানভিত্তিক কয়েকটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়। এতে উপস্থিতদের সামনে উঠে আসে ইতিহাস, স্মৃতি ও সংগ্রামের ধারাবাহিকতা।
প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এমন আয়োজন বড় অর্থ বহন করে। বিদেশের মাটিতেও জাতীয় স্মৃতি ও আত্মত্যাগের বার্তা একত্র করে—দৈনন্দিন ব্যস্ততার মাঝেও দেশকে আরও কাছে টেনে আনে।
সংক্ষেপে প্রশ্নোত্তর
কোথায় কর্মসূচি পালিত হলো?
কলকাতায় বাংলাদেশ ডেপুটি হাইকমিশনে।
দিনের শুরু কীভাবে হয়েছিল?
মিশন প্রাঙ্গণে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে।
অনুষ্ঠানে কী কী ছিল?
এক মিনিট নীরবতা, আলোচনা-স্মরণসভা, বাণী পাঠ এবং প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন।
আরও পড়ুন: এই বিভাগের সর্বশেষ খবর
সূত্র: jagonews24.com









