GULF BANGLA বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ করুন +880 1755727432
Home / প্রবাসের খবর / এসআইবিএলের প্রশাসকসহ ৫ কর্মকর্তা প্রত্যাহার

এসআইবিএলের প্রশাসকসহ ৫ কর্মকর্তা প্রত্যাহার

বাংলাদেশ ব্যাংক ও ব্যাংক পুনর্গঠন সংশ্লিষ্ট প্রতীকী চিত্র

বাংলাদেশ ব্যাংকের পুনর্গঠন কার্যক্রমের ধারাবাহিকতায় এসআইবিএল পিএলসির প্রশাসকসহ ৫ কর্মকর্তাকে দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। এতে ব্যাংকটির দৈনন্দিন ব্যবস্থাপনায় নতুন পর্যায় শুরু হচ্ছে, যা প্রবাসী আমানতকারীদের আস্থার ক্ষেত্রেও সরাসরি প্রভাব রাখবে।

নতুন পর্যায়ে যাওয়ার পর প্রশাসকদের দায়িত্ব শেষ

বাংলাদেশ ব্যাংক ও ব্যাংক পুনর্গঠন সংশ্লিষ্ট প্রতীকী চিত্র

কেন্দ্রীয় ব্যাংক সূত্র জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় নেওয়া সিদ্ধান্তে প্রশাসক মো. আবুল বাশারের পাশাপাশি দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি পেয়েছেন আসাদুল মোস্তফা, ড. মোহাম্মদ বজলুল করিম, রওশন আক্তার এবং হাম্মাদা আব্দুল আতিক। এরা এসআইবিএলের পুনর্গঠন, প্রশাসনিক তদারকি এবং দৈনন্দিন কার্যক্রম পরিচালনায় প্রশাসকের সহায়ক হিসেবে কাজ করছিলেন।

বাংলাদেশ ব্যাংকের যুক্তি: দায়িত্ব হস্তান্তরের প্রক্রিয়া শেষ

বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা জানান, সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের নতুন পরিচালনা পর্ষদ ও ব্যবস্থাপনার কাছে দায়িত্ব হস্তান্তরের প্রক্রিয়া শেষ হওয়ায় প্রশাসকদের ভূমিকার প্রয়োজন আর নেই। ফলে ধাপে ধাপে তাদের প্রত্যাহার করা হচ্ছে। আগামী ১৫ আগস্টের মধ্যে অন্য প্রশাসকদের ক্ষেত্রেও প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন হবে বলে সংশ্লিষ্টরা উল্লেখ করেছেন।

একীভূত ব্যাংকগুলোতেও পর্যায়ক্রমে প্রশাসক সরানো হচ্ছে

সূত্র আরও বলছে, এরই মধ্যে এক্সিম ব্যাংক থেকেও প্রশাসক প্রত্যাহার করা হয়েছে। একইভাবে একীভূত হওয়া অন্য ব্যাংকগুলোতেও পর্যায়ক্রমে প্রশাসক ও তাদের সঙ্গে দায়িত্ব পালনকারী কর্মকর্তাদের ফিরিয়ে নেওয়া হবে। এর লক্ষ্য হলো পুনর্গঠনের কাজ শেষে স্বাভাবিক ব্যবস্থাপনায় প্রত্যাবর্তন।

প্রশাসক থাকছে না, তবু নিয়ন্ত্রক নজরদারি অব্যাহত

প্রশাসক প্রত্যাহার হলেও নতুন সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের কার্যক্রমের ওপর বাংলাদেশ ব্যাংকের নিয়ন্ত্রক তদারকি ও নজরদারি অব্যাহত থাকবে। গত বছরের ব্যাংক খাতের অস্থিরতার পর আর্থিকভাবে দুর্বল পাঁচটি ইসলামী ব্যাংককে একীভূত করে সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক পিএলসি গঠন করা হয়। আমানতকারীদের স্বার্থ, সুশাসন এবং আর্থিক স্থিতিশীলতা পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যেই সেখানে প্রশাসক নিয়োগ দেওয়ার কথা বলা হয়।

পুনর্গঠনের নতুন পর্যায়ে দায়িত্ব বুঝে নেয়ার পরই এই প্রশাসনিক পরিবর্তন এসেছে। প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্যও বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ, কারণ ব্যাংকিং সেবায় আস্থা, নিরাপত্তা ও স্বচ্ছ তদারকি—সবকিছুর সঙ্গেই এই সিদ্ধান্তের যোগসূত্র আছে।

প্রবাসীদের জন্য এর অর্থ কী?

প্রশাসকরা ফিরলেও বাংলাদেশ ব্যাংকের তদারকি অব্যাহত থাকবে। ফলে আমানতকারীদের স্বার্থ সুরক্ষায় নজরদারি কমবে না—এমন প্রত্যাশাই যুক্তিযুক্ত। একই সঙ্গে ব্যাংকের ব্যবস্থাপনায় নতুন নেতৃত্ব স্বাভাবিক গতি আনতে পারবে।

কয়েকটি প্রশ্ন

এসআইবিএলের প্রশাসকসহ ৫ কর্মকর্তা কেন প্রত্যাহার হলেন?
দায়িত্ব হস্তান্তরের প্রক্রিয়া শেষ হওয়ায় প্রশাসকদের প্রয়োজন নেই—এ কারণেই তাদের প্রত্যাহার করা হয়েছে।

১৫ আগস্টের মধ্যে কী হবে?
অন্য প্রশাসকদেরও প্রত্যাহারের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার কথা বলা হয়েছে।

প্রশাসক না থাকলেও কি বাংলাদেশ ব্যাংক নজরদারি করবে?
হ্যাঁ, নতুন ব্যাংকের কার্যক্রমে নিয়ন্ত্রক তদারকি অব্যাহত থাকবে।

আরও পড়ুন: এই বিভাগের সর্বশেষ খবর

সূত্র: jagonews24.com

Social Icons