GULF BANGLA বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ করুন +880 1755727432
Home / আন্তর্জাতিক / লোকসভায় অচলাবস্থা থামছে না, মোদী সরকারের অস্বস্তি

লোকসভায় অচলাবস্থা থামছে না, মোদী সরকারের অস্বস্তি

লোকসভা অধিবেশন অচলাবস্থা, বিরোধীদের স্লোগান

লোকসভায় লোকসভা অচলাবস্থা থামছেই না। বুধবার অধিবেশন শুরুর কয়েক মিনিটের মধ্যেই বিরোধীদের স্লোগানে অধিবেশন মুলতবি হয়—এ অবস্থায় মোদী সরকারের সামনে কার্যক্রম চালিয়ে নেওয়ার চাপ আরও বাড়ল।

বিরোধীদের স্লোগানে অধিবেশন মুলতবি

লোকসভা অধিবেশন অচলাবস্থা, বিরোধীদের স্লোগান

লোকসভা অধিবেশন শুরু হওয়ার পরপরই বিরোধীরা স্লোগান তুলতে থাকেন। ফলে অধিবেশন মুলতবি করা হয়। এর পর সংসদবিষয়ক মন্ত্রী কিরেন রিজিজু রাহুল গান্ধীর কক্ষে গিয়ে কথা বলেন।

রিজিজুর প্রস্তাব, শর্তে রাহুলের জবাব

সূত্র বলছে, বর্তমান অধিবেশনে সরকার আবারও আসন পুনর্বিন্যাস বা ডিলিমিটেশন বিল এবং নারী সংরক্ষণ সংশোধনী বিল তুলতে চায়। এই দুই বিষয়ে কংগ্রেসের সহযোগিতা চেয়েছিলেন রিজিজু।

তবে রাহুল গান্ধী স্পষ্ট করে জানিয়ে দেন—দুটি বিষয়ে সংসদে আলোচনা না হওয়া পর্যন্ত কোনো কার্যক্রম স্বাভাবিকভাবে চলতে দেওয়া হবে না

যেসব ইস্যুতে সংসদ আলোচনায় জোর

রাহুলের দাবির মধ্যে রয়েছে—রাম মন্দিরের অনুদানের অর্থ চুরির অভিযোগ এবং দিল্লিতে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভে পুলিশের পদক্ষেপ। এই দুটি বিষয়ে সংসদে আলোচনা দাবি করা হয়েছে।

বিশেষ করে শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশের পদক্ষেপ নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে সংসদে বিবৃতি দিতে হবে—এ অবস্থানও বিরোধীদের। সরকার অবশ্য বলছে, বিক্ষোভে বলপ্রয়োগের সিদ্ধান্ত স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নন, তা সংশ্লিষ্ট ম্যাজিস্ট্রেট নেন।

ডিলিমিটেশন বিল পাসে অনিশ্চয়তা

বিরোধীদের অনড় অবস্থান এবং সংসদ অচল করে রাখার কারণে চলতি অধিবেশনে ডিলিমিটেশন বিল পাস করার সরকারের পরিকল্পনা এখন অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। সূত্রের দাবি, তৃণমূল কংগ্রেস ও উদ্ধব ঠাকরের শিবসেনা থেকে কিছু সদস্য দলবদল করায় লোকসভায় সরকারের সংখ্যাগত অবস্থান আগের তুলনায় শক্তিশালী হয়েছে। তাই আগের অধিবেশনে পাস না হওয়া বিতর্কিত বিলটি এবার পাস করানোর আশা ছিল সরকারের। কিন্তু বাস্তবে তা থমকে যাচ্ছে।

প্রশ্নোত্তর পর্বও থমকে, বিল পাসে গতি

২০ জুলাই বর্ষাকালীন অধিবেশন শুরুর পর থেকে লোকসভায় একটি পূর্ণাঙ্গ প্রশ্নোত্তর পর্বও শেষ করা সম্ভব হয়নি। বিরোধীদের হট্টগোলের মধ্যে এখন পর্যন্ত পাঁচটি বিল কোনো আলোচনা ছাড়াই পাস হয়েছে বলে জানা গেছে। বুধবারও পরিস্থিতি বদলাতে দেখা যায়নি।

প্রবাসী পাঠকের জন্য কেন গুরুত্বপূর্ণ

ভারতের সংসদে এভাবে দীর্ঘ অচলাবস্থা চলতে থাকলে নীতিনির্ধারণ থেকে শুরু করে আইন প্রণয়নের গতি—সব জায়গায় অনিশ্চয়তা বাড়ে। প্রবাসী বাংলাদেশিদের কাছেও বিষয়টি প্রাসঙ্গিক, কারণ প্রতিবেশী দেশের নীতি ও রাজনৈতিক স্থিতি বরাবরই দৈনন্দিন অর্থনীতি ও ভবিষ্যৎ কর্মসংস্থানের ভাবনায় প্রভাব ফেলে।

প্রশ্ন-উত্তর

লোকসভা অচল হওয়ার প্রধান কারণ কী?
বিরোধীদের স্লোগান ও অচলাবস্থার কারণে অধিবেশন বারবার মুলতবি হচ্ছে।

রাহুল গান্ধী কোন শর্তে সংসদে কার্যক্রম চালাতে রাজি?
রাম মন্দিরের অনুদান নিয়ে অভিযোগ এবং দিল্লিতে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভে পুলিশের পদক্ষেপ—এই দুই বিষয়ে সংসদে আলোচনা না হওয়া পর্যন্ত কার্যক্রম স্বাভাবিক হবে না বলে জানানো হয়েছে।

ডিলিমিটেশন বিল নিয়ে সরকারের পরিকল্পনা কীভাবে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে?
বিরোধীদের বিক্ষোভ ও সংসদ অচল করে রাখার ফলে বিল পাস করানোর পথ অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।

আরও পড়ুন: এই বিভাগের সর্বশেষ খবর

সূত্র: jagonews24.com

Social Icons