এই গরমে শরীর ও ত্বকে স্বস্তি পেতে নিতে পারেন অ্যালোভেরা শাওয়ার। টাটকা অ্যালোভেরার জেল দিয়ে গোসল করলে ত্বকে আর্দ্রতা ও শীতল অনুভূতি পাওয়া যায়। পাশাপাশি এটি শরীরের ক্লান্তি দূর করতেও সহায়ক বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
কীভাবে নেবেন অ্যালোভেরা শাওয়ার
প্রথমে অ্যালোভেরার পাতা থেকে জেল বের করে নিতে হবে। পাতা কেটে ভালোভাবে ধুয়ে ১০-১৫ মিনিট খাড়া করে রাখুন। এতে পাতার ভেতরের অ্যালোইন বা হলুদ তরল বের হয়ে যাবে। এই হলুদ রস ত্বকে চুলকানি বা অ্যালার্জির কারণ হতে পারে।
এরপর চামচ বা ছুরির সাহায্যে পাতা থেকে জেল বের করে নিন। হাতে সময় কম থাকলে পাতাটি টুকরো করে ব্লেন্ড করেও জেল তৈরি করা যায়।
যেভাবে ব্যবহার করবেন
অ্যালোভেরার জেল বা রস সাধারণত ঘন থাকে। তাই ব্যবহারের আগে প্রয়োজন অনুযায়ী পানি মিশিয়ে পাতলা করে নিতে পারেন।
সরাসরি ব্যবহার: শাওয়ারের সময় চুলের গোড়া থেকে শুরু করে পুরো শরীরে অ্যালোভেরার রস ভালোভাবে ম্যাসাজ করুন। ৫-১০ মিনিট অপেক্ষা করে স্বাভাবিক পানি দিয়ে শরীর ধুয়ে নিন। চুলে শ্যাম্পু ব্যবহার করতে পারেন।
বাথটাব বা বালতির পানিতে মিশিয়ে: গোসলের বালতি বা বাথটাবের হালকা গরম পানিতে ১ কাপ অ্যালোভেরার রস ভালোভাবে মিশিয়ে সেই পানি দিয়ে গোসল করতে পারেন।
অ্যালোভেরা শাওয়ারের উপকারিতা
প্রাকৃতিক ময়েশ্চারাইজার: অ্যালোভেরা শুষ্ক ত্বককে হাইড্রেট করে ত্বককে নরম ও মসৃণ রাখতে সাহায্য করে।
রোদে পোড়া ভাব দূর করা: কড়া রোদে ত্বকে ট্যান বা লালচে ভাব দেখা দিলে অ্যালোভেরার রস ব্যবহার করা হয়। গোসলের পানিতে অ্যালোভেরা মিশিয়ে নিলে ত্বক শীতল ও আরামদায়ক অনুভূতি দিতে পারে।
চুলকানি ও অ্যালার্জি কমানো: অ্যালোভেরায় থাকা অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি উপাদান ত্বকের র্যাশ, চুলকানি বা ছোটখাটো ইনফেকশন কমাতে সাহায্য করে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
বয়সের ছাপ দূর করা: অ্যালোভেরায় থাকা অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট ও ভিটামিন-ই ত্বকের ইলাস্টিসিটি বজায় রাখতে এবং ত্বককে তরুণ দেখাতে সহায়তা করে।
সতর্কতা
প্রথমবার অ্যালোভেরা ব্যবহারের আগে কনুই বা কবজিতে প্যাচ টেস্ট করে নিন।
অ্যালোভেরার কষ বা হলুদ তরল অংশ পুরোপুরি ফেলে দিতে হবে।
অ্যালোভেরায় অ্যালার্জি থাকলে এই পদ্ধতি ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকুন।
