ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল—মমেক—এ হাম উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরেকটি শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এতে চলতি বছরে মৃত শিশুর সংখ্যা ৬৮-এ পৌঁছেছে, আর আইসোলেশন ওয়ার্ডে ভর্তি থাকা শিশু আরও বাড়ছে।
হাম আইসোলেশন ওয়ার্ডে নতুন করে মৃত্যু

ময়মনসিংহ সদর উপজেলার পুতি আলীচর গ্রামের নয় মাস বয়সি এক কন্যাশিশু হাম আইসোলেশন ওয়ার্ডে ভর্তি হয়েছিল গত ৩ আগস্ট। চিকিৎসাধীন অবস্থায় শুক্রবার ভোরে তার মৃত্যু হয়। শিশুটির হাম উপসর্গের পাশাপাশি নিউমোনিয়াও ছিল।
চলতি বছরে মৃত শিশুর সংখ্যা ৬৮
মমেক হাসপাতালে হাম উপসর্গে মৃত শিশুর সংখ্যা এই সময়ে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬৮ জনে। একই প্রেক্ষাপটে হাসপাতালের ওপর চাপও বাড়ছে, কারণ শিশু ভর্তি অব্যাহত আছে।
গত ২৪ ঘণ্টায় ২২ শিশু ভর্তি, চিকিৎসাধীন ৮৮
গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ২২ শিশু হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। ফলে বর্তমানে হাম আইসোলেশন ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন রয়েছে ৮৮ শিশু। পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে বলে জানানো হয়েছে।
প্রবাসী পরিবারগুলোর জন্য সতর্কবার্তা
হাম প্রবাসী পরিবারেও ছড়ানোর ঝুঁকি তৈরি করে—বিশেষ করে শিশুদের টিকা না থাকলে বা টিকা কর্মসূচি পিছিয়ে গেলে। মমেকের এই খবর যেন পরিবারের শিশুদের টিকাদান ও অসুস্থ হলে দ্রুত চিকিৎসা নেওয়ার গুরুত্ব আরও মনে করিয়ে দেয়।
কী করবেন এখন?
- শিশুর জ্বর, কাশি, চোখ লাল হওয়া বা ফুসকুড়ি দেখা দিলে দেরি না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
- সম্ভব হলে টিকা কার্ড মিলিয়ে হাম টিকার হালনাগাদ নিশ্চিত করুন।
- রোগী পরিবারের সদস্যদের আলাদা করা ও স্বাস্থ্যবিধি মানা জরুরি।
প্রশ্ন: হাম উপসর্গে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া কেন জরুরি?
উত্তর: হাম অনেক সময় নিউমোনিয়ার মতো জটিলতা তৈরি করতে পারে—তাই প্রাথমিক পর্যায় থেকেই চিকিৎসা দরকার।
প্রশ্ন: হাম আইসোলেশন ওয়ার্ডে ভর্তি থাকা মানে কি সব শিশুই গুরুতর?
উত্তর: না। তবু সতর্কতার কারণে রোগীদের আলাদা রেখে পর্যবেক্ষণ করা হয়।
আরও পড়ুন: এই বিভাগের সর্বশেষ খবর
সূত্র: jagonews24.com









