সিঙ্গাপুরে প্রবাসী বাংলাদেশিদের উৎসবের খবরটা যেন এক টানে টেনে সবাইকে টেবিলে বসিয়ে দিয়েছে। সিঙ্গাপুর বাংলাদেশ সোসাইটির কমিউনিটি ফ্যামিলি ডে শুধু আনন্দের আয়োজন নয়—ঐতিহ্যবাহী মেজবানে মাতেন হাজারো মানুষ।
জাতীয় দিবসের আবহে প্রবাসীদের মিলনমেলা

সিঙ্গাপুরের ৬১তম জাতীয় দিবস উদ্যাপনের পরিবেশকে ঘিরে বাংলাদেশি কমিউনিটিকে নিয়ে দিনব্যাপী আয়োজন করে সিঙ্গাপুর বাংলাদেশ সোসাইটি (এসবিএস)। রোববার সমুদ্রতীরবর্তী ইস্ট কোস্ট পার্কে পরিবার, কমিউনিটির সদস্য এবং বিভিন্ন দেশের অতিথিরা একসঙ্গে অংশ নেন।
পরিবারকেন্দ্রিক নানা বিনোদন ও সাংস্কৃতিক পর্ব
আয়োজনের পুরোটা জুড়েই ছিল পরিবারকেন্দ্রিক বিনোদনমূলক কার্যক্রম। খেলাধুলা, সাংস্কৃতিক পরিবেশনা এবং শিশুদের জন্য আলাদা আয়োজন—সব মিলিয়ে দিনের ছন্দটাই ছিল উৎসবের। ফলে প্রবাসে থেকেও এক টুকরো ঘরোয়া আবহ পাওয়া যায়, যা পরিবারগুলোর জন্য বিশেষ করে গুরুত্বপূর্ণ।
চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী মেজবান—দিনের সবচেয়ে বড় আকর্ষণ
এই আয়োজনে সবচেয়ে বড় আকর্ষণ ছিল বাংলাদেশের বন্দরনগরী চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী মেজবান। দেশি-বিদেশি প্রায় ১,০০০ মানুষের সমাগম ঘটে মেজবানের চারপাশে। শত বছরের ঐতিহ্যের স্বাদ প্রবাসের মাটিতে নতুন করে সবার সামনে উঠে আসে।
সামাজিক দায়বদ্ধতার বার্তা—পরিচ্ছন্নতার উদ্যোগ
পরিবারের আনন্দের পাশাপাশি সামাজিক দায়িত্ববোধও জোরালোভাবে দেখা গেছে। পরিবেশ ও সামাজিক দায়বদ্ধতার অংশ হিসেবে সমুদ্রসৈকত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কর্মসূচি পালন করা হয়। এতে সিঙ্গাপুরের বৃহত্তর সমাজের সঙ্গে বাংলাদেশি কমিউনিটির সম্পৃক্ততা আরও স্পষ্ট হয়ে ওঠে।
প্রবাসীদের জন্য কেন এই আয়োজন তাৎপর্যপূর্ণ
প্রবাসে দীর্ঘ সময় কাটালে পরিবার, শিকড় আর সংস্কৃতির টানটা আরও গভীর হয়। কমিউনিটি ফ্যামিলি ডে সেই টানটাকেই উৎসবে রূপ দিয়েছে—শিশুরা আনন্দ পেয়েছে, বড়দের কাছে মিলেছে পরিচিত মুখ, আর ঐতিহ্যবাহী মেজবান নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশের স্বাদ।
প্রশ্নোত্তর
কমিউনিটি ফ্যামিলি ডে কোথায় হয়েছে?
সিঙ্গাপুরের ইস্ট কোস্ট পার্কে দিনব্যাপী আয়োজন হয়েছে।
আয়োজনে কী কী ছিল?
পরিবারকেন্দ্রিক বিনোদন, খেলাধুলা, সাংস্কৃতিক পরিবেশনা, শিশুদের আয়োজন এবং সৈকত পরিষ্কার কর্মসূচি ছিল।
সবচেয়ে বড় আকর্ষণ কী ছিল?
চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী মেজবান, যেখানে দেশি-বিদেশি প্রায় ১,০০০ জনের সমাগম হয়।
আরও পড়ুন: এই বিভাগের সর্বশেষ খবর
সূত্র: nagorik.prothomalo.com









