জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত মালয়েশিয়ার রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ সুহাদা ওসমান।
বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) বিরোধীদলীয় নেতার সরকারি বাসভবনে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে আন্তরিক ও খোলামেলা মতবিনিময় হয়।
জামায়াতের ভূমিকার প্রশংসা
সাক্ষাৎকালে মালয়েশিয়ার রাষ্ট্রদূত জাতীয় সংসদে বিরোধী দল হিসেবে জামায়াতের ইতিবাচক ভূমিকার প্রশংসা করেন।
বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও সামাজিক বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়েও বৈঠকে আলোচনা হয়েছে বলে জানানো হয়।
জ্বালানি সংকট নিয়ে আলোচনা
বৈঠকে বাংলাদেশের বর্তমান জ্বালানি সংকট নিরসনে মালয়েশিয়ার সম্ভাব্য ভূমিকা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
দুই দেশের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে সংকট মোকাবিলায় সম্ভাব্য উদ্যোগ নিয়েও মতবিনিময় করা হয়।
রোহিঙ্গা প্রত্যাবর্তন ইস্যু
বৈঠকে গুরুত্ব পায় রোহিঙ্গা প্রত্যাবর্তন ইস্যু।
বাংলাদেশে অবস্থানরত রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে প্রত্যাবর্তন এবং এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর ভূমিকা নিয়েও আলোচনা করেন তারা।
বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া সম্পর্ক আরও জোরদারের আশা
মতবিনিময়ের সময় দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থ, উন্নয়ন ও অগ্রগতিসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় উঠে আসে।
বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার মধ্যে বিদ্যমান সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক ভবিষ্যতে আরও জোরদার হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তারা।
একই সঙ্গে দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতার ক্ষেত্র সম্প্রসারণ এবং পারস্পরিক অগ্রগতির ধারা অব্যাহত রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
বৈঠকে যারা ছিলেন
মালয়েশিয়ার রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ সুহাদা ওসমানের সঙ্গে দূতাবাসের ফার্স্ট সেক্রেটারি ফায়েজ বিন মোহাম্মদ মোখতার এবং হাজওয়ান বিন হাসনল উপস্থিত ছিলেন।
অন্যদিকে জামায়াত আমিরের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন বিরোধীদলীয় নেতার পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা ও সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার মীর আহমাদ বিন কাসেম আরমান এবং পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা কমিটির সদস্য আলী আহমাদ মাবরুর।
মূল কথা
জামায়াতে ইসলামীর আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে মালয়েশিয়ার রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ সুহাদা ওসমানের সৌজন্য সাক্ষাৎ হয়েছে। বৈঠকে বাংলাদেশের জ্বালানি সংকট নিরসনে মালয়েশিয়ার সম্ভাব্য ভূমিকা, রোহিঙ্গা প্রত্যাবর্তন, দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থ ও দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা হয়। একই সঙ্গে বাংলাদেশ-মালয়েশিয়ার বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও জোরদারের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।







