এলডিসি উত্তরণে সময় বাড়ানোর বিষয়টি এখন চূড়ান্ত পর্যায়ে। এ সিদ্ধান্ত নিতে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদই ভূমিকা রাখবে—বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনের বরাতে বলা হয়েছে।
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত

এলডিসি থেকে উত্তরণের পথে বাংলাদেশের সময় বাড়ানোর বিষয়ে যে সিদ্ধান্ত, সেটি শেষ পর্যন্ত জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের মধ্যেই নির্ধারিত হবে। ফলে প্রক্রিয়াটির পরের ধাপ হিসেবে আন্তর্জাতিক এই পর্যালোচনাই সামনে থাকছে।
সময় বৃদ্ধির বিষয়টি কীভাবে এগোয়
এলডিসি উত্তরণের সাথে সংশ্লিষ্ট যোগ্যতা, প্রস্তুতি ও নীতিগত বিবেচনার ধারাবাহিকতায় সময় বাড়ানোর প্রস্তাব বিবেচনায় আসে। বাংলাদেশ স্থায়ী মিশন জানানো তথ্য অনুযায়ী, চূড়ান্ত অনুমোদনের জায়গা হচ্ছে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ।
প্রবাসীদের জন্য কেন গুরুত্বপূর্ণ
বাংলাদেশে এলডিসি উত্তরণের সময়সীমা ও সংশ্লিষ্ট সিদ্ধান্ত দেশের অর্থনৈতিক নীতি, বাণিজ্য সুবিধা এবং বিভিন্ন সহায়তার মেয়াদে প্রভাব ফেলতে পারে। প্রবাসী আয় নির্ভর কর্মীদের কাছে সেটি সরাসরি চাকরি, বিনিয়োগ ও অর্থনীতির গতি-প্রকৃতির সাথে সম্পর্কিত।
পরবর্তী ধাপ নিয়ে প্রত্যাশা
এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়িত হলে এলডিসি উত্তরণের পথ আরো পরিষ্কার হবে। এদিকে প্রক্রিয়াটি যেহেতু জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সিদ্ধান্তের উপর নির্ভর করছে, সেজন্য আন্তর্জাতিক আলোচনার ফলই হবে নির্ণায়ক।
প্রশ্ন: এলডিসি উত্তরণে সময় বাড়ানোর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত কে দেবে?
উত্তর: জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ।
প্রশ্ন: বিষয়টি সম্পর্কে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশন কী জানিয়েছে?
উত্তর: সময় বাড়ানোর চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের এখতিয়ার জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের।
আরও পড়ুন: এই বিভাগের সর্বশেষ খবর









