GULF BANGLA বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ করুন +880 1755727432
Home / প্রবাসের খবর / মধ্যপ্রাচ্য / মালদ্বীপ স্বাধীনতা দিবসে খলিলুর রহমান

মালদ্বীপ স্বাধীনতা দিবসে খলিলুর রহমান

মালদ্বীপের স্বাধীনতা দিবসে কুচকাওয়াজ এবং বৃক্ষরোপণ অনুষ্ঠানের প্রতীকী চিত্র

মালদ্বীপের স্বাধীনতা দিবসের ৬১তম আয়োজন ঘিরে রাজধানী মালের রিপাবলিক স্কয়ারে জমে ওঠে বর্ণাঢ্য কুচকাওয়াজ। সেখানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান।

মালের রিপাবলিক স্কয়ারে স্বাধীনতা দিবসের কুচকাওয়াজ

মালদ্বীপের স্বাধীনতা দিবসে কুচকাওয়াজ এবং বৃক্ষরোপণ অনুষ্ঠানের প্রতীকী চিত্র

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. কামরুল ইসলাম ভূইয়া জানান, রোববার মালদ্বীপের রিপাবলিক স্কয়ারে অনুষ্ঠিত স্বাধীনতা দিবসের কুচকাওয়াজে মালদ্বীপ সরকারের বিশেষ অতিথি হিসেবে যোগ দেন ড. খলিলুর রহমান। অনুষ্ঠানে তাকে স্বাগত জানান মালদ্বীপের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইরুথিশাম আদম।

কুচকাওয়াজে মালদ্বীপ ন্যাশনাল ডিফেন্স ফোর্সের (এমএনডিএফ) বিভিন্ন শাখার সদস্যরা আনুষ্ঠানিক মার্চপাস্ট ও নানা কুচকাওয়াজ প্রদর্শন করেন। দেশটির শৃঙ্খলা, ঐতিহ্য এবং জাতীয় গৌরব উঠে আসে পুরো আয়োজনজুড়ে।

সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে অংশ নিলেন খলিলুর রহমান

কুচকাওয়াজের পর পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইরুথিশাম আদম মালদ্বীপের সমৃদ্ধ ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি তুলে ধরা এক বর্ণাঢ্য সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে অংশ নেন। দিনের আয়োজনও এগোয় মনোমুগ্ধকর ধারায়। স্বাধীনতা দিবসের শেষ হয় দিনব্যাপী অনুষ্ঠানের মধ্যদিয়ে প্রদর্শিত বর্ণিল আতশবাজির মাধ্যমে।

‘ফাইভ মিলিয়ন ট্রিজ প্রজেক্ট’-এর আওতায় বৃক্ষরোপণ

স্বাধীনতা দিবসের কর্মসূচির আগে সকালে মালেতে লোনুজিয়ারাই পার্কে ড. খলিলুর রহমান অংশ নেন ‘ফাইভ মিলিয়ন ট্রিজ প্রজেক্টের’ আওতায় ক্রিস্টিনা গাছের চারা রোপণে। মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট ড. মোহাম্মদ মুইজ্জুর উদ্যোগে শুরু হওয়া এই বৃক্ষরোপণ অনুষ্ঠানে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইরুথিশাম আদম এবং দেশটির জলবায়ু পরিবর্তন, পরিবেশ ও জ্বালানিমন্ত্রী আলী শরিফ উপস্থিত ছিলেন।

এ সময় পররাষ্ট্রমন্ত্রী দেশটির সবুজায়ন সম্প্রসারণে প্রেসিডেন্ট মুইজ্জুর উদ্যোগের প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশের সরকারও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে আগামী পাঁচ বছরে ২৫ কোটি গাছের চারা রোপণের একটি কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে। দুই দেশের উদ্যোগকে তিনি অভিন্ন অঙ্গীকার হিসেবে উল্লেখ করেন—পরিবেশগত টেকসই উন্নয়ন, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য পৃথিবীকে সুরক্ষিত রাখার লক্ষ্য নিয়ে।

‘জিয়া ট্রিজ’ ও বাংলাদেশের অতীত উদ্যোগের স্মরণ

বৃক্ষরোপণ অনুষ্ঠানে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বাংলাদেশের সাবেক রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমানের উদ্যোগে সৌদি আরবের আরাফাতের ময়দানে বিপুল সংখ্যক নিম গাছ রোপণের কথাও স্মরণ করেন। পরে তিনি জানান, বর্তমানে ওই গাছগুলো ‘জিয়া ট্রিজ’ নামে পরিচিত।

মালদ্বীপ সরকারের আমন্ত্রণে দেশটির স্বাধীনতার ৬১তম বার্ষিকী উদযাপনে বিশেষ অতিথি হিসেবে বর্তমানে মালদ্বীপ সফর করছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান।

দুই দেশে পরিবেশকেন্দ্রিক উদ্যোগ—মূল বার্তা কী?

প্রশ্ন: মালদ্বীপ ও বাংলাদেশের যৌথ বার্তার জায়গাটা কোথায়?

উত্তর: টেকসই পরিবেশ, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য পৃথিবী সুরক্ষিত রাখার অঙ্গীকারে।

প্রশ্ন: স্বাধীনতা দিবসের আগে কী কর্মসূচি ছিল?

উত্তর: ‘ফাইভ মিলিয়ন ট্রিজ প্রজেক্ট’-এর আওতায় ক্রিস্টিনা গাছের চারা রোপণ।

প্রশ্ন: ‘জিয়া ট্রিজ’ প্রসঙ্গটি কেন এসেছে?

উত্তর: আরাফাতের ময়দানে শহীদ জিয়াউর রহমানের উদ্যোগে রোপিত নিম গাছগুলোর বর্তমান নাম হিসেবে।

আরও পড়ুন: এই বিভাগের সর্বশেষ খবর

সূত্র: jagonews24.com

Social Icons