মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্টের সম্পদ যদি সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা করা যায়, তাহলে যুদ্ধাহত ও খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা এবং শহীদ বা মৃত যুদ্ধাহত-খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের পাশাপাশি আরও বিস্তৃতভাবে বীরদের কল্যাণে উদ্যোগ জোরদার করার কথা বলছেন সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী। পাশাপাশি সরকারের তহবিলেও অর্থ জমা দেওয়ার সক্ষমতা তৈরির সম্ভাবনার কথাও এসেছে আলোচনায়।
ট্রাস্টের সম্পদ ব্যবস্থাপনা কীভাবে কাজে লাগবে

মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্টের নবগঠিত নির্বাহী কমিটির প্রথম সভা এবং নির্বাহী কমিটির ৭৪তম সভায় মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী ও ট্রাস্টের নির্বাহী কমিটির সভাপতি আহমেদ আযম খান এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, ট্রাস্টের সম্পদের দক্ষ ও সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা গেলে কেবল নির্ধারিত সুবিধাভোগীরাই নয়, সব বীর মুক্তিযোদ্ধাদের কল্যাণেও আরও কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া সম্ভব হবে।
কারা কর্মসূচির আওতায়
মন্ত্রী উল্লেখ করেন, বর্তমানে বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্টের আওতায় যুদ্ধাহত, খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা এবং শহীদ, মৃত যুদ্ধাহত, মৃত খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের কল্যাণ ও পুনর্বাসনে কাজ করা হয়। সম্পদ পরিচালনায় দক্ষতা বাড়লে কর্মপরিধি আরও কার্যকর করা সম্ভব বলে সভায় যুক্তি উপস্থাপন করা হয়।
সভায় আলোচনা হয়েছে উন্নয়ন পরিকল্পনা ও অগ্রগতি
সভায় ট্রাস্টের মালিকানাধীন সম্পদ, অধীনস্থ বাণিজ্যিক ও শিল্পপ্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন পরিকল্পনা এবং চলমান সার্বিক কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে আলোচনা ও পর্যালোচনা করা হয়। অর্থ-সম্পদের পাশাপাশি এসব কার্যক্রমে কীভাবে গতি আনা যায়, তা নিয়েই মূলত আলোচনার ফোকাস ছিল।
উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রণালয় ও অর্থনৈতিক বিভাগের প্রতিনিধিরা
সভায় ঢাকা-৬ আসনের সংসদ সদস্য ও মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন, কিশোরগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য মো. ফজলুর রহমান, কুমিল্লা-৬ আসনের সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরী, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব আশরাফুল ইসলাম, অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগের সচিবের প্রতিনিধি এবং শিল্প মন্ত্রণালয়ের সচিবের প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আব্দুল্লাহ আল-মামুনও সভায় ছিলেন।
প্রবাসী পাঠকের জন্য অর্থ কী? দেশের ভেতরের এই উদ্যোগ সরাসরি বীর মুক্তিযোদ্ধা ও তাদের পরিবারের জীবনমানের সঙ্গে যুক্ত। ট্রাস্টের সক্ষমতা বাড়লে সুবিধাভোগীদের পুনর্বাসন ও কল্যাণমূলক কর্মসূচিতে ধারাবাহিকতা আসার সুযোগ তৈরি হয়।
সংক্ষেপে
মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্টের সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা—এই বার্তাই সভার কেন্দ্রীয় বিষয় ছিল, যাতে বীরদের কল্যাণে আরও কার্যকর পদক্ষেপ এবং সরকারের তহবিলে অর্থ জমা দেওয়ার সক্ষমতা তৈরি হতে পারে।
প্রশ্ন : ট্রাস্টের কাজ এখন কোন কোন পর্যায়ে হচ্ছে?
উত্তর : যুদ্ধাহত ও খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা এবং শহীদ/মৃত যুদ্ধাহত-খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের কল্যাণ ও পুনর্বাসনে।
প্রশ্ন : আলোচনায় মূল জোর কোথায়?
উত্তর : ট্রাস্টের সম্পদ সুষ্ঠু ও দক্ষভাবে পরিচালনা করে কার্যক্রম আরও কার্যকর করা।
প্রশ্ন : সভায় আর কী পর্যালোচনা হয়?
উত্তর : ট্রাস্টের সম্পদ, অধীনস্থ বাণিজ্যিক ও শিল্পপ্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন পরিকল্পনা এবং চলমান কার্যক্রমের অগ্রগতি।
আরও পড়ুন: এই বিভাগের সর্বশেষ খবর
সূত্র: jagonews24.com









