চীনা বিনিয়োগকে সামনে রেখে বাংলাদেশ কীভাবে এগোতে চায়—সেই লক্ষ্যটা স্পষ্ট করলেন অর্থনীতিবিদ ড. তিতুমীর। তিনি বলেছেন, বিনিয়োগ এলে শুধু অবকাঠামো বা কেবলমাত্র প্রকল্পভিত্তিক সুবিধায় থেমে থাকলে চলবে না; জোর দিতে হবে উৎপাদনমুখী শিল্পায়নে।
উৎপাদনমুখী শিল্পে বিনিয়োগের লক্ষ্য

ড. তিতুমীরের বক্তব্যে মূল প্রতিপাদ্য ছিল উৎপাদন সক্ষমতা বাড়ানো। চীনা বিনিয়োগকে এমন খাতে পরিচালিত করতে হবে, যাতে দেশে পণ্য তৈরি ও মূল্য সংযোজন বাড়ে। এতে কর্মসংস্থান এবং রপ্তানি সক্ষমতার পথও তৈরি হবে—এমন প্রত্যাশার কথাই উঠে আসে।
বিনিয়োগ মানে প্রকল্প নয়, সক্ষমতা
তিনি আরও বলেন, শিল্পায়নের ধারাবাহিকতার জন্য বিনিয়োগকে সক্ষমতা গঠনের সঙ্গে যুক্ত করতে হবে। অর্থাৎ উৎপাদনশীল খাতগুলোর জন্য দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা থাকতে হবে এবং বিনিয়োগের ফল যেন দেশের ভেতরেই উৎপাদন ও ব্যবসায় গতি আনে—সেদিকে নজর দেওয়া জরুরি।
অর্থনীতির বাস্তব চাহিদার সঙ্গে মিল
প্রসঙ্গত, বাংলাদেশের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো এমন শিল্প গড়া, যা শ্রমশক্তি কাজে লাগাতে পারে এবং বাজারে টিকে থাকতে পারে। ড. তিতুমীরের মন্তব্যে সেই বাস্তবতার সঙ্গে বিনিয়োগের সমন্বয়ের কথাই প্রতিফলিত হয়।
প্রবাসী পাঠকদের জন্য বার্তা কী?
প্রবাসী বাংলাদেশিদের দৃষ্টিতেও বিষয়টি তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ উৎপাদনমুখী শিল্পায়ন টেকসই হলে দেশে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়তে পারে এবং অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের গতি শক্ত হতে পারে। ফলে রেমিট্যান্স নির্ভরতার চাপ কিছুটা কমানোর পথও তৈরি হয়।
প্রশ্নোত্তর
বাংলাদেশ চীনা বিনিয়োগে কী চাইছে?
চাইছে উৎপাদনমুখী শিল্পায়নে বিনিয়োগকে কাজে লাগানো।
ড. তিতুমীরের বক্তব্যে জোর কোথায়?
শুধু প্রকল্প নয়, উৎপাদন ও সক্ষমতা গঠনের দিকে বিনিয়োগ পরিচালনার ওপর।
এতে দেশের অর্থনীতিতে কী প্রভাব পড়তে পারে?
কর্মসংস্থান ও মূল্য সংযোজন বাড়ার সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে।
আরও পড়ুন: এই বিভাগের সর্বশেষ খবর









