GULF BANGLA বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ করুন +880 1755727432
Home / রাজনীতি / রাবিতে শিক্ষক সংগঠনের মতাদর্শিক বিভাজন

রাবিতে শিক্ষক সংগঠনের মতাদর্শিক বিভাজন

ক্যাম্পাসে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের কর্মসূচি ও নিরাপত্তা পরিস্থিতি

কোটা সংস্কার আন্দোলন ঘিরে সারাদেশ যখন উত্তাল, ঠিক তখনই রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে দেখা যায় ভিন্ন মতাদর্শের শিক্ষক সংগঠনগুলোর আলাদা অবস্থান। একই দিনে ‘মার্চ ফর জাস্টিস’ কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার হলেও মতাদর্শিক টানাপোড়েনও সামনে আসে।

রাজশাহীতে আন্দোলন ও নিরাপত্তা জোরদার

ক্যাম্পাসে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের কর্মসূচি ও নিরাপত্তা পরিস্থিতি

৩১ জুলাই রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শুধু আন্দোলনের কেন্দ্রই ছিল না, একইসঙ্গে মতাদর্শিক অবস্থানের প্রতীকও হয়ে ওঠে। শিক্ষার্থীদের কর্মসূচিকে ঘিরে পুরো ক্যাম্পাস এবং রাজশাহী মহানগরে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়। ফলে দিনের ঘটনাপ্রবাহে উত্তেজনা থাকলেও কর্মসূচি চলতে থাকে।

এক ইস্যুতে দুই শিক্ষক সংগঠনের আলাদা কর্মসূচি

একই দিনে বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই শিক্ষক সংগঠন— মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও মূল্যবোধে বিশ্বাসী প্রগতিশীল শিক্ষক সমাজ এবং জাতীয়তাবাদী শিক্ষক ফোরাম— আলাদা রাজনৈতিক অবস্থান থেকে পৃথক কর্মসূচি পালন করে। আন্দোলনের আবহের ভেতরেই মতভেদটা দৃশ্যমান হয়ে ওঠে, যা ক্যাম্পাসের গণআলোচনার বড় অংশজুড়ে থাকে।

ঢাকায় হাইকোর্ট প্রাঙ্গণ ঘিরে ‘মার্চ ফর জাস্টিস’

দুপুরের দিকে ঢাকার হাইকোর্টের মাজার গেট এলাকায় শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা ‘মার্চ ফর জাস্টিস’ কর্মসূচিতে জড়ো হন। সেখানে পুলিশ কিছু ব্যক্তিকে আটক করে, পরে শিক্ষার্থীরা অবস্থান নিয়ে স্লোগান দেন। আন্দোলনের আরেক অংশ দোয়েল চত্বর ঘুরে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে গিয়ে সমাবেশে অংশ নেয়।

সিলেটে পুলিশের বাধায় আহত

সিলেটে পুলিশের বাধার মুখে আন্দোলনকারীরা এগোতে চাইলে সাউন্ড গ্রেনেড ও কাঁদানে গ্যাস ব্যবহারের ঘটনা ঘটে। এতে আন্দোলনকারীদের মধ্যে আহত হওয়ার খবর পাওয়া যায়। প্রবাসী শিক্ষার্থী বা পরিবারের সদস্যদের জন্যও এ ধরনের পরিস্থিতি উদ্বেগ বাড়ায়, কারণ নিরাপত্তা ঝুঁকির ছাপ স্পষ্ট হয়ে ওঠে।

পরদিনের কর্মসূচি ও আন্তর্জাতিক উদ্বেগ

দিন শেষে আন্দোলনের সহ-সমন্বয়কের পাঠানো বিবৃতিতে পরদিন ‘রিমেম্বারিং আওয়ার হিরোজ’ কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়। এতে শহীদ ও আহতদের স্মরণ, স্মৃতিচারণ, গ্রাফিতি ও দেওয়াল লিখনসহ নানা শিল্পভিত্তিক আয়োজনের কথাও বলা হয়। একই সময়ে আন্তর্জাতিক পর্যায়েও বাংলাদেশের পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করতে থাকে বিভিন্ন পক্ষ।

প্রবাসীদের জন্য কেন গুরুত্বপূর্ণ

আন্দোলনের ধরন ও নিরাপত্তা পরিস্থিতি—দুইটাই প্রবাসী পরিবারের জীবনযাত্রায় প্রভাব ফেলে। শিক্ষার্থীদের দাবি, আটক-হয়রানি-সংক্রান্ত উদ্বেগ এবং ভবিষ্যৎ কর্মসূচি সম্পর্কে জানা থাকা প্রবাসীদের জন্যও বাস্তব প্রয়োজন।

প্রশ্নোত্তর

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে কী ঘটেছিল?
‘মার্চ ফর জাস্টিস’ ঘিরে নিরাপত্তা জোরদার হলেও একই ইস্যুতে দুই শিক্ষক সংগঠন আলাদা কর্মসূচি পালন করে।

ঢাকায় কর্মসূচি কোথায় হয়?
হাইকোর্টের মাজার গেট এলাকায় শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা জড়ো হয়ে কর্মসূচি পালন করেন।

পরদিনের কর্মসূচিতে কী ধরনের আয়োজন আছে?
শহীদ ও আহতদের স্মরণে স্মৃতিচারণ ও বিভিন্ন শিল্পভিত্তিক কর্মসূচির কথা উল্লেখ করা হয়।

আরও পড়ুন: এই বিভাগের সর্বশেষ খবর

সূত্র: jagonews24.com

Social Icons