বৃহস্পতিবার রাতে প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে রাষ্ট্রপতি পদে নির্বাচিত ঘোষণা করা হয়েছে। রাষ্ট্রের শীর্ষ পদে দায়িত্ব নেয়ার প্রক্রিয়ায় এটি তাৎপর্যপূর্ণ ধাপ, যা দেশের শাসনব্যবস্থা ও রাষ্ট্র পরিচালনার ধারাকে সামনে এগিয়ে দেবে।
রাষ্ট্রপতি নির্বাচন নিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি

রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আইন, ১৯৯১-এর ১১ ধারা এবং রাষ্ট্রপতি নির্বাচন বিধিমালা, ১৯৯১-এর ১২(৬) বিধি অনুযায়ী নির্বাচনি কর্তা ও প্রধান নির্বাচন কমিশনের ঘোষণার ভিত্তিতে এ প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। প্রধান নির্বাচন কমিশনারের আদেশক্রমে প্রজ্ঞাপনে সই করেন নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সচিব আখতার আহমেদ।
নির্বাচনি ফলাফলে কে কত ভোট পেলেন
প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়, বৃহস্পতিবার রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে মোট ৩৪৩ ভোটের মধ্যে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর পান ২৫৫ ভোট। তার প্রতিদ্বন্দ্বী ১১ দলীয় ঐক্যের প্রার্থী কর্নেল (অব.) অলি আহমদ বীর বিক্রম পান ৮৮ ভোট। এই ভোটের ব্যবধানেই তিনি বিজয়ী হন।
প্রজ্ঞাপনে উল্লেখিত পরিচয় ও ঠিকানা
প্রজ্ঞাপনে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের বাবা হিসেবে মির্জা রুহুল আমিনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। একই সঙ্গে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার ঠাকুরগাঁও পৌরসভার কালিবাড়ী গ্রামের ঠিকানাও প্রজ্ঞাপনে তুলে ধরা হয়।
এখন পরবর্তী পদক্ষেপ কী
রাষ্ট্রপতি নির্বাচন সম্পন্ন হওয়ার পর দায়িত্ব গ্রহণের আনুষ্ঠানিকতা এগিয়ে যায়। প্রবাসী বাংলাদেশিরাও সাধারণত রাষ্ট্রের বড় পরিবর্তনগুলো ঘনিষ্ঠভাবে অনুসরণ করেন—কারণ নীতি, কূটনীতি ও বিভিন্ন প্রশাসনিক সিদ্ধান্তে এর প্রভাব পড়ে। ফলে রাষ্ট্রপতি পদে নির্বাচিত ঘোষণার খবরটি সরাসরি দেশ-রাষ্ট্র পরিচালনার ধারার সঙ্গে যুক্ত।
প্রবাসীদের জন্য কেন গুরুত্বপূর্ণ
বাংলাদেশের শীর্ষ পদে কারা দায়িত্ব নেবেন, সেটি কেবল দেশের ভেতরের বিষয় নয়। বিদেশে অবস্থান করা মানুষদের জন্যও থাকে—কূটনৈতিক যোগাযোগ, আন্তর্জাতিক যোগাযোগ এবং দেশের বিভিন্ন নীতির সম্ভাব্য প্রভাবের দিক থেকে তাৎপর্য।
প্রশ্নোত্তর
১) প্রজ্ঞাপনটি কবে জারি করা হয়?
বৃহস্পতিবার রাতে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।
২) কারা সই করেন?
প্রধান নির্বাচন কমিশনারের আদেশক্রমে প্রজ্ঞাপনে নির্বাচন কমিশনের সচিব আখতার আহমেদ সই করেন।
৩) মির্জা ফখরুল কত ভোট পান?
তিনি পান ২৫৫ ভোট।
আরও পড়ুন: এই বিভাগের সর্বশেষ খবর
সূত্র: jagonews24.com









