জোড়া লাগা যমজ শিশুর চিকিৎসার পুরো খরচ সরকার বহন করবে—ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হওয়া শিশু দুটির বিষয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী এই আশ্বাস দিয়েছেন। এতে দারিদ্র্যের চাপে চিকিৎসা থমকে যাওয়ার শঙ্কা কমছে প্রবাসী পরিবারসহ অনেকেরই জন্য, যারা নিয়মিতভাবে স্বাস্থ্যঝুঁকির এই বাস্তবতার সঙ্গে পরিচিত।
ঢামেকে ভর্তি, স্বাস্থ্যমন্ত্রীর তাৎক্ষণিক তদারকি

জয়নব ও উম্মে কুলসুম—এই দুই শিশুকে ঢামেকের শিশু বিভাগের অধীন ভর্তি করা হয়। ভর্তির পরপরই স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুল হাসপাতালে গিয়ে তাদের খোঁজ নেন।
দারিদ্র্যের বাধা পেরিয়ে সরকারি সহায়তা
স্বাস্থ্যমন্ত্রীর ভাষ্য, আর্থিক টানাপোড়েনের কারণে শিশুটির মা–বাবা প্রয়োজনীয় চিকিৎসা করাতে না পেরে গ্রামের বাড়িতে চলে গিয়েছিলেন। পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশের পর প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় তিনি মা–বাবার সঙ্গে যোগাযোগ করেন। এরপর চিকিৎসার জন্য তাদের ঢাকায় এনে ঢামেকে ভর্তি করার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়।
বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক নিয়ে বোর্ড, প্রয়োজনে বাইরে থেকে চিকিৎসক
শিশু দুটির চিকিৎসায় শুধু একজন চিকিৎসকের ওপর নির্ভর করা হবে না—হাসপাতালের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের সমন্বয়ে প্রয়োজনে বাইরে থেকে চিকিৎসক এনে বোর্ড গঠন করে চিকিৎসা দেওয়ার কথা জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী। এর ফলে জটিলতার ঝুঁকি মোকাবিলায় দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়ার পথ তৈরি হচ্ছে।
সব খরচ সরকার, দৈনন্দিন সহায়তাও থাকবে
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, শিশু দুটির চিকিৎসার সব খরচ সরকার বহন করবে। পাশাপাশি মা–বাবার দৈনন্দিন খাবারের ব্যবস্থাও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ করছে। হাতখরচ হিসেবে তাদের পাঁচ হাজার টাকার সহায়তার কথাও জানান তিনি।
শিশুদের বয়স ও পরিবারের পটভূমি
তিন মাস সাত দিন আগে বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে শিশু দুটির জন্ম হয়। নাহিদ ও সানজিদা দম্পতির আগে একটি ছেলে রয়েছে।
প্রশ্ন: চিকিৎসা কতদিন চলতে পারে—এটা কি এখনই বলা সম্ভব?
উত্তর: এই মুহূর্তে সময়সীমা জানানো হয়নি। তবে বিশেষজ্ঞ বোর্ড গঠন করে চিকিৎসা দেওয়ার পরিকল্পনার কথা এসেছে।
প্রশ্ন: পরিবার কি নিজেরা খরচ বহন করবে?
উত্তর: স্বাস্থ্যমন্ত্রীর ঘোষণা অনুযায়ী চিকিৎসার সব খরচ সরকার বহন করবে।
প্রশ্ন: ঢামেকের বাইরে অন্য চিকিৎসক আনা হবে কি?
উত্তর: প্রয়োজনে বাইরে থেকে চিকিৎসক এনে বোর্ড গঠনের কথা বলা হয়েছে।
আরও পড়ুন: এই বিভাগের সর্বশেষ খবর
সূত্র: prothomalo.com









