GULF BANGLA বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ করুন +880 1755727432
Home / অর্থনীতি ও বাণিজ্য / গুলশানে ওয়াসার অনিয়ম প্রতিরোধে টিআইবির আহ্বান

গুলশানে ওয়াসার অনিয়ম প্রতিরোধে টিআইবির আহ্বান

গুলশানে ওয়াসার জমি ও নির্মাণ প্রকল্প নিয়ে টিআইবির উদ্বেগ

গুলশানে ওয়াসার ১১৪ কাঠা জমিতে তড়িঘড়ি আবাসন ভবন নির্মাণের উদ্যোগে অনিয়ম ঠেকাতে দ্রুত প্রত্যাহার ও তদন্ত দাবি করেছে টিআইবি। ব্যক্তি মালিকানাধীন একটি আবাসন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের প্রস্তাবকে ঘিরে যে প্রক্রিয়া চলেছে, সেটিকে জমি দখলবাজির সহায়ক বলেই উদ্বেগ প্রকাশ করেছে সংস্থাটি।

একক প্রস্তাবের ভিত্তিতে এগোনোর অভিযোগ

গুলশানে ওয়াসার জমি ও নির্মাণ প্রকল্প নিয়ে টিআইবির উদ্বেগ

টিআইবির মতে, ওয়াসা একটি সরকারি প্রতিষ্ঠান। তাই ওয়াসার সম্পদ ব্যবহার করে কোনো কার্যক্রম করতে হলে দরপত্র আহ্বানের মাধ্যমে স্বচ্ছ, উন্মুক্ত ও অংশগ্রহণমূলক প্রক্রিয়া অনুসরণ করার কথা। কিন্তু দৃশ্যত রাজনৈতিকভাবে প্রভাবশালী বিবেচনায় রাজধানীর অভিজাত এলাকার গুরুত্বপূর্ণ স্থানে ওয়াসা ভবন নির্মাণে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে—যা আইন ও নীতিকাঠামোর লঙ্ঘন বলেই মনে করছে টিআইবি।

প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান না করে লোকদেখানো প্রক্রিয়া

টিআইবির অভিযোগ, যে প্রস্তাব পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সরাসরি প্রত্যাখ্যান করা উচিত ছিল, তা না করে স্বল্প সময়ের ব্যবধানে কমিটি গঠনসহ বিবেচনার নামে লোকদেখানো প্রক্রিয়া করা হয়েছে। এতে প্রস্তাবকারী প্রতিষ্ঠানের ভূমি দখলবাজি চক্রান্তের সঙ্গে বাস্তব যোগসাজশের ইঙ্গিত মিলছে বলে দাবি সংস্থাটির।

রাজউক অবগত নয়—এমন বক্তব্য নিয়েও প্রশ্ন

টিআইবির বক্তব্যে এসেছে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ অভিযোগ। ঢাকা ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালকের বক্তব্যের সূত্র ধরে বলা হয়, রাজউক থেকে ইজারাপ্রাপ্ত জমি উন্নয়নের নামে বেসরকারি আবাসন প্রতিষ্ঠানের হাতে তুলে দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তবে টিআইবির মতে, রাজউক এ বিষয়ে অবগত নয়। ফলে এখানে স্বার্থান্বেষী মহলের কারসাজি ও বিশেষ গোষ্ঠীগত স্বার্থ কাজ করছে—এমন শঙ্কা প্রকাশ করেছে তারা।

কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ ও তদন্ত দাবি

টিআইবির পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়েছে। ওই উদ্যোগ অবিলম্বে বাতিল করে যথাযথ তদন্ত পরিচালনারও দাবি জানানো হয়। পাশাপাশি বলা হয়, রাষ্ট্রের সম্পত্তি এভাবে গোষ্ঠীস্বার্থ হাসিল ও মুনাফা অর্জনের মাধ্যম হয়ে উঠলে তা কোনো ভালো দৃষ্টান্ত গড়ে দেবে না।

প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্যও বিষয়টি তাৎপর্যপূর্ণ, কারণ সরকারি সম্পদের ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা না থাকলে সেখানকার দুর্নীতির প্রভাব পড়ে সার্বিক অর্থনীতি ও জনআস্থায়। পাশাপাশি জমি ও অবকাঠামো খাতে অনিয়ম টিকে থাকলে ন্যায্য উন্নয়নও বাধাগ্রস্ত হয়।

সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর

টিআইবি ঠিক কী নিয়ে উদ্বেগ জানিয়েছে?
গুলশানে ওয়াসার জমিতে বেসরকারি আবাসন প্রতিষ্ঠানের প্রস্তাব ঘিরে প্রক্রিয়াটি নৈতিক ও নিয়মসম্মত হয়নি বলে।

তারা কী দাবি করেছে?
উদ্যোগ অবিলম্বে প্রত্যাহার এবং যথাযথ তদন্ত।

দরপত্র প্রসঙ্গটা কেন গুরুত্বপূর্ণ?
কারণ সরকারি সম্পদ ব্যবহারে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে দরপত্রের মতো উন্মুক্ত প্রক্রিয়ার কথাই বলা হয়েছে।

আরও পড়ুন: এই বিভাগের সর্বশেষ খবর

সূত্র: jagonews24.com

Social Icons