স্পেনে বসবাস করছেন Wafae Atid। তিনি একে অর্থনৈতিক অভিবাসনের গল্প হিসেবে দেখাতে চান না। একই সঙ্গে মরক্কোতে ফিরে যাওয়ার ইচ্ছাও নেই।
তার ভাষ্যমতে, তিনি যেভাবে দেশ ছেড়েছেন, সেটার পেছনে কেবল টাকার টান নেই। বরং মরক্কোর জীবনধারা ও সামাজিক মানসিকতার সঙ্গে নিজের অবস্থান মেলে না—এই অমিলটাই তাকে পেছনে টানছে না।
অর্থনৈতিক অভিবাসী হিসেবে পরিচয় অস্বীকার

নিজেকে “অর্থনৈতিক অভিবাসী” বলে চিহ্নিত করতে তিনি রাজি নন। তার বক্তব্যে উঠে আসে, সিদ্ধান্তটা কেবল কর্মসংস্থানের খোঁজের মতো একমাত্র কারণের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়।
ফিরতে চান না মরক্কোতে
মরক্কোতে ফিরে যাওয়ার বিষয়ে তিনি স্পষ্ট। দেশটিতে যেভাবে মানসিকতা, দৃষ্টিভঙ্গি ও সামাজিক প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে—তার সঙ্গে নিজের কাছে মিল খুঁজে পাননি। ফলে ফিরে যাওয়ার চিন্তাও নেই।
স্পেনে প্রবাসী জীবনের বার্তা
তার এই অবস্থান স্পেনপ্রবাসীদের কাছেও এক ধরনের ইঙ্গিত বহন করে। নতুন দেশে জীবন গড়ার সিদ্ধান্ত অনেক সময় কেবল কাজ বা আয় নয়—নিজের নিরাপত্তা, মূল্যবোধ, মানসিক স্বস্তি এবং দৈনন্দিন বাস্তবতার ওপরও দাঁড়িয়ে থাকে।
প্রবাসীদের সিদ্ধান্তের বাস্তবতা
অনেক প্রবাসীর জন্য অভিবাসনের কারণ ভিন্ন হতে পারে। কেউ চাকরির খোঁজে যান, কেউবা ব্যক্তিগত নিরাপত্তা ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনায়। Wafae-এর বক্তব্য সেই বৈচিত্র্যটাই মনে করিয়ে দেয়।
প্রবাসী পাঠকদের জন্য প্রশ্নটা একটাই—বিদেশে থাকা বা ফিরে যাওয়ার সিদ্ধান্তে আসলে কোন বিষয়টি সবচেয়ে বেশি প্রভাব ফেলে? চাকরি, নাকি নিজের মানসিক স্বস্তি?
আরেকটি প্রশ্নও গুরুত্বপূর্ণ—যে দেশে যাচ্ছেন, সে দেশের দৈনন্দিন বাস্তবতা কি আপনার কাছে মানিয়ে নিতে পারবেন?
আরও পড়ুন: এই বিভাগের সর্বশেষ খবর
সূত্র: elpais.com









