বাংলাদেশের ঘরোয়া খাবার আর চায়ের টান—এই দুইয়ের দিকেই ভালোবাসা টানলেন পাকিস্তানি গায়ক আতিফ আসলাম। প্রিয় তালিকায় উঠে এসেছে খিচুড়ি ও মালাই চা।
খিচুড়ির টানে আতিফের রুচি

খিচুড়ি মানেই যেন একচামচে ঘরোয়া উষ্ণতা। ভাত, ডাল আর মসলার সহজ মেলবন্ধনে তৈরি হয় এমন স্বাদ, যা শহরের হোক বা গ্রামের—সবাই চিনে। আতিফ আসলামের পছন্দের কথায় এই পরিচিত খাবারটাই নতুন করে আলোচনায়।
মালাই চা—রম্য মিষ্টি আর দুধের ঘ্রাণ
মালাই চা বাংলাদেশের চায়ের ভুবনে আলাদা একটি অধ্যায়। দুধ, মিষ্টতা আর ঘনত্বের কারণে এটি সাধারণ চা থেকে আলাদা করে টানে। আতিফের পছন্দের তালিকায় থাকায় প্রবাসীদের নিত্যদিনের চায়ের কাপে একটু অতিরিক্ত আনন্দ যোগ হয়।
প্রবাসীদের জন্য বাড়ির স্বাদ
মধ্যপ্রাচ্যে থাকা অনেকেই জানেন—দীর্ঘদিন পর স্বদেশি খাবার আর স্বদেশি স্বাদের চা কতটা আপন করে নেয়। গায়ক আতিফের পছন্দের প্রসঙ্গ যেন সেই অনুভূতিকেই মনে করিয়ে দেয়। বাসার রান্নাঘরের গন্ধ, পরিবারের সঙ্গে বসে খিচুড়ি খাওয়ার মুহূর্ত—এসব আবেগকে আরও কাছে টানে।
রুচির এই মিল—দুই দেশের সেতুবন্ধন
একজন শিল্পীর পছন্দে উঠে আসা খাবার কখনও শুধু গ্যাস্ট্রোনমি থাকে না। সেটি হয়ে ওঠে সংস্কৃতির ছোট্ট সেতু। খিচুড়ি আর মালাই চা—দুই বাংলার স্বাদের ধারাবাহিকতারই প্রতিফলন বলা যায়।
প্রশ্ন: আতিফ আসলামের পছন্দের দুইটি খাবার কী?
উত্তর: খিচুড়ি ও মালাই চা।
প্রশ্ন: এ সংবাদটি কেন প্রবাসীদের কাছে বেশি টানে?
উত্তর: কারণ এটি বাড়ির স্বাদকে স্মরণ করায়—বিশেষ করে দীর্ঘদিন বিদেশে থাকার পর।
আরও পড়ুন: এই বিভাগের সর্বশেষ খবর
সূত্র: prothomalo.com









