GULF BANGLA বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ করুন +880 1755727432
Home / জাতীয় / হাজীগঞ্জ সড়কে ময়লার স্তূপ দুর্ভোগ

হাজীগঞ্জ সড়কে ময়লার স্তূপ দুর্ভোগ

চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ সড়কের পাশে জমে থাকা ময়লার স্তূপ ও দুর্গন্ধে দুর্ভোগ

চাঁদপুর-কুমিল্লা আঞ্চলিক সড়কের হাজীগঞ্জ অংশে আধা কিলোমিটারজুড়ে ময়লার স্তূপ পড়ে থাকায় দুর্ভোগে পড়েছেন পথচারী ও শিক্ষার্থীরা। বর্ষার অল্প বৃষ্টিতেই বর্জ্য পানি নিয়ে গড়িয়ে গিয়ে সড়কেও ছড়িয়ে পড়ে, আর উৎকট দুর্গন্ধে নাক চেপে চলতে হচ্ছে নিয়মিত যাত্রীদের।

বৃষ্টিতে ময়লা গড়িয়ে সড়কে, দুর্গন্ধে অতিষ্ঠ

চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ সড়কের পাশে জমে থাকা ময়লার স্তূপ ও দুর্গন্ধে দুর্ভোগ

হাজীগঞ্জ প্রবেশের ব্রিজ থেকে শুরু করে চত্বর পর্যন্ত সড়কের দুই পাশে প্রতিদিনই জমছে নানা ধরনের বর্জ্য। স্থানীয়দের ভাষ্য, বাসস্ট্যান্ড এলাকায় সবচেয়ে বেশি ময়লা জমে থাকে। বৃষ্টি হলেই ওই বর্জ্য ছড়িয়ে পড়ছে মূল সড়কে, ফলে যান চলাচলে অস্বস্তি বাড়ে এবং পথচারীদের চলাচলও হয়ে ওঠে কষ্টসাধ্য।

স্বাস্থ্যঝুঁকি ও বাড়ছে মশা-পোকা

পচা-বাসি বর্জ্যের দুর্গন্ধে ভোগান্তি শুধু গন্ধের মধ্যেই থেমে নেই। বর্জ্য থেকে জীবাণু ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কার পাশাপাশি মশা-মাছি ও বিভিন্ন পোকামাকড়ের উপদ্রবও বেড়েছে বলে জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা। দীর্ঘদিন ধরে একইভাবে ময়লা পড়ে থাকায় শ্বাসকষ্ট বা অসুস্থতার মতো সমস্যাও তৈরি হচ্ছে—এমন অভিজ্ঞতার কথাও শোনা যাচ্ছে।

শিক্ষার্থী বলছেন, দুর্গন্ধে নাকে কাপড় চেপে স্কুল

শিক্ষার্থী সিফাতুল ইসলাম জানান, প্রতিদিন স্কুলে যাওয়ার পথে ময়লা-আবর্জনার উৎকট দুর্গন্ধের কারণে নাক চেপে চলতে হয়। দীর্ঘদিন ধরে সড়কের পাশে ময়লা পড়ে থাকায় মশা-মাছি ও পোকামাকড়ের উপদ্রবও বেড়ে গেছে। দুর্গন্ধের কারণে অসুস্থ হয়ে পড়ার ঘটনাও ঘটছে, ফলে অনেক সময় স্কুলে যাওয়া সম্ভব হয় না।

পৌরসভার দাবি: স্থায়ী ডাম্পিং ইয়ার্ডের কাজ শুরু

এ বিষয়ে হাজীগঞ্জ পৌরসভার প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ইবনে আল জায়েদ হোসেন বলেন, ১৯৮৫ সালে পৌরসভা প্রতিষ্ঠার পর থেকে ময়লা ফেলার জন্য স্থায়ী কোনো ডাম্পিং ইয়ার্ড করা সম্ভব হয়নি। দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে স্থায়ী বর্জ্য ব্যবস্থাপনার বিষয়ে কাজ শুরু হয়েছে। স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় থেকে একটি খাস জমি বন্দোবস্তের বিষয়ে চিঠি পাওয়ার পর সহকারী কমিশনারকে (ভূমি) উপযুক্ত জমি চিহ্নিত করার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। তিনি আশা করেন, দ্রুতই একটি স্থায়ী ডাম্পিং ইয়ার্ড চালু করে সড়কের পাশে বর্জ্য ফেলার সমস্যাসহ জনদুর্ভোগ কমানো যাবে।

প্রবাসী পাঠকদের কাছেও বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ, কারণ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার অভাব মানে স্বাস্থ্যঝুঁকি ও জীবনযাত্রার ব্যয়—বিশেষ করে শিশু ও শিক্ষার্থীদের স্কুলযাত্রা বাধাগ্রস্ত হওয়া। স্থায়ীভাবে বর্জ্য ব্যবস্থাপনার উদ্যোগ বাস্তবে দ্রুত কার্যকর হলে স্থানীয়দের দৈনন্দিন চলাচল স্বাভাবিক হবে।

প্রশ্ন-উত্তর

প্রধান সমস্যা কী? সড়কের পাশে দীর্ঘদিন ময়লা-আবর্জনা জমে থাকা এবং বৃষ্টিতে তা সড়কেও ছড়িয়ে পড়া।

মানুষের ক্ষতি কীভাবে হচ্ছে? দুর্গন্ধ, মশা-পোকা ও জীবাণু ছড়ানোর আশঙ্কায় স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ছে, চলাচলেও দুর্ভোগ হচ্ছে।

সমাধান হিসেবে কী বলা হয়েছে? স্থায়ী ডাম্পিং ইয়ার্ড স্থাপনের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে বলে পৌর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।

আরও পড়ুন: এই বিভাগের সর্বশেষ খবর

সূত্র: jagonews24.com

Social Icons