বীরশ্রেষ্ঠ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমানের ৫৫তম শাহাদাত বার্ষিকী পালিত হয়েছে। বিমানবাহিনীর বিভিন্ন স্থাপনায় দোয়া ও মোনাজাতের মধ্য দিয়ে তার আত্মার মাগফিরাত কামনা করা হয়।
মোনাজাতে অংশ নিলেন বিমানবাহিনীর কর্মকর্তারা

আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) পাঠানো বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, এদিন সকালে বাংলাদেশ বিমানবাহিনী ঘাঁটি বীর উত্তম এ কে খন্দকার এয়ার অধিনায়ক এয়ার ভাইস মার্শাল হায়দার আব্দুল্লাহ মিরপুরে অবস্থিত শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমানের রুহের মাগফিরাত কামনায় আয়োজিত মোনাজাতে অংশ নেন। এ সময় শ্রদ্ধার সঙ্গে তার অবদানের কথা স্মরণ করা হয়।
শ্রদ্ধা জানান পরিবারের সদস্যরা ও বিমানসেনা
মোনাজাতে মরহুমের পরিবারের সদস্য ছাড়াও বিমান সদর এবং ঢাকাস্থ বিমান বাহিনী ঘাঁটিসমূহের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ও বিমানসেনা উপস্থিত ছিলেন। একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে তার গৌরবোজ্জ্বল আত্মত্যাগের বিষয়টিও শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করা হয়।
বিমানবাহিনীর মসজিদে দোয়া মাহফিল
বার্ষিকী উপলক্ষে বিমানবাহিনীর বিভিন্ন ঘাঁটি ও ইউনিটের মসজিদে দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়। দোয়া মাহফিলে মরহুমের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।
স্কুল-কলেজে জীবনীর আলোচনাও
আইএসপিআর জানায়, বিমানবাহিনী পরিচালিত সব স্কুল ও কলেজেও শহীদ বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমানের জীবনীর ওপর আলোকপাত এবং তার আত্মার মাগফিরাত কামনায় বিশেষ মোনাজাতের আয়োজন করা হয়েছে। এতে তরুণ প্রজন্মের কাছে মুক্তিযুদ্ধের বীরত্ব ও আত্মত্যাগের শিক্ষা পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা থাকে।
প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্যও এই আয়োজনের গুরুত্ব আছে—কারণ দূর থেকে হলেও আমরা আমাদের ইতিহাস, আত্মত্যাগ আর জাতীয় গৌরবকে শ্রদ্ধার সঙ্গে মনে রাখার সুযোগ পাই।
আরও পড়ুন: এই বিভাগের সর্বশেষ খবর









