পাঁচটি গরু দিয়ে যে যাত্রা শুরু, এক যুগের ব্যবধানে সেটাই দাঁড়িয়েছে বড় খামার হিসেবে। চট্টগ্রামের মিরসরাই উপজেলার সাহেরখালী ইউনিয়নের ডোমখালী বেড়িবাধের পাশে গড়ে ওঠা আরবিসি এগ্রো টুরিজম লিমিটেডের খামার ধীরে ধীরে বিস্তার পেয়েছে।
শুরু পাঁচ গরু, এখন ৩ শতাধিক গরু

এক যুগ আগে মাত্র পাঁচটি গরু দিয়ে ছোট পরিসরে শুরু হয় কাজ। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে খামারের পরিধি বাড়ে। বর্তমানে এখানে গরু আছে ৩ শতাধিক। খামারের মূল চালিকাশক্তি ছিল ধারাবাহিকভাবে গরু পালন ও ব্যবস্থাপনার পরিমার্জন।
মোট পশু ৫০০ ছাড়িয়ে, গরু ছাড়াও অনেক প্রজাতি
গরুর পাশাপাশি ছাগল, মহিষ ও ভেড়াও রয়েছে খামারে। মিলিয়ে মোট পশুর সংখ্যা ৫০০ ছাড়িয়ে গেছে। ফলে খামারের উৎপাদন ও পরিকল্পনা একদম একমুখী নয়; বরং বিভিন্ন পশুর সমন্বয় করে মৌসুমি চাহিদার সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলা যায়।
ঈদুল আজহায় গরু-মহিষ বিক্রি, কেমন ছিল পশুর বাজার
ঈদুল আজহায় খামার থেকে বিক্রি হয়েছে দুই শতাধিক গরু-মহিষ। বিক্রির এই পরিমাণটি খামারের সামর্থ্য ও বাজারে পছন্দের কথাই মনে করিয়ে দেয়। ঈদের আগে প্রস্তুতি এবং পশু লালনপালনের ধারা ঠিক থাকলে বিক্রির সুযোগও বেশি তৈরি হয় বলে মনে করেন খামারকর্মীরা।
প্রবাসী ও উদ্যোক্তাদের জন্য শিক্ষণীয় দিক
চট্টগ্রামের এই খামারের গল্পে দেখা যায়, বড় উদ্যোগ এক দিনে হয় না। ধাপে ধাপে গরু বাড়ানো, ব্যবস্থাপনায় মনোযোগ, আর বাজার বুঝে চলার প্রবণতা—সব মিলিয়েই দীর্ঘমেয়াদে টেকসই ফল আসে। বিশেষ করে যারা বিদেশ থেকে দেশে বিনিয়োগ বা উদ্যোগের কথা ভাবেন, তাদের কাছে এটি হতে পারে বাস্তব অনুপ্রেরণা।
প্রশ্ন: খামারটি কোথায় গড়ে উঠেছে?
উত্তর: চট্টগ্রামের মিরসরাই উপজেলার সাহেরখালী ইউনিয়নের ডোমখালী বেড়িবাধের পাশে।
প্রশ্ন: এক যুগ আগে কতটি গরু দিয়ে শুরু হয়েছিল?
উত্তর: মাত্র পাঁচটি গরু দিয়ে।
প্রশ্ন: ঈদুল আজহায় কতটি গরু-মহিষ বিক্রি হয়েছে?
উত্তর: দুই শতাধিক গরু-মহিষ বিক্রি হয়েছে।
আরও পড়ুন: এই বিভাগের সর্বশেষ খবর
সূত্র: jagonews24.com









