GULF BANGLA বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ করুন +880 1755727432
Home / লাইফ স্টাইল / সোশ্যাল মিডিয়ায় ট্রেন্ডিং ৮০-এর দশকের লুক, যেভাবে বানাবেন নিজের ছবি

সোশ্যাল মিডিয়ায় ট্রেন্ডিং ৮০-এর দশকের লুক, যেভাবে বানাবেন নিজের ছবি

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহার করে বর্তমানের সাধারণ ছবিকে আশির দশকের পুরোনো ছবির আদলে রূপ দেওয়ার ট্রেন্ড এখন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বেশ জনপ্রিয়। চ্যাটজিপিটিতে একটি ছবি আপলোড করে নির্দিষ্ট নির্দেশনা দিলেই বদলে ফেলা যাচ্ছে চুলের স্টাইল, পোশাক, ব্যাকগ্রাউন্ড, ছবির রং ও টেক্সচার

ইনস্টাগ্রামের ‘অ্যাড ইউরস’ স্টিকারের মাধ্যমে এই ট্রেন্ডটি দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছে। অনেকেই জানতে চাইছেন, আজকের ছবি যদি প্রায় চার দশক আগে তোলা হতো, তাহলে দেখতে কেমন লাগত।

এই ট্রেন্ডে তৈরি ছবিগুলো অনেকটা পুরোনো পারিবারিক অ্যালবাম, বাংলা সিনেমার গ্ল্যামারাস পোর্ট্রেট কিংবা পুরোনো ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদের মতো দেখানো হচ্ছে।

বাংলাদেশি ঘরানার ছবিতে নারীদের ক্ষেত্রে রঙিন শাড়ি, ভলিউম করা চুল ও স্টেটমেন্ট জুয়েলারি এবং পুরুষদের ক্ষেত্রে ঢিলেঢালা বা ফিটিং শার্ট, হাই-ওয়েস্টেড প্যান্ট ও গোঁফের মতো আশির দশকের ফ্যাশন যোগ করা হচ্ছে।

এআইকে সঠিক নির্দেশনা দিলে ব্যক্তির মুখের গড়ন, ত্বকের রং, বয়স ও পরিচিত বৈশিষ্ট্য ঠিক রেখে চারপাশের পরিবেশকে আশির দশকের আদলে পরিবর্তন করা সম্ভব।

যেভাবে তৈরি করবেন ৮০-এর দশকের ছবি

প্রথমে একটি স্পষ্ট সেলফি বা পোর্ট্রেট ছবি চ্যাটজিপিটিতে আপলোড করতে হবে। এরপর ছবিটি কীভাবে পরিবর্তন করতে চান, সেটি প্রম্পটের মাধ্যমে জানাতে হবে।

চ্যাটজিপিটিতে এমন নির্দেশনা দিতে পারেন—

‘ছবিটিকে ১৯৮০-এর দশকের একটি বাস্তবসম্মত পোর্ট্রেটে রূপান্তর করুন। ব্যক্তির মুখের বৈশিষ্ট্য, পরিচয়, বয়স ও স্বাভাবিক অভিব্যক্তি অপরিবর্তিত রাখুন। ৮০-এর দশকের উপযোগী চুলের স্টাইল, পোশাক ও মেকআপ দিন। পেছনে রাখুন পুরোনো স্টুডিওর আবহ। ছবিতে ৩৫ মিমি ফিল্মের দানা, উষ্ণ রঙ, নরম ফ্ল্যাশ, স্বাভাবিক ছায়া ও বাস্তবসম্মত ত্বকের টেক্সচার যোগ করুন। ছবিটি যেন ভিনটেজ ফিল্টার দেওয়া আধুনিক ছবি না হয়ে সত্যিই ১৯৮০-এর দশকে তোলা একটি ছবি মনে হয়। কোনো লেখা, ওয়াটারমার্ক বা আধুনিক উপাদান রাখবেন না।’

প্রথমবারের ফল পছন্দ না হলে চ্যাটজিপিটির সঙ্গে কথোপকথনের মাধ্যমে ছবিতে আরও পরিবর্তন আনা যাবে।

আরও বাস্তবসম্মত ফল পেতে বাংলাদেশের ৮০-এর দশকের পোশাক, পুরোনো ঢাকার রাস্তা, তৎকালীন স্টুডিও বা সে সময়ের ঘরবাড়ির পরিবেশ উল্লেখ করা যেতে পারে। এতে ছবিতে স্থানীয় আবহ আরও ভালোভাবে ফুটে উঠবে।

ছবি তৈরির পর যা খেয়াল রাখবেন

এআই দিয়ে ছবি তৈরি করার পর সেটি ভালোভাবে পরীক্ষা করা জরুরি। বিশেষ করে হাত, আঙুল, মুখের গঠন এবং ব্যাকগ্রাউন্ডে থাকা লেখা বা অন্যান্য উপাদানে কোনো অস্বাভাবিকতা তৈরি হয়েছে কি না, তা দেখে নিতে হবে।

একটি সাধারণ ছবি ও সঠিক প্রম্পট ব্যবহার করেই এখন কয়েকটি নির্দেশনায় তৈরি করা যাচ্ছে চার দশক আগের স্মৃতির মতো দেখতে একটি কাল্পনিক ছবি। ফলে বর্তমানের ছবিকেও সহজেই দেওয়া যাচ্ছে আশির দশকের নস্টালজিক আবহ।

Social Icons