গ্যাস সরবরাহ সংকটের প্রতিবাদে ময়মনসিংহে সিএনজিচালিত অটোরিকশা চালকেরা ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে অবরোধ করেছেন। বুধবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে নগরীর দিগারকান্দা এলাকায় এই কর্মসূচি শুরু হয়।
দ্রুত গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিকের দাবি

চালকেরা অভিযোগ করেন, কয়েক দিন ধরে জেলার বিভিন্ন সিএনজি ফিলিং স্টেশনে পর্যাপ্ত গ্যাস মিলছে না। ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে অপেক্ষা করেও অনেকেই গ্যাস ছাড়াই ফিরে যাচ্ছেন। এতে যাত্রী পরিবহন ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি দৈনিক আয়-রোজগারে বড় ধাক্কা পড়েছে।
বিক্ষোভকারীদের মধ্যে চালক মোজাম্মেল হক বলেন, গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ যেন সব সিএনজি ফিলিং স্টেশনে নিরবচ্ছিন্ন গ্যাস নিশ্চিত করে, সেটাই তাদের দাবি।
মহাসড়কে যানজট, দুর্ভোগ যাত্রী-শিক্ষার্থী
অবরোধের কারণে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে চলাচলকারী বাস, ট্রাক, প্রাইভেটকার, অ্যাম্বুলেন্সসহ বিভিন্ন যান আটকে পড়ে। দূরপাল্লার যাত্রী, কর্মস্থলগামী মানুষ ও শিক্ষার্থীরা পড়েন চরম ভোগান্তিতে। যানজট ছড়িয়ে আশপাশের সড়কেও চলাচলে বিঘ্ন ঘটে।
পুলিশের আলোচনায় অবরোধ প্রত্যাহার
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে আন্দোলনরত চালকদের সঙ্গে কথা বলে। পরে অবরোধকারীদের মহাসড়ক থেকে সরে যাওয়ার অনুরোধ জানানো হলে তারা কর্মসূচি প্রত্যাহার করেন। এরপর মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হতে শুরু করে।
গ্যাস সংকট প্রসঙ্গে চালকদের প্রত্যাশা
চালকেরা বলছেন, গ্যাস না পেলে প্রতিদিনের কাজ চালিয়ে নেওয়া কঠিন হয়ে পড়ে। পরিবার-পরিজনের ভরণপোষণও পড়ে অনিশ্চয়তায়। তাই দ্রুত ব্যবস্থা নিয়ে সংকট কাটিয়ে ওঠার দাবিও জোরালোভাবে সামনে এসেছে।
প্রশ্নোত্তর
কোথায় অবরোধ করা হয়? নগরীর দিগারকান্দা এলাকায় ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে।
কেন অবরোধ? কয়েক দিন ধরে সিএনজি ফিলিং স্টেশনে গ্যাস সরবরাহ অপর্যাপ্ত—এমন অভিযোগে।
অবরোধ তুলে নেওয়া হলো কীভাবে? পুলিশের আলোচনার পর চালকেরা সরে গেলে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।
আরও পড়ুন: এই বিভাগের সর্বশেষ খবর
সূত্র: jagonews24.com









