GULF BANGLA বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ করুন +880 1755727432
Home / অর্থনীতি ও বাণিজ্য / ফ্রিল্যান্সারদের বৈদেশিক লেনদেন সহজ করল বাংলাদেশ ব্যাংক

ফ্রিল্যান্সারদের বৈদেশিক লেনদেন সহজ করল বাংলাদেশ ব্যাংক

ফ্রিল্যান্সারদের বৈদেশিক লেনদেন সহজ করতে বাংলাদেশ ব্যাংকের ডিজিটাল পেমেন্ট নির্দেশনা

ফ্রিল্যান্সারদের বৈদেশিক লেনদেন আরও সহজ করতে নতুন নির্দেশনা দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। ডিজিটাল সেবা রপ্তানির বাস্তবতার সঙ্গে মিল রেখে বৈদেশিক আয় গ্রহণ, সংরক্ষণ ও ব্যবহার—তিন ক্ষেত্রেই কিছু বড় সুবিধা আনা হয়েছে। বুধবার (২২ জুলাই) জারি করা সার্কুলারে এসব নির্দেশনা তুলে ধরা হয়।

ইলেকট্রনিক প্রমাণে বৈদেশিক আয় গ্রহণ

ফ্রিল্যান্সারদের বৈদেশিক লেনদেন সহজ করতে বাংলাদেশ ব্যাংকের ডিজিটাল পেমেন্ট নির্দেশনা

এবার থেকে ফ্রিল্যান্সাররা প্ল্যাটফর্ম স্টেটমেন্ট, ই-মেইল এবং অন্যান্য ডিজিটাল যোগাযোগের মতো ইলেকট্রনিক প্রমাণের ভিত্তিতে বৈদেশিক আয়ের অর্থ গ্রহণ করতে পারবেন। এতে প্রচলিত রপ্তানি-সংক্রান্ত কাগজপত্রের ওপর নির্ভরতা কমবে। ফলে প্রক্রিয়া ডিজিটাল বাণিজ্যের গতির সঙ্গে আরও সামঞ্জস্যপূর্ণ হবে।

২০ হাজার ডলার পর্যন্ত ইনওয়ার্ড রেমিট্যান্স

নির্দেশনায় বলা হয়েছে, ২০ হাজার মার্কিন ডলার পর্যন্ত ইনওয়ার্ড রেমিট্যান্স কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণাপত্র ছাড়াই গ্রহণ করা যাবে। প্রবাসী আয়ের সঙ্গে যুক্ত অনেকের জন্য এ সুবিধা লেনদেন দ্রুত করতে সহায়ক হবে।

পেমেন্ট গেটওয়ে দিয়ে সীমার মধ্যে গ্রহণ

এ ছাড়া অনলাইন পেমেন্ট গেটওয়ে সার্ভিস প্রোভাইডার (ওপিজিএসপি)-এর মাধ্যমে প্রতি লেনদেনে সর্বোচ্চ ১০ হাজার মার্কিন ডলার পর্যন্ত অর্থ গ্রহণের সুযোগ রাখা হয়েছে। তবে শর্ত হিসেবে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে এসব অর্থ দেশে প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করতে হবে।

ডুয়াল-কারেন্সি ‘ফ্রিল্যান্সার কার্ড’ ও ডিজিটাল চ্যানেল বিস্তার

নতুন নির্দেশনায় ডুয়াল-কারেন্সি ‘ফ্রিল্যান্সার কার্ড’ ইস্যুর সুযোগও রাখা হয়েছে। একই সঙ্গে মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস প্রোভাইডার এবং পেমেন্ট সার্ভিস প্রোভাইডারের ব্যবহার সম্প্রসারণ করে ডিজিটাল পেমেন্ট ব্যবস্থা আরও সহজ করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

ইআরকিউ সুবিধা—সীমা কত?

তথ্যপ্রযুক্তি খাতের ফ্রিল্যান্সাররা তাদের রপ্তানি আয়ের সর্বোচ্চ ৫০ শতাংশ বৈদেশিক মুদ্রায় এক্সপোর্টার্স রিটেনশন কোটা (ইআরকিউ) হিসাবে সংরক্ষণ করতে পারবেন। আর অন্যান্য সেবা রপ্তানিকারকদের ক্ষেত্রে এ সীমা ৩০ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে। এর ফলে বৈদেশিক ব্যয় ব্যবস্থাপনায় কিছুটা নমনীয়তা আসবে।

ডিজিটাল প্রমাণ গ্রহণের সুযোগ, কম আনুষ্ঠানিকতা এবং ইআরকিউ সুবিধা—সব মিলিয়ে ফ্রিল্যান্সিং আয়কে আরও প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোর ভেতরে আনার পথ তৈরি হচ্ছে। স্বচ্ছতা বাড়বে বলেও সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, আর বৈদেশিক মুদ্রার প্রবাহও জোরদার হবে বলে প্রত্যাশা।

সংক্ষেপে কিছু প্রশ্ন

ফ্রিল্যান্সাররা কোন ধরনের প্রমাণ দিয়ে আয় গ্রহণ করতে পারবেন?
প্ল্যাটফর্ম স্টেটমেন্ট, ই-মেইল ও অন্যান্য ডিজিটাল যোগাযোগের ইলেকট্রনিক প্রমাণ কাজে লাগবে।

ইনওয়ার্ড রেমিট্যান্সে আনুষ্ঠানিক ঘোষণাপত্র কি লাগবে?
২০ হাজার ডলার পর্যন্ত ইনওয়ার্ড রেমিট্যান্স কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণাপত্র ছাড়াই গ্রহণ করা যাবে।

তথ্যপ্রযুক্তি খাতের ফ্রিল্যান্সারদের ইআরকিউ সীমা কত?
সর্বোচ্চ ৫০ শতাংশ বৈদেশিক মুদ্রায় এক্সপোর্টার্স রিটেনশন কোটা হিসেবে সংরক্ষণ করা যাবে।

আরও পড়ুন: এই বিভাগের সর্বশেষ খবর

সূত্র: jugantor.com

Social Icons