চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে শিপইয়ার্ড দুর্ঘটনায় বিষাক্ত গ্যাসে আক্রান্ত আরেক শ্রমিক ইদ্রিস আলীর মৃত্যু হয়েছে। এতে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১০ জন হয়েছে—প্রবাসী পরিবারের জন্যও বড় ধাক্কা, কারণ এ ধরনের কর্মস্থলের ঝুঁকি শেষ পর্যন্ত জীবন কেড়ে নিচ্ছে।
আইসিইউতে চিকিৎসার পর মৃত্যু

বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) চট্টগ্রাম নগরের বেসরকারি ন্যাশনাল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইদ্রিস আলীর মৃত্যু হয়। দুর্ঘটনার পর তাকে অসুস্থ অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। এরপর তিনি আইসিইউতে ছয় দিন চিকিৎসাধীন ছিলেন।
নিহত ইদ্রিস আলী কোথায় বসবাস করতেন
ইদ্রিস আলীর বাড়ি জামালপুরে। বৃহস্পতিবার তার মরদেহ গ্রামের বাড়ি জামালপুরে পাঠানো হয়েছে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষও বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
১৪ আগস্টের দুর্ঘটনায় বিষাক্ত গ্যাসের বিস্তার
এর আগে গত ১৪ আগস্ট সকালে ফেরদৌস স্টিল শিপ রিসাইক্লিং ইয়ার্ডে পুরোনো জাহাজ ‘এমটি রাসি’র ব্যালাস্ট ট্যাংক কাটার সময় শ্রমিকরা বিষাক্ত গ্যাসে আক্রান্ত হন। ওই ঘটনায় ৯ জন শ্রমিকের মৃত্যু হয়। আহত অবস্থায় আরও ৬ জনকে বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল—তাদের মধ্যে ইদ্রিস আলীও ছিলেন।
কারখানার কার্যক্রম স্থগিত, তদন্ত চলছে
দুর্ঘটনার পর ফেরদৌস স্টিল শিপ রিসাইক্লিং বোর্ড সব কার্যক্রম পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত স্থগিত করেছে। দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে একাধিক তদন্ত কমিটিও কাজ করছে।
প্রবাসী শ্রমিকদের মতোই দেশের ভেতরে শিফটভিত্তিক কাজ করা মানুষের নিরাপত্তা ও চিকিৎসা—দুটোই এখানে প্রশ্নের মুখে দাঁড়িয়েছে। কর্মস্থলের ঝুঁকি সম্পর্কে ব্যবস্থা নিতে বিলম্ব হলে আরও প্রাণহানির আশঙ্কা থাকে।
প্রশ্নোত্তর
ইদ্রিস আলী কী কারণে মারা যান?
শিপইয়ার্ড দুর্ঘটনায় বিষাক্ত গ্যাসে আক্রান্ত হওয়ার পর তিনি চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।
দুর্ঘটনায় নিহতের সংখ্যা এখন কত?
এ ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১০ জনে দাঁড়িয়েছে।
দুর্ঘটনার পর কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে?
কারখানার কার্যক্রম স্থগিত করা হয়েছে এবং দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে তদন্ত কমিটি কাজ করছে।
আরও পড়ুন: এই বিভাগের সর্বশেষ খবর
সূত্র: jagonews24.com









