এক বিকেলে রোজ গার্ডেনে হাঁটতে হাঁটতে মনে হয়, ঢাকার ইতিহাসটা যেন হেঁটে চলে মানুষের পাশে। টিকাটলীর এই পুরোনো স্থাপনা—রোজ গার্ডেন—রাজধানীর বুকে একটুখানি থমকে দাঁড়ানোর জায়গা।
শ্বেতশুভ্র দোতলা ভবনের নীরব গন্ধ

রোজ গার্ডেনে ঢুকলেই চোখ পড়ে শ্বেতশুভ্র দোতলা ভবনের দিকে। ব্রিটিশ স্থাপত্যের ছাপ স্পষ্ট—দেয়ালে, বিন্যাসে, সাদার সেই শান্ত ভঙ্গিতে। চারপাশের কোলাহলের মধ্যেও যেন ভবনটি নিজস্ব এক নরম সৌন্দর্য ধরে রাখে।
টিকাটলীর রোজ গার্ডেন—ইতিহাসের অনন্য বয়ান
এ স্থাপনার সঙ্গে জড়িয়ে আছে এই দেশের ইতিহাসের অনন্য বয়ান। কেবল পুরোনো একটি ভবন নয়, বরং সময়ের স্তর মাড়িয়ে এগিয়ে আসা এক স্মৃতি। প্রতিটি পদক্ষেপে মনে হয়, অতীতের গল্পটা বুঝি এখনো এখানেই গুঞ্জন তোলে।
প্রতিদিনের ভিড়ে মুখর একটি বিকেল
রোজ গার্ডেনে প্রতিদিন অসংখ্য মানুষ ঘুরতে আসেন। কারও হাতে ক্যামেরা, কারও সঙ্গে পরিচিতদের আড্ডা। কেউ একটু থেমে ভবনের স্থাপত্য দেখেন, কেউ আবার সাদার বিস্তারে হারিয়ে যান। ফলে এক বিকেল মানেই এখানে হয়ে ওঠে চলমান এক ছোট উৎসব।
প্রবাসী চোখে ঢাকা—ভ্রমণের মানে আরেকটু বেশি
বাংলাদেশের বাইরে থাকা প্রবাসীদের জন্যও রোজ গার্ডেন যেন এক টুকরো আপন শহর। ঢাকার এমন জায়গা দেখলে দূরত্ব কমে যায়, স্মৃতি জাগে। ভ্রমণ শেষে ফিরতি পথে মনে থাকে—শহর বদলায়, তবে কিছু স্থাপনা সময়কে ধরে রাখে।
রোজ গার্ডেনে যেতে ইচ্ছা করলে একটুখানি খালি সময় রাখুন। ধীরে হাঁটুন। দেখুন দোতলা ভবনের সাদাটাকে। আর নীরবে ধরতে চেষ্টা করুন—ইতিহাস কীভাবে আজকের বিকেলকে সাজিয়ে রাখে।
দ্রুত প্রশ্নোত্তর
রোজ গার্ডেন কোথায়? টিকাটলীতে, ঢাকার বুকে।
রোজ গার্ডেনের বিশেষত্ব কী? ব্রিটিশ স্থাপত্যের শ্বেতশুভ্র দোতলা ভবন এবং দেশের ইতিহাসের সঙ্গে জড়িয়ে থাকা অনন্য ভূমিকা।
কেমন পরিবেশ? প্রতিদিন অসংখ্য মানুষ ঘুরতে আসেন—ভিড় থাকলেও জায়গাটা একধরনের শান্ত সৌন্দর্যে ভরা।
আরও পড়ুন: এই বিভাগের সর্বশেষ খবর
সূত্র: prothomalo.com









